Link copied.
করোনা পরিস্থিতিতে যেমন চলছে দুশ্চিন্তাগ্রস্ত ইউরোপিয়ান ফুটবলের দলবদল!
writer
অনুসরণকারী
cover
কোভিড-১৯ এর প্রভাব গোটা বিশ্বের অর্থনৈতিক চাকা রীতিমত উল্টো দিকে ঘুরিয়ে দিয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে প্রায় প্রতিটি খাত। বাদ যায়নি ঘরোয়া ফুটবল প্রতিযোগিতার ক্লাবগুলোও। করোনার প্রথম প্রকোপ ছড়ানোর সাথে সাথেই মাঠে দর্শকের প্রবেশ নিষিদ্ধ ঘোষণা করে ফিফা এবং উয়েফা। বন্ধ হয়ে যায় বার্ষিক আয়ের অন্যতম বৃহত্তর খাতটি। এরই মাঝে বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানগুলোও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। যার ফলে বিভিন্ন ক্লাবের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ থাকা প্রতিষ্ঠানসমূহ চুক্তি স্থগিত করে কিংবা বিনিয়োগ বন্ধ করে দেয়। যদিও এর প্রভাব ফিফা এবং উয়েফার উপর সরাসরি পড়েনি। কিন্তু দুশ্চিন্তা বাড়িয়ে দিয়েছিল ইউরোপিয়ান ক্লাবগুলোর। কারণ বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে বিজ্ঞাপন চুক্তি থেকেই ক্লাবগুলো সর্বাধিক অর্থ আয় করে থাকে।
গত এক দশকে ঘরোয়া ফুটবল প্রতিযোগিতার ক্লাবগুলোতে বেড়েছিল বিনিয়োগের পরিমাণ। খেলোয়াড় কেনাবেচায় টাকার অঙ্কের পরিমাণও এর অন্য যে কোনো সময়ের চেয়েও বেশি। শুরু হয়েছিল স্প্যানিশ জায়ান্ট রিয়াল মাদ্রিদের প্রেসিডেন্ট ফ্লোরেন্তিনো পেরেজের হাত ধরে। একশত মিলিয়নের বিনিময়ে ওয়েলস তারকা গ্যারেথ বেলকে দলে ভেড়ান তিনি। এরপর শত মিলিয়নে খেলোয়াড় কেনাবেচার একাধিক চুক্তি দেখেছিল ফুটবল বিশ্ব। নেইমারকে ২২০ মিলিয়নে বিক্রি করার পর ১৫০ মিলিয়নের বিনিময়ে ফিলিপে কৌতিনহোকে দলে ভেড়ায় আরেক স্প্যানিশ ক্লাব বার্সেলোনা। শুধু এখানেই থেমে থাকেনি ক্লাবটি, যথাক্রমে ১২০ এবং ১৩০ মিলিয়নের বিনিময়ে দুই ফরাসি তারকা ডেম্বেলে এবং গ্রিজম্যানকেও দলে নিয়েছিল ক্লাবটি।
করোনাভাইরাসের প্রকোপ ছড়িয়েছে বছরখানেক আগেই। এরই মাঝে শেষ হয়েছে ২০২০-২১ মৌসুমটি। ২০২০ সালের স্থগিত হওয়া ইউরো ইতোমধ্যেই শুরু হয়েছে। এত এত ঘটনার মাঝে থেমে নেই ফুটবলের দলবদল। খেলোয়াড় কেনাবেচা চলছে অন্য সময়ের মতোই। শুধুমাত্র ঘাপটি মেরে আছে স্প্যানিশ ক্লাব সমূহ। মূলত অর্থনৈতিক ভঙ্গুর অবস্থার কারণে এখন অবধি বড়সড় চুক্তিতে নাম লেখায়নি অ্যাটলেটিকো, বার্সেলোনা এবং রিয়াল মাদ্রিদের মতো জায়ান্ট ক্লাব সমূহ। তবুও আশা করা যায় এবারের দলবদলে বড়সড় কয়েকটি চুক্তি দেখবে ফুটবল বিশ্ব। তবে বড়সড় চুক্তিগুলো দেখতে অপেক্ষা করতে হবে আগস্ট মাস পর্যন্ত। আর দলবদলের এই আলোচিত সময়ে আমরা আলোচনা করব ইতোমধ্যেই ঘটে যাওয়া আকর্ষণীয় চুক্তি সমূহ নিয়ে। আর এই চুক্তিসমূহের অর্থনৈতিক মূল্যমান আলোচনায় প্রাধান্য পাবে।
কিলিয়েন এমবাপ্পে

কোনোপ্রকার সন্দেহ ব্যতীত বলা যায় বর্তমান বিশ্বের সেরা তরুণ ফুটবলার এমবাপ্পে। মাত্র ৪ বছরের শীর্ষ ফুটবল ক্যারিয়ারে জিতেছেন ডজনখানেক শিরোপা। বাদ যায়নি ফুটবল বিশ্বকাপের শিরোপা। মোনাকোতে আলো ছড়িয়ে ২০১৭ সালে পাড়ি জমান পিএসজিতে। প্রথম মৌসুম লোনে খেললেও পরের মৌসুমে গ্রীষ্মকালীন দলবদলে ১৫৫ মিলিয়নে স্থায়ীভাবে থেকে যান প্যারিসে। বয়স তখন মাত্র ১৮! একই বছর খেলেন রাশিয়া বিশ্বকাপ। নক আউট পর্বে একাধিক গোল করে জেতান শিরোপা।
cover
এমবাপ্পের মতো তুমুল জনপ্রিয়তা পাওয়া তরুণ ফুটবলারের সংখ্যা নেহাতি কম ছিল না। তবে সবাই তার মতো ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে পারেনি। ২০১৮-১৯ মৌসুমে ফ্রেঞ্চ লিগে ৩১ ম্যাচে ৩৩ গোল করে রীতিমত আলোচনার তুঙ্গে পৌঁছান তিনি। সদ্য শেষ হওয়া মৌসুমে তার লিগ গোলের সংখ্যা ২৭টি। মাত্র ২২ বছর বয়সে এমন ধারাবাহিক পারফরম্যান্স এর আগে কোনো ফুটবলে উপহার দিতে পারেননি। ২০১৮ সালে পিএসজির সঙ্গে মাত্র ৪ বছরের চুক্তি করেছিলেন এমবাপ্পে। চুক্তি অনুযায়ী আগামী মৌসুমেই এজেন্ট ফ্রি হয়ে যাওয়ার বড়সড় সম্ভাবনা রয়েছে তার। আর এই কারণেই তার পিএসজি ছাড়ার সম্ভাবনা প্রবল।
ইতোমধ্যেই চুক্তি নবায়নের ৪টি প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছেন এমবাপ্পে। ইউরোপিয়ান পত্রিকাগুলোর মতে পিএসজির সঙ্গে এমবাপ্পের চলমান দরকষাকষি সূক্ষ্মভাবে পর্যবেক্ষণ করছে রিয়াল মাদ্রিদ। কারণ ইতোমধ্যেই তাকে ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর যোগ্য উত্তরসূরি ভাবছেন দলটির সমর্থকরা। কোভিড-১৯ এর কারণে অর্থনৈতিক ক্ষতির সম্মুখীন না হলে ইতোমধ্যেই এমবাপ্পেকে রিয়ালের জার্সিতে দেখা যেতো বলে ধারণা করেন স্পেনের সাংবাদিকেরা। কিন্তু চুক্তির মেয়াদ মাত্র ১ বছর বাকি বলেই তুলনামূলক কম দামে এমবাপ্পেকে দলে ভেড়ানোর বিষয়ে তৎপরতা দেখাচ্ছে রিয়াল। দলটির প্রতিনিধি এবং সাবেক ফুটবলার রবার্তো কার্লোস ইতোমধ্যেই এই বিষয়ে বিবৃতি দিয়েছেন। এছাড়াও এমবাপ্পে নিজেও পিএসজিতে থাকার বিষয়ে নিজের মতামত খোলাসা করেননি। তাই আশা করা যায় এবারের গ্রীষ্মকালীন দলবদলে বিপুলপরিমাণ অর্থের বিনিময়ে রিয়াল মাদ্রিদে পাড়ি জমাতে পারেন এই ফরাসি ফুটবলার।
আর্লিং হালান্ড

নরওয়েজিয়ান তরুণ ফুটবলার আর্লিং হালান্ড গত মৌসুমের সেরা তরুণ স্ট্রাইকার। যদিও এর আগের মৌসুমে প্রথমবারের মতো আলোচনায় আসেন তিনি। সালসবুর্গের হয়ে অতিমানবীয় পারফরম্যান্সের পর ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডে পাড়ি জমানোর কথা ছিল তার। কিন্তু ১৯ বছর বয়সী ফুটবলারের জন্য ৪৫ মিলিয়ন ইউরো পরিশোধ করতে রাজি হয়নি দলটি। বার্সেলোনা, রিয়াল মাদ্রিদও পিছু নিয়েছিল তার। কিন্তু এজেন্ট মিনো রাইয়োলার ক্লায়েন্ট হওয়াতেই তার স্পেনে আগমন ঘটেনি। হালান্ড নিজের ফুটবলীয় বিকাশের ক্ষেত্র হিসেবে বেছে নেয় জার্মান জায়ান্ট বরুশিয়া ডর্টমুন্ডকে।
cover
৪৫ মিলিয়ন ইউরো মূল্যে ডর্টমুন্ডে পাড়ি জমানোর পরের সবকিছুই যেন স্বপ্নের মতো। গত মৌসুমে বুন্দেসলিগায় ২৮ ম্যাচ খেলে করেছেন ২৭ গোল এবং ৬টি অ্যাসিস্ট। শুধুমাত্র লিগেই আলো ছড়িয়ে ক্ষান্ত হননি হালান্ড। চ্যাম্পিয়ন্স লিগেও করে যান একের পর এক গোল। ৮ ম্যাচে ১০ গোল এবং ২টি অ্যাসিস্ট করে জিতে নেন সর্বোচ্চ গোলদাতার পুরস্কার। সবমিলিয়ে ডর্টমুন্ডের হয়ে গত মৌসুমে ৪১ ম্যাচে ৪১ গোল এবং ১২টি অ্যাসিস্ট করেন তিনি। জিতে নেন বুন্দেসলিগার বর্ষসেরা ফুটবলারের পুরস্কার।
আর এমন পারফরম্যান্সের পরেই দলবদলের বাজারে আলোচনায় আসেন হালান্ড। মৌসুম শেষে তাকে পেতে আগ্রহী ৫টি শীর্ষস্থানীয় দলের কর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন এজেন্ট রাইয়োলা এবং হালান্ডের বাবা। যদিও স্প্যানিশ গণমাধ্যমের মতে হালান্ড ব্যক্তিগতভাবে রিয়াল মাদ্রিদে খেলতে চায়। কিন্তু একই দলবদলে রিয়াল কখনোই দুজন তারকাকে দলে ভেড়ানোর মতো অর্থনৈতিক অবস্থায় নেই। কারণ হালান্ডের দাম ১৪৫ মিলিয়নেরও বেশি আশা করে বরুশিয়া ডর্টমুন্ড। তবে হালান্ড আরো এক মৌসুম বুন্দেসলিগায় খেলতে আগ্রহী। যদিও তাকে পাওয়ার দৌড়ে বায়ার্ন মিউনিখ ও চেলসি যোগ দেয়ায় পরিস্থিতি ঘোলাটে হয়ে গেছে। 
জাদান সানচো

বরুশিয়া ডর্টমুন্ড একাডেমির আরেক তরুণ তারকা ফুটবলার এই সানচো। ২০১৭ সালে তিনি ম্যানচেস্টার সিটি একাডেমি থেকে ডর্টমুন্ডে যোগদান করেন। অতঃপর একজন জাত প্লে-মেকার, উইঙ্গার হিসেবে সুখ্যাতি কুড়িয়েছেন। প্রতি মৌসুমে গড়ে ডজনখানেক গোল করেছেন কিংবা করিয়েছেন সতীর্থ্যদের দিয়ে। যদিও পরিসংখ্যান বলে সানচো গোল করার থেকেও গোল করাতে বেশি পছন্দ করেন। আর জন্মগতভাবে ইংরেজ হওয়ার সুবাদে সংবাদমাধ্যমে বেশ আলোচনায় থাকেন সানচো। গত মৌসুমে ২৬ ম্যাচ খেলে সর্বমোট ২০ গোলে অবদান রাখেন সানচো। যদিও ডর্টমুন্ডের হয়ে সানচোর সবচেয়ে সফলতম ছিল ২০১৯-২০ মৌসুমটি। সেবার বুন্দেসলিগায় ৩২ ম্যাচে ১৭ গোল এবং ১৬টি অ্যাসিস্ট করেন তিনি।
cover
গত গ্রীষ্মকালীন দলবদলে আলোচনায় আসেন সানচো। ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডে যোগদানের একেবারে দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে যান তিনি। যদিও দরদাম নিয়ে বনিবনা হয়নি দুই দলের মধ্যে। ডর্টমুন্ড ১১০ মিলিয়ন দাম চাওয়ায় পিছু হটে ম্যানইউ। যদিও এবারের দলবদলে আবারো সানচোকে পেতে উঠেপড়ে লেগেছে ক্লাবটি। তবে এবার আর পূর্বের দামে চুক্তি হবেনা বলে ধারণা করছেন ইতালিয়ান সাংবাদিক রোমানো। তার ভাষ্যমতে ৯৫ মিলিয়নের চুক্তি হতে পারে দুই দলের মধ্যে। সানচো ইতোমধ্যেই ম্যানইউর সঙ্গে ব্যক্তিগত চুক্তি সম্পন্ন করেছেন। শুধুমাত্র আনুষ্ঠানিকতা বাকি রয়েছে। 
আচরাফ হাকিমি

বর্তমান সময়ের সেরা তিনজন রাইট ব্যাক এর একজন ভাবা হয় তাকে। জন্মগতভাবে মরক্কোর নাগরিক হলেও তার ছোটবেলা কেটেছে স্পেনের রাজধানী মাদ্রিদে। খেলেছেন রিয়াল মাদ্রিদ একাডেমি এবং যুব দলে। অতঃপর জিনেদিন জিদানের হাত ধরে ২০১৬-১৭ মৌসুমে খেলেছেন মূল দলে। যদিও সেখানে দানি কারভাহালের কারণে থেকে গেছেন দ্বিতীয় পছন্দের রাইট ব্যাক হিসেবে। ২০১৭ সালের গ্রীষ্মকালীন দল বদলে হাকিমি পাড়ি জমান বরুশিয়া ডর্টমুন্ডে। ২ বছরের জন্য লোনে খেলেন সেখানে। নজরকাড়া পারফরম্যান্স উপহার দিয়ে দলের আস্থা অর্জন করেন তিনি। ভেবেছিলেন সুযোগ পাবেন রিয়ালে। ফেরার কথা থাকলেও যখন বুঝতে পারেন তখনও দানি কারভাহাল জিদানের পছন্দের তালিকায় উপরে ঠিক তখনি অন্যত্র পাড়ি জমান তিনি।
cover
২০২০ সালের গ্রীষ্মকালীন দলবদলে ৪৫ মিলিয়ন ইউরোতে তাকে দলে ভেড়ায় ইতালিয়ান জায়ান্ট ইন্টার মিলান। মূলত কোচ কন্তের ব্যক্তিগত চাওয়ায় তাকে দলে নিয়েছিল দলটি। কন্তের অধীনে ইন্টার মিলান লিগ শিরোপা জিতলেও অব্যাহতি নিয়েছেন এই সফল কোচ। ঠিক একই সময়ে হাকিমিকে পেতে মরিয়া হয়ে উঠেছে ফরাসি ক্লাব পিএসজি। যদিও ৮০ মিলিয়নের কমে তাকে ছাড়তে রাজি নয় ইন্টার। এখন অবধি সর্বোচ্চ ৬০ মিলিয়নের প্রস্তাব দিয়েছে ফরাসিরা। কিন্তু তারাই হাকিমির জন্য প্রস্তাব দেয়া একমাত্র ক্লাব নয়। গত এক সপ্তাহ যাবত আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব দেয়ার প্রস্তুতি নিয়েছিল ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়ন চেলসি। দলটির কোচ টমাস টুখেল ব্যক্তিগতভাবে হাকিমিকে পছন্দ করেন। যদিও দুই দলের একটিও ইন্টার মিলানের চাওয়া অবধি বিড করেনি। তবে হাকিমির প্রস্থান অনেকটাই নিশ্চিত বলে ধরে নেয়া যায়।
জিয়ানলুইজি ডনারুমা

মাত্র ২২ বছর বয়সী এই ইতালিয়ান গোলকিপার ইতোমধ্যেই এসি মিলানের হয়ে খেলেছেন ২৫১টি ম্যাচ। এই বয়সে অনেক গোলকিপার দলের মূল দলেই জায়গা পাননা। সেক্ষেত্রে ডনারুমা এগিয়ে আছেন অন্য সকল তরুণ গোলকিপারদের তুলনায়। এসি মিলানের মূল দলে খেলছেন ২০১৫ সাল থেকেই। ২৫১ ম্যাচ খেলে গোল হজম করেছেন ২৬৫টি আর ক্লিনশিট রেখেছেন ৮৮টি। সবমিলিয়ে নিজেকে কিংবদন্তীতুল্য করার দৌঁড়ে অনেকটাই এগিয়ে রয়েছেন ডনারুমা। তিনি মিলানের সঙ্গে সর্বশেষ চুক্তি নবায়ন করেন ২০১৭ সালে। সেবার রিয়াল মাদ্রিদ তাকে দলে ভেড়ানোর চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়েছিল।
cover
সর্বশেষ চুক্তি অনুযায়ী চলতি মাসের ৩০ তারিখ এজেন্ট ফ্রি হয়ে যাচ্ছেন ডনারুমা। চুক্তি শেষ হয়ে যাওয়ায় একপ্রকার ফ্রিতেই অন্য দলে যেতে পারবেন তিনি। আর এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে তাকে দলে নিতে আগ্রহী বার্সেলোনা এবং পিএসজি। যদিও বার্সেলোনার প্রস্তাবকৃত বেতন কাঠামো তার পছন্দ হয়নি। সে হিসেবে বাকি রইলো পিএসজি। দলটি তাকে ১০ মিলিয়নের অধিক বাৎসরিক বেতন দেয়ার প্রস্তাব দিয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে খুব শিগ্রই প্যারিসের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হবেন এই ইতালিয়ান গোলকিপার। পিএসজি খুব শিগ্রই চুক্তিটি সম্পন্ন করতে চায়।
সার্জিও রামোস

কেউই হয়তো ভাবেনি দলবদলের বাজারে নাম উঠবে রিয়াল মাদ্রিদ এবং স্পেন জাতীয় দলের অধিনায়ক সার্জিও রামোসের। বর্তমান চুক্তির মেয়াদ শেষ হবে ৩০ জুন। গত এক মৌসুমে রিয়াল কর্তাদের সঙ্গে দফায় দফায় বৈঠক করেও নিজের চাওয়া অনুযায়ী প্রস্তাব আদায় করতে পারেননি রামোস। বলতে গেলে লস ব্লাঙ্কোস সমর্থকদের গোটা মৌসুম কেটেছে রামোস চুক্তি নবায়ন করবেন কী করবেন না সে বিষয়ে আলোচনা করে। চলতি মাসেই শেষ হবে তার চুক্তির মেয়াদ। অথচ এখনো তিনি জানেন না রিয়াল তাকে রাখবে কিনা।
cover
স্প্যানিশ গণমাধ্যমের তথ্যানুযায়ী রিয়াল তাকে বাৎসরিক ১২ মিলিয়ন বেতনে ১ বছরের নতুন চুক্তির প্রস্তাব দিয়েছিল। সেই সাথে করোনার কারণে ১০ শতাংশ পে-কাট। রামোস বেতনের অঙ্কে সন্তুষ্ট হলেও তার দাবি ২ বছরের চুক্তি। রিয়াল মাদ্রিদ নীতিগতভাবে ৩০ বছরের অধিক বয়সের খেলোয়াড়দের সঙ্গে ১ বছরের অধিক চুক্তি করে না। মূলত এখানেই রামোসের সঙ্গে রিয়াল কর্তাদের জবরদস্তি। যদি রামোস রিয়াল ছাড়েন তবে তার সম্ভাব্য গন্তব্য হতে পারে পিএসজি কিংবা ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। উভয় দলই তাকে রিয়ালের চেয়েও বেশি বেতন এবং ২ বছরের জন্য চুক্তি প্রস্তাব দিয়েছে। এখন দেখা যাক রামোস কোনটা বেছে নেন।

Ridmik News is the most used news app in Bangladesh. Always stay updated with our instant news and notification. Challenge yourself with our curated quizzes and participate on polls to know where you stand.

news@ridmik.news
support@ridmik.news
© Ridmik Labs, 2018-2021