Link copied.
কোমায় থাকাকালীন এবং কোমা পরবর্তী অবস্থায় কী ঘটে?
writer
৩১ অনুসরণকারী
cover
কোমা কী?
কোমা শব্দটি শুনলে প্রথমেই আপনার মনে কী ছবি ভাসে? হয়তো অচেতন অবস্থায় হাসপাতালের বিছানায় শোয়ে থাকা মানুষের ছবি। কোমার আসল বিষয়টি বোঝা কিছুটা জটিল হতে পারে, বিশেষ করে কারণ মানুষ কখনও কখনও মজা করে কোমা শব্দটি ব্যবহার করে এমন লোকদের বর্ণনা করে যারা গভীর ঘুমে তলিয়ে গেছে বা কেউ হয়তো মনোযোগ দিচ্ছে না তখন। কিন্তু কোমা এমন একটি মারাত্মক অবস্থা যার ঘুমের সাথে কোন সম্পর্কই নেই। চিকিৎসা বিজ্ঞানের দৃষ্টিকোণ থেকে, কোমা হল গভীর, দীর্ঘস্থায়ী অজ্ঞানতার একটি অবস্থা যা সাধারণত কোন রোগ, বিষ বা আঘাতের ফলে হয়। কোমা ঘুমের থেকে আলাদা। যে ব্যক্তিটি বাহ্যিক উদ্দীপনা এবং অভ্যন্তরীণ চাহিদার প্রতি অনুভূতি বা সাড়া দিতে অক্ষম এবং তাই তাকে জাগানো যায় না।

প্রতিক্রিয়াশীলতা মস্তিষ্কের সহজাত কার্যকে বোঝায়। যেমন ব্যথা সম্পর্কে আমাদের স্বাভাবিক প্রতিক্রিয়া দেখানো। শব্দ বা নড়াচড়ার উৎসের দিকে আমাদের মাথা ঘুরানো। এই ক্রিয়াগুলিকে রিফ্লেক্সিভ মুভমেন্ট বলা হয়। উপলব্ধি বলতে শেখানো বা অর্জিত উদ্দীপনার প্রতি স্নায়ুতন্ত্রের প্রতিক্রিয়া বোঝায়, যেমন ভাষা বা অঙ্গভঙ্গির প্রতি আমাদের প্রতিক্রিয়া। এই ক্রিয়াগুলিকে সচেতন আন্দোলন বলা হয়। যখন একজন ব্যক্তি কোমায় থাকে, তখন সে প্রতিক্রিয়াশীলতা বা উপলব্ধি প্রদর্শন করে না। যেমন, ব্যথার প্রতিক্রিয়ায় ব্যক্তির অক্ষমতা দেখা যায় বা যখন কোনো নিকটাত্মীয় বা নার্স তার ডাকনাম ধরে ডাকে তখন তার সাড়া না দিতে পারা। 
কেউ কোমায় থাকলে কী ঘটে?
কোমায় থাকা কেউ আদতে অজ্ঞান অবস্থায় থাকে। কারও কথা বা কণ্ঠস্বর, অন্যান্য শব্দ বা কাছাকাছি যে কোনো ধরনের কার্যকলাপের প্রতি সাড়া দেবে না। মানুষটি তখনও বেঁচে আছে, কিন্তু মস্তিষ্ক তার সতর্কতার সর্বনিম্ন পর্যায়ে কাজ করছে। ঘুমন্ত একজনকে আপনি স্পর্শ করে ডেকে জাগিয়ে তুলতে পারেন, কিন্তু কোমায় থাকা কাউকে আপনি ঝাঁকুনি দিয়ে জাগাতে পারবেন না। অনেকে বিশ্বাস করেন যে কোমা গভীর ঘুমের অনুরূপ। যাইহোক, জনপ্রিয় বিশ্বাসের বিপরীতে, কোমাচ্ছন্ন রোগীরা অনেক সময় হালকা নড়াচড়া নরাচড়া প্রদর্শন করতে পারে, শব্দ করতে পারে এবং উত্তেজিত হতে পারে। মাঝে মাঝে এমনকি কোমা রোগীরা চিকিৎসা পদ্ধতিতে হস্তক্ষেপ করে। তাই এর থেকে বিরত রাখার জন্য তাদের কার্যকলাপকে সংযত করা প্রয়োজন হয়ে পরে। 
cover
কিছু রোগী দাবি করে যে কোমায় থাকাকালীন তাদের প্রাণবন্ত বা স্বতন্ত্র ঘটনাগুলি মনে আছে। এই দাবির ব্যাপারে এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। যাই হোক, কোমাচ্ছন্ন রোগীদের পরিবার এবং বন্ধুদেরকে প্রায়ই রোগীর সাথে এবং তার উপস্থিতিতে ইতিবাচক কথা বলতে উৎসাহিত করা হয়। এটাও সম্ভব যে এই ইতিবাচক পরিবেশ রোগীর সুস্থতাকে ত্বরান্বিত করতে পারে। এছাড়াও,রোগীদের আঘাতের উপর নির্ভর করে কেমন হারে ও কত দ্রুত তারা এ অবস্থা থেকে পুনরুদ্ধার পাবে। কিছু রোগীর "লক ইন" সিন্ড্রোম দেয়। এখানে তারা জেগে থাকার সময় তাদের পরিবেশের প্রতি প্রতিক্রিয়া জানাতে অক্ষম। কোমায় থাকা একজন ব্যক্তি তখনও অনেক বেশি বেঁচে আছেন। এখানে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ জিনিস তখনও ঘটছে যখন তারা প্রতিক্রিয়াশীল নন।

  • শারীরবৃত্তীয় কাজ
যদিও কোমাতে মস্তিষ্ক তার স্বাভাবিক স্তরে কাজ করছে না, তবুও শরীরের অনেক অংশ তখনও কাজ করছে। কোমায় থাকা কিছু মানুষের শ্বাস -প্রশ্বাসের জন্য কখনো হয়ত ভেন্টিলেটরের প্রয়োজন হয়। তবে কোমাচ্ছন্ন মানুষদের তখনও খাবারের প্রয়োজন হয়। এবং তাদের শরীর স্বাভাবিকভাবে তা হজম করে। কোমায় থাকা অবস্থায় চুল গজায়। পেশী ভর তখনও উদ্দীপনায় সাড়া দেয়। নার্সরা প্রায়ই কোমা রোগীদের পেশীতে যেন পচন না সৃষ্টি হয় তার জন্য রোগীকে নড়াচড়া করান। শরীরে তখনও অনেক কিছু চলছে, যদিওবা বাইরে থেকে সেভাবে না দেখায়।

  • নিরাময়
যখন একজন ব্যক্তি কোমাচ্ছন্ন অবস্থায় থাকে, তখন তার শরীর তাকে এই অবস্থা থেকে বের করার জন্য কাজ করে চলে। ওষুধের অতিরিক্ত মাত্রা বা ডায়াবেটিসের মতো রোগের ক্ষেত্রে, মস্তিষ্কের স্বাভাবিক ক্রিয়াকলাপ পুনরুদ্ধারে সহায়তা করার জন্য ওষুধ দেওয়া যেতে পারে। মস্তিষ্কের ফোলা কোমার একটি কারণ হতে পারে, এবং সেই ক্ষেত্রে, শরীর সুস্থ হওয়ার জন্য কাজ করবে যখন ডাক্তাররা অপারেশন বা চিকিতসার মাধ্যমে ফোলা কমাবে।
  •  মস্তিষ্কের কার্যকলাপের কিছু মাত্রা
কোমাচ্ছন্ন মানুষ আসলে কোন উদ্দীপনায় সাড়া দেবে না, কিন্তু এটা সম্ভব যে তারা তখনও তাদের চারপাশে কি ঘটছে শুনতে পারেন। কিছু রোগীর সামনে টেলিভিশন দেখার সময় বা কোনকিছু পড়ার সময় তাদের মস্তিষ্কের ক্রিয়াকলাপ বৃদ্ধি পায়, তাই যদি কোন প্রিয়জন বা বন্ধু কোমায় থাকে তবে তাদের সাথে কিছু সময় কাটানো মূল্যবান। কোমাচ্ছন্ন ব্যক্তি এমনকি কাঁদতে পারে, হাসতে পারে বা অন্যান্য স্বতস্ফূর্ত আন্দোলন দেখাতে পারে যদিও তারা তাদের চারপাশ সম্পর্কে সচেতন নয়। 
cover
কোমার কারণ কী হতে পারে?
কোমা বিভিন্ন কারণে হতে পারে, যার মধ্যে রয়েছে:
  • মাথায় গুরুতর আঘাত যা মস্তিষ্কে আঘাত করে
  • খিঁচুনি
  • মস্তিষ্কে জড়িত সংক্রমণ
  • দীর্ঘক্ষণ অক্সিজেনের অভাবের কারণে মস্তিষ্কের ক্ষতি
  • ওষুধ বা অন্যান্য ওষুধের অতিরিক্ত মাত্রা (অত্যধিক গ্রহণ)
  • স্ট্রোক
  • রাসায়নিক ভারসাম্যহীনতা (শরীরে অন্যান্য অসুস্থতা থেকে)
যখন এই ঘটনাগুলির মধ্যে একটি ঘটে, এটি মস্তিষ্কের কোষগুলি কীভাবে কাজ করে তাতে গোলমাল করে দিতে পারে। এরকম ঘটনা মস্তিষ্কের কোন অংশকে আঘাত করতে পারে যে অংশ মানুষকে সচেতন রাখে। যদি সেই অংশগুলি কাজ করা বন্ধ করে দেয় তবে ব্যক্তি অজ্ঞান হয়ে থাকবে। 
কোমার এক বড় কারণ - মস্তিষ্ক ফুলে যাওয়া
আপনি যদি আপনার হাত দেয়ালে জোরে আঘাত করেন তাহলে পরদিন সকালে আপনি সেখানে ফুলে যাওয়া অবস্থা লক্ষ্য করবেন। ক্ষতিগ্রস্ত রক্তনালী থেকে ফুটো হওয়ার কারণে ফুলে যাওয়া আমাদের শরীরের আঘাতের প্রতিক্রিয়ার মধ্যে একটি। ঠিক সেরকমই মস্তিষ্কে আঘাত লাগলে এমন অবস্থা হয়। অন্য যেকোনো টিস্যুর মতই, এটি ফুলে যায়। দুর্ভাগ্যবশত,মস্তিষ্ক শরীরের অন্যান্য অংশ থেকে ভিন্ন। এটি খুলির মধ্যে আবদ্ধ। খুলিটি একটি হাড়ের গঠন যা মাথাকে কাঠামোগত সহায়তা প্রদান করে। তাই আঘাতে মস্তিষ্কে ফুলে গিয়ে বিস্তৃত হওয়ার জায়গা নেই। যার ফলে মস্তিষ্কে চাপ বৃদ্ধি পায়। যখন চাপ বৃদ্ধি ধমনীর চাপের সমান হয়, অথবা শরীরের বিভিন্ন অংশে রক্তবাহী শিরা অক্সিজেনযুক্ত রক্ত ​​পরিবহনের মাধ্যমে চাপ প্রয়োগ করে, তখন মস্তিষ্কের রক্ত ​​প্রবাহ প্রভাবিত হয়।

মস্তিষ্কের কোষগুলি স্বাভাবিকভাবে বিপাক করতে পারে না। এবং মস্তিষ্ক বিষাক্ত পদার্থ বের করতে অক্ষম হয়, যার ফলে সেগুলি জমা হয় এবং মস্তিষ্কের আরও ক্ষতি হয়। এই দুষ্ট চক্র মস্তিষ্কের ট্রমা রোগীদের মৃত্যুর প্রধান কারণ। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে রোগীদের বেঁচে থাকার হার বৃদ্ধির একটি বড় সাফল্য চিকিৎসকদের এই চক্র ভাঙ্গার অনুমতি দিয়েছে।

cover
যদি দীর্ঘ সময় ধরে চিকিৎসা না করা হয়, তাহলে মস্তিষ্কে জল জমা হতে শুরু করে, যার ফলে মস্তিষ্কে এডিমা নামক অবস্থার সৃষ্টি হয়। মস্তিষ্কে ফোলাভাব সৃষ্টি হয়। এবং পানি জমে মস্তিষ্কে অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি হয়, যাকে সাধারণত ইন্টারক্রানিয়াল চাপ বলা হয়। মস্তিষ্কের ফোলাভাবের চিকিৎসার জন্য প্রায়ই শক্তিশালী ওষুধ ব্যবহৃত হয় মস্তিষ্ক থেকে এবং রক্তনালীতে তরল বের করতে। অন্যান্য ওষুধ মস্তিষ্কের বিপাকীয় প্রয়োজনীয়তা হ্রাস করে। নির্দিষ্ট কিছু ক্ষেত্রে, মস্তিষ্কে চাপ কমানোর জন্য এবং আরও ক্ষতি রোধ করতে অল্প পরিমাণে তরল অপসারণ করতে হয়। তরল বা ক্ষতিগ্রস্ত মস্তিষ্কের টিস্যু অপসারণের জন্য মস্তিষ্কের অস্ত্রোপচার প্রয়োজন হয়। যদি আন্তকর্ণীয় চাপ দূর না হয় এবং মস্তিষ্কের পর্যাপ্ত ক্ষতি হয়ে যায়, তাহলে এর ফলাফল কোমা হতে পারে। 
cover
কোমার রোগীর যত্ন কিভাবে নেয়া হয়?
কোমায় থাকা ব্যক্তির সাধারণত হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা ইউনিটে (আইসিইউ) যত্ন নেওয়া প্রয়োজন। সেখানে, ডাক্তার, নার্স এবং হাসপাতালের অন্যান্য কর্মীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত যত্ন এবং মনোযোগ পেতে পারেন রোগী। তারা নিশ্চিত করে যেন রোগী তরল, পুষ্টি এবং শরীরকে যথাসম্ভব সুস্থ রাখার জন্য প্রয়োজনীয় সবরকম ওষুধ পায়। এই উপাদানগুলি কখনও কখনও শিরাতে ছোট প্লাস্টিকের নল দিয়ে বা খাওয়ানোর নল দিয়ে দেওয়া হয়। এভাবে তরল এবং পুষ্টি সরাসরি পেটে পৌঁছায়।

কোন কোন কোমা আচ্ছন্ন মানুষ নিজে থেকে শ্বাস নিতে অক্ষম। এজন্য একটি ভেন্টিলেটরের সাহায্যের প্রয়োজন পরে। এটি এমন একটি যন্ত্র যা বায়ুচালিত নল দিয়ে ফুসফুসে বায়ু পাম্প করে। হাসপাতালের কর্মীরাও এ অবস্থার রোগীর মধ্যে শয্যাক্ষত প্রতিরোধ করার চেষ্টা করে। বেডসোরস বা শয্যাক্ষত হল শরীরের উপর খোলা ঘা। কোন নড়াচড়া না করে এক জায়গায় পড়ে থাকা বা বেশি সময় ধরে শুয়ে থাকার ফলে এই ঘায়ের সৃষ্টি হয়।

একজন কোমায় পতিত ব্যক্তির পরিবারের জন্য, যারা তাকে ভালোবাসে তাদের জন্য মানুষটিকে কোমায় পরে থাকতে দেখা খুব দুঃখজনক, বিরক্তিকর এবং হতাশাজনক হতে পারে এবং তারা ভীত এবং অসহায় বোধ করতে পারে। কিন্তু তারা ব্যক্তির যত্ন নিতে সাহায্য করতে পারেন। হাসপাতালে যাওয়া এবং রোগীর সামনে বই পড়া, কথা বলা এবং এমনকি সঙ্গীত বাজানোর জন্য সময় দেওয়া গুরুত্বপূর্ণ। কারণ সাড়া না দিলেও অনেক রোগী চারিপাশের ঘটনা শুনতে পেতে পারেন।  
cover
কোমা পরবর্তী অবস্থা কেমন হয়?
সাধারণত, কোমা কয়েক সপ্তাহের বেশি স্থায়ী হয় না। তবে কখনও কখনও, একজন ব্যক্তি দীর্ঘ সময় ধরে কোমায় থাকেন - এমনকি অনেক বছর ধরে। এবং এসময়ে তারা নিজের শ্বাস নেওয়া ছাড়া খুব কমই অন্য কিছু করতে সক্ষম হন। বেশিরভাগ মানুষ কোমা থেকে বেরিয়ে আসে। তাদের মধ্যে কেউ কেউ অসুস্থ হওয়ার আগের তাদের স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসতে সক্ষম হয়। টিভিতে অনেকসময় দেখায় যাতে মনে হয় কোমা থেকে জেগে উঠা কেউ যেন এই মুহূর্তে ঘুম থেকে উঠেছে, চারপাশে তাকিয়ে দেখছে এবং স্বাভাবিকভাবে চিন্তা করতে এবং কথা বলতে সক্ষম হচ্ছে। কিন্তু বাস্তব জীবনে, এটি খুব কমই ঘটে। কোমা থেকে বের হওয়ার পরে, একজন ব্যক্তি সম্ভবত অনেক বেশি বিভ্রান্ত হবেন এবং যা ঘটছে তাতে ধীরে ধীরে প্রতিক্রিয়া জানাবেন। সেই লোকটির স্বাভাবিক ভাল বোধ শুরু করতে সময় লাগবে।

cover
কোমায় থাকার পর কেউ পুরোপুরি স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসে কিনা তা নির্ভর করে কোমার কারণ কী ছিল এবং মস্তিষ্ক কতটা খারাপভাবে আঘাত পেয়েছে তার উপর। কখনও কখনও যারা কোমা থেকে বেরিয়ে আসে তারা ঠিক আগের মতোই হয়ে যায়। তারা মনে করতে পারে যে কোমার আগে তাদের সাথে কী ঘটেছিল এবং তারা যা কিছু করত তা মনে করতে পারে। আবার অনেকের ক্ষেত্রে কোমা পরবর্তী সময়ে জুতা বাঁধা, কাঁটাচামচ বা চামচ দিয়ে খাওয়া, বা আবার হাঁটতে শেখার মতো মৌলিক জিনিসগুলিও পুনরায় শেখার জন্য থেরাপির প্রয়োজন হতে পারে। তাদের কথা বলতে বা মনে রাখতে সমস্যা হতে পারে।

সময়ের সাথে সাথে এবং থেরাপিস্টদের সাহায্যে অনেক মানুষ যারা কোমায় রয়েছেন তারা অনেক উন্নতি লাভ করতে পারেন। তারা কোমার আগে যেমন ছিল ঠিক তেমনটায় ফিরে যেতে না পারলেও, তারা অনেক কিছু করতে পারে। এবং তাদের পরিবার এবং বন্ধুদের সাথে জীবন উপভোগ করতে পারে নতুন করে। 
References
  1. https://www.phillyvoice.com/coma-causes-treatment-prognosis-059991-ic/
  2. https://www.jyi.org/2006-july/2017/10/11/what-happens-during-a-coma
  3. https://kidshealth.org/en/kids/coma.html 

Ridmik News is the most used news app in Bangladesh. Always stay updated with our instant news and notification. Challenge yourself with our curated quizzes and participate on polls to know where you stand.

news@ridmik.news
support@ridmik.news
© Ridmik Labs, 2018-2021