Link copied.
ফিরে দেখা ২০১০ এর দশকের আলোচিত ও ইতিহাস সৃষ্টিকারী সেরা কয়েক ঘটনা!
writer
৩১ অনুসরণকারী
cover
এই দশকটি বিশ্বব্যাপী আর্থিক সঙ্কটের বিশৃঙ্খল জাগরণের মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছিল এবং মার্কিন প্রেসিডেন্টের অভিশংসনের মাধ্যমে শেষ হয়। বর্তমান যুগে সোশ্যাল মিডিয়ার ক্রমবর্ধমান ব্যবহার প্রতিবাদ আন্দোলনে ব্যাপক ইন্ধন জোগায়। এবং সাধারণ কোন উদ্দেশ্য সাধনে সারা বিশ্বের লক্ষ লক্ষ লোককে একত্রিত করে ফেলতে পারে এই সোশ্যাল মিডিয়া৷ এই সময়ে ব্রিটেন দেখেছে রাজকীয়দের একটি নতুন প্রজন্মের উত্থান, বিশ্বের নানান প্রান্তের দেশগুলি সমকামী বিবাহকে বৈধ করার আইন পাস, একজন মার্কিন রাষ্ট্রপতি হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভ দ্বারা অভিশংসিত হওয়ার ঘটনা। এরকম রাজনীতি থেকে সংস্কৃতি থেকে খেলাধুলা এবং তার বাইরেও, এখানে কতক আলোচিত, সমালোচিত ঘটনা, কৃতিত্ব, ট্র্যাজেডি এবং স্মরণীয় মুহূর্ত উল্লেখিত রয়েছে যা ২০১০ এর দশকে উথাপিত হয়েছিল- 
রাজনীতি এবং বিশ্ব ঘটনা
১। ওয়াল স্ট্রিট দখল (অকুপাই ওয়াল স্ট্রিট)

"অকুপাই ওয়াল স্ট্রিট" ব্যানারের অধীনে ২০১১ সালের সেপ্টেম্বরে নিউ ইয়র্ক সিটির ফিনান্সিয়াল ডিস্ট্রিক্টের রাস্তায় প্রায় এক হাজার লোক মিছিল করতে নেমেছিল। প্রতিবাদকারীরা আয়ের মধ্যে বৈষম্য এবং রাজনীতিতে অর্থের প্রভাবের নিন্দা ও প্রতিবাদ করেছিল। তারা এটিকে একটি ব্যর্থ আর্থিক ব্যবস্থা হিসাবে বিবেচনা করার আহ্বান জানিয়েছিল। আরব বসন্তের মতো, মধ্যপ্রাচ্যে কর্তৃত্ববাদী শাসনের বিরুদ্ধে জনগণের বিদ্রোহের একটি তরঙ্গও একই বছর শুরু হয়েছিল। তেমনি ওয়াল স্ট্রিট দখল আন্দোলন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। নিউ ইয়র্ক স্টক এক্সচেঞ্জের কাছে জুকোটি পার্কে বসে আরও হাজার হাজার লোক এই আন্দোলনে যোগ দিতে হাজির হয়েছিল। এবং সারা দেশের কয়েক ডজন শহরে একই ধরনের বিক্ষোভ শুরু হয়েছিল। 
cover
২। ব্ল্যাক লাইভস ম্যাটার

জর্জ জিমারম্যান, যিনি ২০১২ সালে নিরস্ত্র কৃষ্ণাঙ্গ কিশোর ট্রেভন মার্টিনকে গুলি করে হত্যা করেছিলেন, তাকে ২০১৩ সালে খালাস দিয়ে দেওয়া হয়। তার খালাসের প্রতিক্রিয়া হিসেবে ২০১৩ সালে তিনজন কৃষ্ণাঙ্গ মহিলা অ্যাক্টিভিস্ট সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে হ্যাশট্যাগ #BlackLivesMatter ব্যবহার শুরু করেছিলেন। ১৯৬০-এর দশকের নাগরিক অধিকার এবং ব্ল্যাক পাওয়ার আন্দোলন এবং অকুপাই ওয়াল স্ট্রিট থেকে অনুপ্রেরণা নিয়ে, ২০১৪ এবং ২০১৫ সালে ব্ল্যাক লাইভস ম্যাটার আন্দোলনটি আরও বেশি মনোযোগ আকর্ষণ করে যখন দাঙ্গায় পুলিশের হাতে নিহত বেশ কয়েকজন কৃষ্ণাঙ্গ মানুষের মৃত্যু হয়। স্লোগানটি পুরো দশকজুড়ে প্রাধান্য পেয়েছে। এবং আধুনিক যুগের কর্মী আন্দোলনে সোশ্যাল মিডিয়ার ক্রমবর্ধমান ভূমিকা এ ব্যাপারে ব্যাপক সহায়তা করেছে। 
cover
৩। ২০১৬ সালের রাষ্ট্রপতি নির্বাচন

নভেম্বর ২০১৬ তে আমেরিকার ইতিহাসের সবচেয়ে তিক্তভাবে বিভক্ত রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতাগুলির মধ্যে একটির সমাপ্তি হয় যখন একজন ব্যবসায়ী এবং টিভি ব্যক্তিত্ব, রিপাবলিকান প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্প মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৪৫ তম রাষ্ট্রপতি হওয়ার নির্বাচনে জয়ী হন। তার জনপ্রিয় প্রচারাভিযান এবং স্লোগান, "মেক আমেরিকা গ্রেট এগেইন"। ট্রাম্প শ্বেতাঙ্গ শ্রমিক শ্রেণীর ভোটারদের মধ্যে ব্যাপক অসন্তোষকে পুঁজি করে ওয়াশিংটন প্রতিষ্ঠা, নথিভুক্ত অভিবাসী এবং রাজনৈতিক সঠিকতাকে লক্ষ্য ঠিক করেন। যদিও তার ডেমোক্রেটিক প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন প্রাক্তন ফার্স্ট লেডি, নিউইয়র্কের সিনেটর এবং সেক্রেটারি অফ স্টেট হিলারি ক্লিনটন। হিলারি ক্লিনটন একটি প্রধান মার্কিন রাজনৈতিক দলের প্রথম মহিলা রাষ্ট্রপতি মনোনীত হয়েছিলেন এবং ২.৮ মিলিয়নেরও বেশি ভোটে জনপ্রিয়তায় জিতেছিলেন। ট্রাম্প নির্বাচনী ভোট দখল করেছিলেন ৩০৪-২২৭ টি।

৪। ব্রেক্সিট

২০১৬ এর মাঝামাঝি সময়ে, ইউরোপে ব্যাপক শরণার্থী সংকট এবং অভিবাসন নিয়ে তীব্র বিতর্কের মধ্যে ব্রিটিশরা ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে যুক্তরাজ্যের প্রত্যাহারের পক্ষে প্রায় ৫২ থেকে ৪৮ শতাংশ ভোট দেয়। একেই অভিহিত করা হয় ব্রিটেনের এক্সিট "ব্রেক্সিট" নামে। প্রত্যাহারের সময়সীমা বেশ কয়েকবার বাড়ানো হয়েছিল। কারণ একটি প্রস্তাবিত চুক্তির প্রতি সংসদের অবিচল বিরোধিতা ২০১৯ সালের মাঝামাঝি সময়ে প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে কে পদত্যাগ করতে ধাবিত করেছিল। যদিও থেরেসা মে-এর উত্তরসূরি বরিস জনসন প্রাথমিকভাবে চুক্তিসহ বা চুক্তি ছাড়াই প্রস্থান করার জন্য জোরপূর্বক পরিকল্পনা করেছিলেন। এই পরিকল্পনার বিরোধিতা তাকে আরও একটি এক্সটেনশন বা অধিক সময় চাইতে বাধ্য করেছিল। বিতর্কিত অবস্থার সৃষ্টির কারণে সমস্যাটি পরবর্তী দশকেও পৌছে যায়।

৫। অভিশংসন

২০১৯ সালের শরৎকালে হোয়াইট হাউসের মধ্যে একজন হুইসেলব্লোয়ারের একটি অভিযোগ ডেমোক্র্যাট-প্রধান হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভস দ্বারা অভিশংসন তদন্তের সূত্রপাত করেছিল। তদন্তের কেন্দ্রবিন্দু ছিল যে ট্রাম্প ইউক্রেনের সামরিক সহায়তা বন্ধ করার হুমকি দিয়েছেন কিনা যে পর্যন্ত না ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি তদন্ত করতে রাজি হন আমেরিকার প্রাক্তন ভাইস প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন (তখন তিনি ২০২০ সালের গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রপতি প্রার্থী) এবং তার ছেলে হান্টার, যারা ইউক্রেনের এনার্জি কোম্পানির হয়ে কাজ করেছিলেন, তাদের ব্যাপারে। অ্যান্ড্রু জনসন, রিচার্ড নিক্সন এবং বিল ক্লিনটনের পর ট্রাম্প ইতিহাসে চতুর্থ মার্কিন প্রেসিডেন্ট যিনি আনুষ্ঠানিকভাবে অভিশংসনের মুখোমুখি হয়েছেন। হাউস ইন্টেলিজেন্স এবং বিচার বিভাগীয় কমিটিগুলির নেতৃত্বে একাধিক জনশুনানির পর, ট্রাম্পের বিরুদ্ধে অভিশংসনের দুটি নিবন্ধ আনা হয়েছিল: ক্ষমতার অপব্যবহার এবং কংগ্রেসে বাধা। ১৮ ডিসেম্বরে শুনানি উভয় নিবন্ধ পাস করার পক্ষে ভোট দেয় এবং ট্রাম্প অভিশংসিত হওয়া তৃতীয় মার্কিন প্রেসিডেন্ট হন।  
cover
দুর্যোগ এবং সহিংসতা
১। হাইতির ভূমিকম্প

দশকের সবচেয়ে মারাত্মক প্রাকৃতিক বিপর্যয় ঘটেছিল ২০১০ সালের প্রথম মাসে। ১২ জানুয়ারী বিকেলে ৭.০ মাত্রার একটি ভূমিকম্প পশ্চিম ভারতীয় দ্বীপ হিস্পানিওলাতে আঘাত হানে। এরপর কয়েক ডজন শক্তিশালী আফটারশকের পরে, ভূমিকম্পটি সবচেয়ে বড় আঘাত হানে হাইতিতে। পশ্চিম গোলার্ধের সবচেয়ে দরিদ্র দেশ হল হাইতি। আনুমানিক ২০০,০০০ থেকে ২৫০,০০০ লোক মারা যায় এই ভূমিকম্পে। প্রায় ৩ মিলিয়ন লোক ভীষণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। এই বিপর্যয়টি বিশ্বব্যাপী মানবিক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছিল। বছরের শুরুতে ঘটলেও ভূমিকম্পের প্রভাব পুরো দশক জুড়ে অনুভূত হয়েছিল। কারণ হাইতি দেশটিকে এবং এর জনগণকে এই অত্যন্ত ভয়ানক ক্ষতের পুনরুদ্ধারের জন্য ভীষণ কঠিন পথ ধরে আগাতে হয়।

২। হারিকেন

বেশ কয়েকটি বিশাল প্রলয়ঙ্কারী হারিকেন এবং গ্রীষ্মমন্ডলীয় ঝড় ২০১০ -এর দশকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে আঘাত হেনেছিল। ২০১২ সালে স্যান্ডি নামক হারিকেনের মাধ্যমে এর সূত্রপাত ঘটেছিল। এতে উত্তর-পূর্বে রেকর্ড- মাত্রার হাওয়া এবং ঝড়ের ঢেউ আঘাত করেছিল। ঝড়টি ২৩০ জনেরও বেশি লোকের মৃত্যুর কারণ হয়েছিল। প্রায় ৭০ বিলিয়ন ডলারের ক্ষতি সাধন করেছে। ২০১৭ সালে তিনটি প্রধান হারিকেন (হার্ভে, ইরমা এবং মারিয়া) যথাক্রমে টেক্সাস, ফ্লোরিডা এবং পুয়ের্তো-রিকোতে বিধ্বংসী পাঁচ সপ্তাহ ধরে আঘাত হেনেছিল। এক বছর পরে মাইকেল হারিকেনটি ১৯৯২ সাল থেকে সংলগ্ন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে আঘাতকারী প্রথম পাঁচ ক্যাটাগরির হারিকেন হয়ে ওঠে। যার ফলে ফ্লোরিডার উপসাগরীয় উপকূলে পঞ্চাশ জনের বেশি মৃত্যু এবং ২৫ বিলিয়ন ডলার ক্ষয়ক্ষতি হয়। কিছু বিজ্ঞানী হারিকেনের ক্রমবর্ধমান তীব্রতা কে জলবায়ু পরিবর্তন-সম্পর্কিত উন্নয়নের সাথে যুক্ত করেছেন যেমন সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি এবং উষ্ণ মহাসাগর। ধারণা করা হয় পরবর্তী দশকে এই ধরনের আরও মেগা-ঝড় হতে পারে।
cover
৩। গণগুলিবর্ষণ

পার্কল্যান্ড এ কানেকটিকাটের নিউটাউনের স্যান্ডি হুক এলিমেন্টারি স্কুল, ফ্লোরিডার মার্জরি স্টোনম্যান ডগলাস হাই স্কুল এবং আরও কয়েক ডজন স্কুলে স্কুলছাত্রদের উপর বন্দুকের গুলি ছোড়ে বর্বরতা ও সহিংসতার ভয়াবহ পর্বগুলি এই দশককে বিরাট প্রভাবিত করেছিল। গণ-স্কুলে গুলিবর্ষণে ব্যবহৃত আধা-স্বয়ংক্রিয় অস্ত্রের ভয়ঙ্কর দৃশ্য, সেইসাথে অন্যান্য জনাকীর্ন ভেন্যুতে একইভাবে নৃশংস হামলা চালানো হয়। কলোরাডোর অরোরার একটি সিনেমা থিয়েটার, দক্ষিণ ক্যারোলিনার চার্লসটনের একটি ঐতিহাসিক কৃষ্ণাঙ্গ গির্জা থেকে শুরু করে দেশীয় সঙ্গীতের অনুষ্ঠানে গুলিবর্ষণ হয়। লাস ভেগাসের উৎসব, নেভাদা- ইত্যাদি স্থানগুলোতে ঘটতে থাকা প্রতিটি নতুন ট্র্যাজেডির পরে বন্দুকের উপর আইন বৃদ্ধিকরণের আহ্বান জানানো হয়। 
cover
মানুষ ও সংস্কৃতি
১। LGBTQ অধিকারে অগ্রগতি

আর্জেন্টিনা, ফ্রান্স, গ্রেট ব্রিটেন, অস্ট্রেলিয়া, আয়ারল্যান্ড, জার্মানি এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সহ ১৮ টি দেশে সমকামী বিবাহের বৈধতা দিয়ে বিশ্বজুড়ে LGBTQ লোকেদের জন্য এই দশকে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। ইতিমধ্যে, রাশিয়া এবং চীনে সমকামী বিরোধী আইন পাস হয়েছে এবং ট্রান্সজেন্ডারদের ব্যাপারে দেওয়া কিছু আইন নিয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে একটি চলমান যুদ্ধ চলছে। ট্রাম্প প্রশাসন মার্কিন সেনাবাহিনীতে চাকরিরত ট্রান্সজেন্ডার নাগরিকদের উপর নিষেধাজ্ঞাও পুনর্বহাল করেছিল।  

২। ব্রিটিশ রাজপরিবারের নতুন প্রজন্ম

সিংহাসনে সপ্তম দশকে রানী দ্বিতীয় এলিজাবেথের সাথে, রাজপরিবারের একটি নতুন প্রজন্ম ২০১০-এর দশকে তাদের চিহ্ন তৈরি করে। প্রিন্সেস ডায়ানা ও প্রিন্স চার্লসের বড় ছেলে প্রিন্স উইলিয়াম ২০১১ সালে ক্যাথরিন মিডলটনকে বিয়ে করেছিলেন এবং দশকের শেষের দিকে তাদের তিনটি সন্তান হয়। এর মধ্যে বড় হল প্রিন্স জর্জ ছিল যে এখন তার দাদা এবং বাবার পরে ব্রিটিশ সিংহাসনের সারিতে তৃতীয়। ২০১৮ সালে উইলিয়ামের ছোট ভাই প্রিন্স হ্যারি ভিন্ন রেসের তালাকপ্রাপ্ত আমেরিকান অভিনেত্রী মেগান মার্কেলকে বিয়ে করেন, যা ব্রিটিশ রাজের সাধারণ নীতির বাইরে পরে। পরের বছর তাদের ছেলে আর্চির জন্ম হয়।
cover
৩। #MeToo আন্দোলন

অ্যাক্টিভিস্ট তারানা বার্ক ২০০৬ সালে প্রথম #MeToo শব্দটি তৈরি করেছিলেন এবং প্রচলন করেছিলেন। তবে এটি #MeToo আন্দোলন নামে ব্যাপক পরিচিতি পায় ২০১৭ সালের শেষের দিকে। একদম বিষ্ফোরণের মত আবির্ভাব ঘতে এই আন্দোলনের। নিউ ইয়র্ক টাইমসের একটি নিবন্ধে প্রভাবশালী হলিউড প্রযোজক হার্ভে ওয়েইনস্টেইনের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানি এবং হামলার দীর্ঘকালের গুজব অভিযোগ উন্মোচন করার পরে। অনেক বিখ্যাত অভিনেত্রী সহ অনেক অনেক মহিলা এই আন্দোলনে এই হ্যাসট্যাগের মাধ্যমে অংশ নেন। এটি প্রকাশের পর, লক্ষ লক্ষ মানুষ অভিযুক্তদের সাথে সংহতি প্রকাশ করতে এগিয়ে আসেন এবং কর্মক্ষেত্রে এবং তার বাইরেও যৌন নিপীড়ন, হয়রানি এবং যৌনতা নিয়ে তাদের নিজস্ব অভিজ্ঞতা শেয়ার করেন। #MeToo-এর বিস্তৃত মিডিয়া কভারেজ অসদাচরণের জন্য অভিযুক্ত অসংখ্য বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বের পদত্যাগ বা বহিস্কারে বাধ্য করেছে। 
Reference:
Taken from writer Sarah Pruitt's article "Major Events of the 2010s". 

Ridmik News is the most used news app in Bangladesh. Always stay updated with our instant news and notification. Challenge yourself with our curated quizzes and participate on polls to know where you stand.

news@ridmik.news
support@ridmik.news
© Ridmik Labs, 2018-2021