বিশ্বে বাংলাদেশের সক্ষমতা জানান দিতে পুরো প্রস্তুত ‘পদ্মা সেতু’
জাতীয়
বিশ্বে বাংলাদেশের সক্ষমতা জানান দিতে পুরো প্রস্তুত ‘পদ্মা সেতু’
প্রমত্তা পদ্মার বুক চিরে তিল তিল করে গড়ে তোলা স্বপ্নের পদ্মা সেতু এক ভিন্ন আবহ সৃষ্টি করেছে গোটা বিশ্বে। নানা প্রতিকূলতা, প্রতিবন্ধকতা আর সমালোচনা অপেক্ষা করে পদ্মা সেতু এখন দৃশ্যমান। শুধু কি দৃশ্যমান? পদ্মা সেতুর সড়কপথ এখন পুরোপুরি প্রস্তুত। আর মাত্র কয়েকটা দিন অপেক্ষা। এরপরই সাধারণ মানু্ষদের ব্যবহারের জন্য উন্মুক্ত করে দেয়া হবে। ‘পদ্মা সেতু’ শুধু দুটি শব্দ নয়।
স্বপ্নের পদ্মা সেতু; ছবি: মামুন সোহাগ
স্বপ্নের পদ্মা সেতু; ছবি: মামুন সোহাগ
কোটি কোটি বাঙালির নরম হাতে তিলে গড়া আবেগ-অনুভূতির নাম। পরম যত্নে এই সেতুর প্রতি গড়ে উঠেছে ভালোবাসা। দেশের অনন্য এক অর্জন, অহংকার। পদ্মার বুক চিরে গড়ে ওঠা এই পদ্মা সেতু দৃশ্যমান হয়েছে অনেক আগেই। গর্বের সেতু দাঁড়িয়ে আছে। সরেজমিন পদ্মা সেতু ঘরে দেখা যায়, শেষ মুহুর্তের প্রস্তুতি চলছে পদ্মা সেতুর মাওয়া এবং জাজিরা প্রান্তে। মাওয়া ও জাজিরা প্রান্তে ৪০ ফুট উচ্চতার দুটি ম্যুরাল নির্মিত হচ্ছে। দুটি ম্যুরালে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতিকৃতি থাকবে। এর পাশে নির্মাণ করা হচ্ছে উদ্বোধনী ফলক।
সমীক্ষা অনুযায়ী, পদ্মা সেতু প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে ১ দশমিক ২৩ শতাংশ হারে মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) বৃদ্ধি পাবে। দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের জিডিপি বাড়বে ২ দশমিক ৩ শতাংশ।
স্বপ্নের পদ্মা সেতু; ছবি: মামুন সোহাগ
স্বপ্নের পদ্মা সেতু; ছবি: মামুন সোহাগ
নানা সমালোচনা আর বাধার পরও নির্মাণ হলো কোটি কোটি বাঙালির স্বপ্নের অবকাঠামো পদ্মা সেতু। একসময় বাংলাদেশিদের কাছে যা স্বপ্ন ছিল, আজ তা বাস্তবে রূপ নিয়েছে। সমীক্ষা অনুযায়ী, পদ্মা সেতু প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে ১ দশমিক ২৩ শতাংশ হারে মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) বৃদ্ধি পাবে। দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের জিডিপি বাড়বে ২ দশমিক ৩ শতাংশ। আগামী ২৫ জুন উদ্বোধন করা হবে স্বপ্নের পদ্মা সেতু। সেদিন থেকেই এই সেতু দিয়ে চলাচল করবে যানবাহন। যার ফলে পদ্মা সেতু প্রকল্পে যারা কাজ করেছেন তাদের প্রচন্ড ব্যস্ততা পার হচ্ছে। কর্মকর্তা, প্রকৌশীল থেকে শুরু করে প্রতিটি শ্রমিকের এখন দম ফেলার ফুরসত নেই। জানা গেছে, চলতি সপ্তাহের মধ্যেই এ কাজ শেষ হবে এবং এক সঙ্গে জ্বলে উঠবে পদ্মা সেতুর ওপর এবং দু’পাশের সংযোগ সড়কে থাকা ৬১৫টি বিদ্যুৎবাতি।
৬ দশমিক ১৫ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের পদ্মা সেতু এখন প্রস্তুত। পদ্মা নদীর বুকে নিজস্ব অর্থায়নে ৩০ হাজার কোটি টাকায় ৬ দশমিক ১৫ কিলোমিটার দীর্ঘ এই সেতুর কাজ ২০১৫ সালের ডিসেম্বরে উদ্বোধন করেছিলেন শেখ হাসিনা। অপেক্ষা শুধু উদ্বোধনের ঘোষণার।
পদ্মা সেতুর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান সফল করতে ১৮টি উপকমিটি গঠন করেছে সেতু বিভাগ। সব কটি কমিটি প্রায় প্রতিদিনই বৈঠক করছে। এর মধ্যে আমন্ত্রণের দায়িত্বে নিয়োজিত কমিটি আমন্ত্রণ কার্ডের নকশা ও সজ্জার কাজ শুরু করেছে। মনোরম ভেন্যু, সাজসজ্জা, আসন ব্যবস্থাপনা ও অতিথিদের অভ্যর্থনার জন্য রয়েছে আলাদা কমিটি। এ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ভিডিও প্রদর্শনী থাকবে। অতিথিদের দেওয়া হবে উপহার-স্যুভেনির। অতিথিদের মাওয়া ও জাজিরা—দুই পাড়েই আপ্যায়নের ব্যবস্থা করা হবে। এ ছাড়া করোনাকালে স্বাস্থ্য সুরক্ষা, প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা এবং ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার জন্য দুই পাড়েই একাধিক কমিটি গঠন করা হয়েছে। ৬ দশমিক ১৫ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের পদ্মা সেতু এখন প্রস্তুত। পদ্মা নদীর বুকে নিজস্ব অর্থায়নে ৩০ হাজার কোটি টাকায় ৬ দশমিক ১৫ কিলোমিটার দীর্ঘ এই সেতুর কাজ ২০১৫ সালের ডিসেম্বরে উদ্বোধন করেছিলেন শেখ হাসিনা। অপেক্ষা শুধু উদ্বোধনের ঘোষণার। প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রিসভার সদস্য, বিশিষ্ট রাজনীতিক ছাড়াও বাংলাদেশে নিযুক্ত বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকেরাও উদ্বোধনের সময় উপস্থিত থাকবেন বলে শোনা যাচ্ছে। তাই সবকিছুর আগে নিরাপত্তা। এজন্য কেউই আগের মতো পদ্মা সেতু এলাকায় প্রবেশ করতে পারছে না। 
পদ্মা সেতু ঘুরে যা দেখলাম
স্বপ্নের পদ্মা সেতু; ছবি: মামুন সোহাগ
স্বপ্নের পদ্মা সেতু; ছবি: মামুন সোহাগ
পদ্মা সেতুর সড়ক পথ এখন পুরোদমে প্রস্তুত। পদ্মা সেতুতে মোট ৪১৫টি ল্যাম্পপোস্ট বসানো হয়েছে। এর মধ্যে মূল সেতুতে ৩২৮টি, জাজিরা প্রান্তের উড়ালপথ (ভায়াডাক্ট) ৪৬টি, মাওয়া প্রান্তের ভায়াডাক্টে ৪১টি ল্যাম্পপোস্ট বসানো হয়েছে।
খরস্রোতা নদী পদ্মার তলদেশে মাটির স্তরের গঠন যেমন জটিল ঠিক তেমনই পদ্মা সেতুর মাওয়া প্রান্তের সাধারণ মানুষের আবেগ ভালবাসা এই জটিল পদ্মা সেতুকে ঘিরে। তাদের দম ফুরাচ্ছে না। কবে নাগাদ উঠতে পারবেন তারা পদ্মা সেতুতে। এসব নানা প্রশ্ন। পদ্মা সেতুর মাওয়া প্রান্তের সংযোগ স্থলে ৫৫ মিনিট দাঁড়িয়ে দাঁড়াতেই দেখা মিলল ভারি ভারি সব যানবাহনের। যেগুলো পদ্মা সেতুর জাজিরা প্রান্ত থেকে মাওয়া প্রান্তে দিব্যি চলে আসছে। কারণ পদ্মা সেতুর সড়ক পথ এখন পুরোদমে প্রস্তুত। পদ্মা সেতুতে মোট ৪১৫টি ল্যাম্পপোস্ট বসানো হয়েছে। এর মধ্যে মূল সেতুতে ৩২৮টি, জাজিরা প্রান্তের উড়ালপথ (ভায়াডাক্ট) ৪৬টি, মাওয়া প্রান্তের ভায়াডাক্টে ৪১টি ল্যাম্পপোস্ট বসানো হয়েছে। এইগুলো রক্ষণাবেক্ষণের জন্য দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তাদের তোড়জোড় বেড়েছে। হাতে হাতে ধরে একেক লাইটের চেক করছেন। তাদের ভাষ্যে ‘কোথাও কোনো ত্রুটি রাখা যাবে না’।

পদ্মা সেতুর (মূল সেতু) দৈর্ঘ্য ৬ দশমিক ১৫ কিলোমিটার। দুই প্রান্তের উড়ালপথ ৩ দশমিক ৬৮ কিলোমিটার। সব মিলিয়ে সেতুর দৈর্ঘ্য ৯ দশমিক ৮৩ কিলোমিটার। এটি পদ্মা নদীর দুই পাড়কে মুন্সিগঞ্জের মাওয়া ও শরীয়তপুরের জাজিরা দিয়ে সরাসরি যুক্ত করবে। পদ্মা সেতু দিয়ে দেশের দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে যাতায়াত সহজ হবে, সময়ও কমবে।
পদ্মা সেতুর (মূল সেতু) দৈর্ঘ্য ৬ দশমিক ১৫ কিলোমিটার। দুই প্রান্তের উড়ালপথ ৩ দশমিক ৬৮ কিলোমিটার। সব মিলিয়ে সেতুর দৈর্ঘ্য ৯ দশমিক ৮৩ কিলোমিটার। এটি পদ্মা নদীর দুই পাড়কে মুন্সিগঞ্জের মাওয়া ও শরীয়তপুরের জাজিরা দিয়ে সরাসরি যুক্ত করবে। পদ্মা সেতু দিয়ে দেশের দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে যাতায়াত সহজ হবে, সময়ও কমবে। চলাচল সহজ করার পাশাপাশি অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে পদ্মা সেতু। সরাসরি সারা দেশের সঙ্গে যুক্ত হবে দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ১৯টি জেলা। আমরা যখন পদ্মাসেতুর নির্মাণপ্রকল্পের সঙ্গে থাকা কর্মকর্তাদের সঙ্গে সার্ভিস ওয়ান অফিসে কথা বলছি তখনই ঘোষণা এলো পদ্মা সেতু আগামী ২৫ জুন উদ্বোধন হচ্ছে। ওখানে থাকা প্রত্যেকে একে অপরকে জিজ্ঞাসা করছে। কেউ না জানলে তাকে জানিয়ে দিচ্ছে। একদিকে তাদের আনন্দ। আরেকদিকে তাদের বেলা ফুরাবার সময় এসেছে। ঘরে ফিরতে হবে। এ যেন এক মিশ্রিত অনুভূতি!

স্বপ্নের পদ্মা সেতু; ছবি: মামুন সোহাগ
স্বপ্নের পদ্মা সেতু; ছবি: মামুন সোহাগ
এরই মধ্যে পদ্মা সেতু পারাপারে টোল নির্ধারণ করেছে সরকার। গত ১৭ মে সেতু বিভাগের উপসচিব আবুল হাসান স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়, মোটরসাইেকলের জন্য টোলের হার ১০০ টাকা; কার, জিপ ৭৫০ টাকা; পিকআপ ভ্যান ১ হাজার ২০০ টাকা; মাইক্রোবাস ১ হাজার ৩০০ টাকা; ছোট বাস (৩১ আসন বা তার কম) ১ হাজার ৪০০ টাকা; মাঝারি বাস (৩২ আসন বা তার বেশি) ২ হাজার টাকা; বড় বাস (৩ এক্সেল) ২ হাজার ৪০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়া ছোট ট্রাকের জন্য (৫ টন পর্যন্ত) ১ হাজার ৬০০ টাকা; মাঝারি ট্রাক (৫ থেকে ৮ টন পর্যন্ত) ২ হাজার ১০০ টাকা; মাঝারি ট্রাক (৮ থেকে ১১ টন পর্যন্ত) ২ হাজার ৮০০ টাকা; বড় ট্রাক (৩ এক্সেল পর্যন্ত) ৫ হাজার ৫০০ টাকা; ট্রেইলার (৪ এক্সেল পর্যন্ত) ৬ হাজার টাকা এবং ট্রেইলার (৪ এক্সেলের অধিক) ৬ হাজার টাকার সঙ্গে প্রতি এক্সেলের জন্য ১ হাজার ৫০০ টাকা যুক্ত হবে। এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, টোলের এ হার পদ্মা সেতুতে যানবাহন চলাচলের দিন থেকে কার্যকর হবে।

মোটরসাইেকলের জন্য টোলের হার ১০০ টাকা; কার, জিপ ৭৫০ টাকা; পিকআপ ভ্যান ১ হাজার ২০০ টাকা; মাইক্রোবাস ১ হাজার ৩০০ টাকা; ছোট বাস (৩১ আসন বা তার কম) ১ হাজার ৪০০ টাকা; মাঝারি বাস (৩২ আসন বা তার বেশি) ২ হাজার টাকা; বড় বাস (৩ এক্সেল) ২ হাজার ৪০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
স্বপ্নের পদ্মা সেতু; ছবি: মামুন সোহাগ
স্বপ্নের পদ্মা সেতু; ছবি: মামুন সোহাগ
পদ্মা সেতুর ওপর মোট বিদ্যুৎবাতি রয়েছে ৪১৫টি। আর দু’পাশের সংযোগ সড়কে রয়েছে ২০০টি বাতি। সব মিলিয়ে ৬১৫টি বাতি রয়েছে। আমরা এখন প্রতিটি বিদ্যুতের খুঁটির সঙ্গে বিদ্যুতের সংযোগ দেওয়ার কাজ করে যাচ্ছি। এর মধ্যে যেগুলোর কাজ শেষ হচ্ছে সেগুলো পরীক্ষামূলকভাবে জ্বালানো হচ্ছে। তবে সবগুলোর কাজ শেষ হতে আরও এক সপ্তাহ থেকে ১০ দিনের মতো সময় লাগবে।
আব্দুল কাদের, নির্বাহী প্রকৌশলী, পদ্মা সেতু প্রকল্প
পদ্মা বহুমুখী সেতু প্রকল্পের মূল সেতুর নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুল কাদের বলেন, পদ্মা সেতুর ওপর মোট বিদ্যুৎবাতি রয়েছে ৪১৫টি। আর দু’পাশের সংযোগ সড়কে রয়েছে ২০০টি বাতি। সব মিলিয়ে ৬১৫টি বাতি রয়েছে। আমরা এখন প্রতিটি বিদ্যুতের খুঁটির সঙ্গে বিদ্যুতের সংযোগ দেওয়ার কাজ করে যাচ্ছি। এর মধ্যে যেগুলোর কাজ শেষ হচ্ছে সেগুলো পরীক্ষামূলকভাবে জ্বালানো হচ্ছে। তবে সবগুলোর কাজ শেষ হতে আরও এক সপ্তাহ থেকে ১০ দিনের মতো সময় লাগবে। সবগুলোর কাজ শেষ হলেই পদ্মা সেতুর সব বাতি একসঙ্গে জ্বালানো হবে। এখন ওয়্যারিং বা কেবল বসানোর কাজ চলছে। ইতোমধ্যে কেবল বসানোর কাজ ৭০ শতাংশ শেষ হয়েছে। আশা করছি, বাকি ৩০ শতাংশ সপ্তাহখানিকের মধ্যেই শেষ হয়ে যাবে। তবে এখন প্রায় প্রতিদিনই বৃষ্টি হচ্ছে। এজন্য কাজের কিছুটা বিঘ্ন ঘটছে।

স্বপ্নের পদ্মা সেতু; ছবি: মামুন সোহাগ
স্বপ্নের পদ্মা সেতু; ছবি: মামুন সোহাগ
ইতোমধ্যে রোড মার্কিংয়ের কাজ ৪০ ভাগ শেষ হয়েছে। ১০ জুনের মধ্যেই আমরা বাকি কাজ শেষ করে ফেলব। আসলে পদ্মা সেতুর উদ্বোধনের তারিখ যেহেতু ঘোষণা হয়ে গেছে, সেহেতু আমাদের শতভাগ কাজ তার আগে শেষ করতেই হবে। আমরা সে লক্ষ্যে রাত-দিন পরিশ্রম করে যাচ্ছি।
আব্দুল কাদের, নির্বাহী প্রকৌশলী , পদ্মা সেতু প্রকল্প
আব্দুল কাদের আরও জানান, পদ্মা সেতুতে যে কেবল বসানো হচ্ছে সেগুলো বিআরবি কেবল কারখানা থেকে স্পেশালভাবে বানানো হয়েছে। এতে থাকবে ভিন্ন রকমের ডিজাইন। এগুলো অনেক দীর্ঘস্থায়ী এবং মজবুত হবে। তিনি বলেন, কেবল বসানোর কাজের পাশাপাশি রোড মার্কিংয়ের কাজও এগিয়ে চলেছে। ইতোমধ্যে রোড মার্কিংয়ের কাজ ৪০ ভাগ শেষ হয়েছে। ১০ জুনের মধ্যেই আমরা বাকি কাজ শেষ করে ফেলব। আসলে পদ্মা সেতুর উদ্বোধনের তারিখ যেহেতু ঘোষণা হয়ে গেছে, সেহেতু আমাদের শতভাগ কাজ তার আগে শেষ করতেই হবে। আমরা সে লক্ষ্যে রাত-দিন পরিশ্রম করে যাচ্ছি। প্রসঙ্গত, ২০১৪ সালের শেষ দিকে মূল সেতু ও নদীশাসনের কাজ শুরু হয়। এর আগে সংযোগ সড়ক, টোলপ্লাজা নির্মাণসহ অন্যান্য কাজ শুরু হয় ২০১৩ সালের দিকে। দেশের দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ১৯টি জেলাকে সারা দেশের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত করবে পদ্মা সেতু। এ সেতুর মাধ্যমে মোংলা বন্দর ও বেনাপোল স্থলবন্দরের সঙ্গে রাজধানী এবং বন্দরনগরী চট্টগ্রামের সরাসরি যোগাযোগ স্থাপিত হবে। 
জাতীয়বিশেষ প্রতিবেদনপদ্মা ব্রিজ
আরো পড়ুন