ফিল্টার নাকি ফুটানো, কোন পানি জীবনের জন্য বেশি নিরাপদ?
জীবনযাপন
ফিল্টার নাকি ফুটানো, কোন পানি জীবনের জন্য বেশি নিরাপদ?
পানি ছাড়া মানুষের বেঁচে থাকা অসম্ভব। তাই পানির অপর নাম জীবন। গ্রাম বা শহরের বাইরের অঞ্চলগুলোতে বিশুদ্ধ পানির অভাব দেখা না গেলেও রাজধানী ঢাকা কিংবা চট্টগ্রামের মতো মেগাসিটিগুলোতে বিশুদ্ধ পানির জন্য মানুষ ফিল্টার ব্যবহার করেন কিংবা ফুটিয়ে পানি খান।
এদিকে, ডাক্তাররা জন্ডিস, টাইফয়েড এবং ডায়রিয়ার মতো জলবাহিত রোগ প্রতিরোধে ফুটিয়ে পানি পান করার পরামর্শ দেন। তবে শহরের মানুষের মধ্যে একটি বিষয় নিয়ে সবসময়ই প্রশ্ন থেকে যায়, ফুটানো পানি নাকি ফিল্টার করা পানি- কোনটি জীবনের জন্য বেশি নিরাপদ?
গবেষণায় দেখা যায়, পানি যখন ফোটানো হয়, তখন ১০০ ডিগ্রির উপর তাপমাত্রায় পৌঁছায়। ওই তাপে পানির সব রকম জীবাণু মরে যায়। সে কারণেই পানি ফুটিয়ে খাওয়ার চল রয়েছে। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অন্তত ২০ মিনিট ফোটাতে হবে পানি। না হলে পানির সব জীবণু মারা সম্ভব নয়। কিন্তু আপনি যদি মনে করেন, ফুটানোর পর পানিতে থাকা ময়লা এবং অন্যান্য রাসায়নিক পদার্থ দূর হয়ে যায়- তাহলে আপনি ভুল ভাবছেন। পানি ফুটালে সীসা, আর্সেনিক, ম্যাগনেসিয়াম এবং নাইট্রেটের মতো উপাদান দূর করে না। তাই ফোটানো পানির চেয়েও ফিল্টারের পানিকে বেশি স্বাস্থ্যসম্মত বলে মনে করেন অনেক চিকিৎসক।
todo:
কারণ, পানিতে শুধু সাধারণ জীবাণু নয়, সঙ্গে অন্যান্য রাসায়নিকও থাকে। সেসব পদার্থও সরিয়ে দেয় ফিল্টার। আর পানিতে থেকে যায় শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় সব জিনিস। এছাড়াও একটি পানির ফিল্টার দূষিত বা কলের পানি থেকে ময়লা, রাসায়নিক এবং অণুজীব মেরে ফেলতে পারে এবং প্যাথোজেন-মুক্ত করে তোলে। আরও ও ইউভি যুক্ত ওয়াটার পিউরিফায়ার পানিকে বিশুদ্ধ করতে এবং পানযোগ্য করে তুলতে সাহায্য করে।
জীবনযাপন
আরো পড়ুন