Link copied.
মিলিয়ন বছর আগে বিলুপ্ত হয়ে যাওয়া জীবন্ত ফসিল ‘সিলাকান্থ’
writer
অনুসরণকারী
cover
২২ ডিসেম্বর ১৯৩৮। আফ্রিকার দক্ষিণ উপকূলে ভারত মহাসাগরের তীর। দক্ষিণ আফ্রিকার ইস্ট লন্ডন এলাকার একটি জাহাজঘাট। সারি সারি মাছধরা ট্রলার নোঙ্গর করা। এখন মাছের মৌসুম হওয়ায় সবাই খুব ব্যস্ত। স্থানীয় যাদুঘরের ২৪ বছত বয়স্ক কিউরেটর মারজোরি কোর্টনি ল্যাটিমার মানুষের ভিড় ঠেলে নির্দিষ্ট একটি জাহাজের সামনে এসে উপস্থিত হলেন। তিনি মূলত পক্ষী বিশারদ। তবে কাজের খাতিরে মাঝে মাঝে বন্দরেও ঢুঁ দিতে হয়। অনেক সময় মাছধরা ট্রলারের ক্যাপ্টেনরা ফোন করে জালে অদ্ভুত কিছু আটকা পড়লে। সাধারণত সেগুলি হয় ক্যাপ্টেনদের অজানা প্রজাতির কোন মাছ, এর বাইরে এখন অবধি আর কোন কিছু ল্যাটিমারের দৃষ্টিগোচর হয়নি। আজকেও ল্যাটিমার সেরকমই কিছু হবে বলে মনে করছেন। তাকে ফোন করেছিলেন ক্যাপ্টেন হেন্ড্রিক গুজেন নামে এক মৎস্য শিকারি। আজকের শিকারের সাথে এমন একটা মাছ নাকি তিনি পেয়েছেন, যা তার বাপদাদা চোদ্দগুষ্ঠির জন্মেও কেউ দেখেনি।

হেন্ড্রিকের মাছের স্তুপের সামনে দাঁড়াতেই একটি ফিন বা পাখনা ল্যাটিমারের নজর কেড়ে নিল। সচরাচর মাছের যেরকম ফিন দেখা যায় তা থেকে এই পাখনা সম্পূর্ণই ভিন্ন মনে হচ্ছে। ল্যাটিমার মনের ভেতর উত্তেজনা অনুভব করলেন। ময়লা সরিয়ে মাছটি পরিষ্কার করতে এর গা থেকে হাল্কা রুপালী নীল আভা বিচ্ছুরিত হতে শুরু করল। এর সাথে ছিল সাদা ছোপের মত দাগ। মাছের চারটি পাখনা ল্যাটিমারকে মনে করিয়ে দিল চতুস্পদ প্রাণীর কথা। আর লেজখানা মনে হল বাচ্চা কুকুরের। পরবর্তীতে ল্যাটিমার নিজেই কবুল করেছেন যে এমন অসাধারণ মাছ তিনি জীবনে আর কখনো দেখেননি। তিনি জানতেন না কি এই মাছ, তবে তিনি বদ্ধপরিকর এর পরিচয় খুঁজে বের করতে। তবে সেজন্য মাছটি নিয়ে যেতে হবে যাদুঘরে। প্রায় পাঁচ ছয়ফুট লম্বা আর ৫৭ কেজি ওজনের এই জিনিস বয়ে নিয়ে যাওয়া চাট্টিখানি কথা নয়। ল্যাটিমার খবর দিলেন তার সহকারীকে। এরপর দুজনে মিলে বহু কষ্টে বেশি ভাড়ার লোভ দেখিয়ে রাজি করালেন এক ট্যাক্সি ড্রাইভারকে।
       
যাদুঘরে এসে ল্যাটিমারের আর তর সইছিল না। তিনি মাছ নিয়ে লেখা সমস্ত রেফারেন্স বই খুলে বসলেন। কোঁথাও কিচ্ছু পেলেন না। এর মধ্যেই যাদুঘরের চেয়ারম্যান দেখতে এলেন কিউরেটরের এতো উৎসাহ কী নিয়ে। মাছটি দেখে তিনি নাক সিটকালেন, “এইটা কোন প্রজাতির কড মাছ হবে,” এই ছিল তার মন্তব্য। এরপর তিনি বেরিয়ে গেলেন। কিন্তু ল্যাটিমার কড মাছ চেনেন। তিনি বুঝতে পারছিলেন এটা কডের কোন জাতভাই হতেই পারে না। কিন্তু এটাও তিনি বিলক্ষণ বুঝে গেলেন অদ্ভুত এই মাছে রহস্যভেদ করা তার কাম্য নয়, এর জন্য মৎস্য বিশারদকেই লাগবে। আশেপাশে সেরকম কেউ নেই। তাই ল্যাটিমার প্রথমে মাছটি সংরক্ষণ করতে চাইলেন। হাসপাতালের মর্গে গিয়ে তিনি ব্যর্থ হলেন। মানব মৃতদেহ সংরক্ষণের ব্যবস্থা মাছের জন্য করতে কেউ রাজি নয়। অগত্যা এক ট্যাক্সিডার্মিস্টের শরণাপন্ন হলেন তিনি। মাছটির অঙ্গপ্রত্যঙ্গ ফেলে দিয়ে স্টাফ করে রাখা হল।  নিশ্চিন্ত হয়ে ল্যাটিমার এবার যোগাযোগ করলেন তার পরিচিত এক অধ্যাপক, জেমস লিওনার্ড ব্রিয়ারলি স্মিথের সাথে। তিনি রোডস বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত। ল্যাটিমার অপটু হাতে মাছের একটি স্কেচ একে সাথে কিছু তথ্য যোগ করে স্মিথকে পাঠালেন। তার বার্তা পেয়ে স্মিথের মাথা খারাপের জোগাড়। এ কি করে সম্ভব? এই প্রাণী তো বহু মিলিয়ন বছর আগেই বিলুপ্ত হয়ে গেছে!
 

cover
স্মিথ আর ল্যাটিমারের মধ্যে চিঠি চালাচালি হতে থাকে। ১৯৩৯ সালের ৯ জানুয়ারি স্মিথ ল্যাটিমারকে জানালেন তিনি মোটামুটি নিশ্চিত যে ল্যাটিমারের মাছ মিলিয়ন বছর হারিয়ে যাওয়া এক প্রজাতি। ফেব্রুয়ারির ১৬ তারিখ স্মিথ এসে হাজির হলেন ল্যাটিমারের যাদুঘরে। পরম বিস্ময়ে হাতে নিয়ে পরীক্ষা করলেন সংরক্ষিত সেই মাছে দেহ। যতটুকু অবিশ্বাস তার মধ্যে ছিল তাও দূর হয়ে গেল। চাপা শ্বাস ছেড়ে ল্যাটিমারের দিকে তাকিয়ে ঘোষণা দিলেন তিনি, “এর নাম সিলাকান্থ (Coelacanth)!”

ল্যাটিমার সিলাকান্থের সন্ধান পাবার আগে ধারণা ছিল এরা বিলুপ্ত হয়ে গেছে আজ থেকে প্রায় ৬৬ মিলিয়ন বছর পূর্বে, ক্রিটেশিয়াস পিরিয়ডে। কিন্তু স্মিথ বুঝতে পারলেন যেভাবেই হোক এরা টিকে গেছে, এবং আজও সমুদ্র বুকে আগলে রেখেছে তার অনন্য এই সম্পদ। ল্যাটিমারের সম্মানে এই সিলাকান্থ প্রজাতির নামকরণে যুক্ত হয় ল্যাটিমেরিয়া (Latimeria) নামটি। পরবর্তীতে ভিন্ন আরেকটি প্রজাতিরও সন্ধান পাওয়া যায়।     

সিলাকান্থ

বিজ্ঞানীদের মতে সিলাকান্থের আবির্ভাব আজ থেকে প্রায় সাড়ে তিন’শ থেকে চার’শ মিলিয়ন বছর আগে। সেই সময় পৃথিবীর প্রায় সব জায়গাতেই তাদের দেখা পাওয়া যেত। ফসিল হিসেবে পাথরে সিলাকান্থের সব থেকে পুরাতন নমুনা ২৫১ মিলিয়ন বছর আগের পারমিয়ান যুগের, আর সবথেকে নতুন নমুনা জুরাসিক পিরিয়ডে, তাও প্রায় দেড়’শ মিলিয়ন বছরের ধাক্কা। ল্যাটিমার খুঁজে পাবার আগ পর্যন্ত সবাই একমত ছিলেন যে প্রায় ৬০-৮০ মিলিয়ন বছর আগে সিলাকান্থের বিলুপ্তি ঘটেছে। কাজেই জীবিত সিলাকান্থকে অনেক সময়েই লিভিং ফসিল বা জীবন্ত ফসিল নামে অভিহিত করা হয়।

সিলাকান্থের খোঁজে

ল্যাটিমারের আবিষ্কার প্রকাশিত হলে বিজ্ঞানি মহলে হইচই পড়ে গেল। একটা যখন পাওয়া গেছে তখন নিশ্চয় আরো আছে। সিলাকান্থ খুঁজে আনতে পারলে পুরষ্কারের ঘোষণাও কেউ কেউ দিয়ে বসল। তবে প্রায় চৌদ্দ বছর জুড়ে আর কোন সিলাকান্থ পাওয়া গেল না। অনেকটা হঠাৎ করেই ১৯৫২ সালে আবারো ভারত মহাসাগর থেকেই আরেকটি সিলাকান্থ ধরা পড়ে। এবার স্থান ছিল কমোরস দ্বীপপুঞ্জ। ল্যাটিমারের পুরনো বন্ধু অধ্যাপক স্মিথ সাথে সাথে উড়াল দিলেন কমোরসের দিকে। এরপর আরো কয়েকটি সিলাকান্থ কাছাকাছি সময়ে একই এলাকা থেকে পাওয়া গেল। পরে দেখা গেল যে স্থানীয় জেলেদের কাছে সিলাকান্থ খুব সাধারণ একটি মাছ। তারা নাকি বহু আগে থেকেই জালে সিলাকান্থ পেত। এই মাছ শুকিয়ে নুন দিয়ে তারা রান্না করত, আবার মাছের আঁশ ব্যবহার করত নানা কাজে। পরের ২৩ বছর ধরে মোটমাট ৮২ টি সিলাকান্থ পাওয়া যায়।

ততদিন অবধি কেবল ল্যাটিমেরিয়া সিলাকান্থই পাওয়া যাচ্ছিল। অবস্থার পরিবর্তন হল ১৯৯৭ সালে। সেপ্টেম্বরের ১৮ তারিখ ইন্দোনেশিয়ার এক মাছের বাজারে আরেক প্রজাতির সিলাকান্থের খোঁজ মিলল। মৎস্য বিশারদ ডক্টর মার্ক আর্ডম্যান নবিবাহিতা স্ত্রীকে নিয়ে মধুচন্দ্রিমা যাপন করছিলেন ইন্দোনেশিয়ার মানাদো তুয়া (Manado Tua)দ্বীপে। ঢেকি স্বর্গে গেলেও ধান ভানে। তাই ডক্টর আর্ডম্যান স্থানীয় মাছের বাজারে যাওয়ার ইচ্ছা দমিয়ে রাখতে পারলেন না। সেখানে ঘুরতে ঘুরে হঠাৎ তার চোখ আটকে গেল এক দোকানে ঝুলিয়ে রাখা নিলাভ এক মাছের প্রতি। একি! এতো সিলাকান্থ মনে হচ্ছে! এই সিলাকান্থ ছিল ল্যাটিমারিয়ার থেকে ভিন্ন প্রজাতি মানাদো তুয়ার সাথে মিল রেখে নতুন এই প্রজাতির নামে যুক্ত হল মেনাডোনেন্সিস (menadoensis )।

আজকের দিনে মোটামুটিভাবে ২০০-৬০০ টি ল্যাটিমারিয়া সিলাকান্থ সাগরে আছে বলে তথ্য পাওয়া যায়। এরা মূলত ১০০-৫০০ মিটার গভীরতায় বাস করে। মূলত ভারত মহাসাগরে তাদের দেখা যায়, আরো নির্দিষ্ট করে বললে কমোরস দ্বীপপুঞ্জের নিকটবর্তী সাগর তাদের প্রধান আবাস।এছাড়া মাদাগাস্কার, মোজাম্বিক, দক্ষিণ আফ্রিকা আর তাঞ্জানিয়াতেও মাঝেসাঝে এদের দেখা মেলে।

আকার আকৃতি


সিলাকান্থ সাধারণ মাছের থেকে বেশ বড়, মোটামুটি ১৮০ সেন্টিমিটার, বা৬ ফুটের মত লম্বা। ওজনেও বেশ ভারিক্কি, ৯৫ কেজির মত হতে পারে। মেয়ে সিলাকান্থ সাধারণত ছেলেদের থেকে বড় আর ভারি হয়। তাদের পাখনা বা ফিন অনেকটা হাত পায়ের মত দেখতে। এদের শরীরে ফুসফুসের মত অঙ্গেরও দেখা মেলে, যদিও তা নিষ্ক্রিয়। সিলাকান্থ বেশ দীর্ঘজীবীও বটে, ৪০-৫০ বছর বয়স অবধি বেঁচে থাকে। সিলাকান্থ দলবেঁধে চলাফেরা করে, শারীরিক সংস্পর্শ এদের পছন্দ নয়। স্বভাবের দিক থেকে এরা নিশাচর। দিনের বেলা কাটিয়ে দেয় সাগরের বিভিন্ন অন্ধকার গুহা বা পাথরের ফাঁকে। রাত হলে বেরিয়ে পড়ে খাবার খুঁজতে।

মেয়ে সিলাকান্থের গর্ভকাল প্রায় তের মাস। একবারে ডিম থেকে ৫-২৬ টি পর্যন্ত সিলাকান্থ তারা জন্ম দিতে পারে।  সিলাকান্থ খুব ধীরে ধীরে সাঁতার কাটে। মূলত সাগরের পানির প্রবাহ কাজে লাগিয়ে তারা সামনে পেছনে যায়। শিকারের ব্যাপারে তারা বেশ অলস। নিজে থেকে শিকারের কাছে যায়না, বরং খাপ পেতে অপেক্ষা করতে থাকে কখন শিকারই তাদের কাছে আসবে। এজন্য এদেরকে বলা হয় ড্রিফট ফিডার। শিকার নাগালে আসা মাত্রই অনেকটা স্প্রিঙ্গের মত লাফ দিয়ে তারা ঝাঁপিয়ে পড়ে। তাদের খাবার প্রধানত ছোট ছোট মাছ।  সিলাকান্থের চোয়ালে একটি বিশেষ ধরণের জয়েন্ট আছে, যা আর কোন জীবিত প্রাণীর মধ্যে দেখা যায়না। এর দ্বারা তার অনেক বড় হাঁ করে শিকার ধরতে পারে। তাদের নীলাভ আশও বিলুপ্ত হওয়া অন্যান্য সামুদ্রিক প্রাণীর থেকে আলাদা। তারা শরীরের একটি অঙ্গ থেকে বৈদ্যুতিক তরঙ্গ তৈরি করতে সক্ষম, যা তাদের দিক নির্দেশনা আর শিকারের কাজে লাগে।
 
cover
কিছু বিজ্ঞানি মনে করেন, সিলাকান্থ জলজ থেকে ডাঙ্গার প্রাণীর আবির্ভাবের মধ্যবর্তী সংযোগসূত্র বা মিসিং লিঙ্ক। বৈজ্ঞানিক তথ্যমতে পানিতে প্রথম প্রাণের সৃষ্টি হয়। সাগরের বুকে তৈরি হয় প্রাণের কোলাহল। সেখান থেকে মিলিয়ন বছরের ব্যবধানে বিবর্তনের পথ ধরে মাটিতে পা রাখে প্রথম স্থলচারি। কিন্তু এই স্থলচারি আর জলজ প্রাণীর মধ্যবর্তি প্রজাতি কি ছিল তা নিয়ে মতভেদ আছে। সিলাকান্থের দিকে অনেকে অঙ্গুলি নির্দেশ করলেও এর বিপক্ষ দলের সংখ্যাও ভারি।

বিপন্ন প্রাণী
সিলাকান্থ বিপন্ন প্রাণীর তালিকাভুক্ত। এতে অবশ্য বিস্ময়ের কিছুই নেই। জানামতে মাত্র কয়েকশত তাদের সংখ্যা, তাই সিলাকান্থ ধরা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। তবে অনেক মৎস্যশিকারির জালে এখনো সিলাকান্থ ধরা পড়ে। দুইটি প্রজাতির মধ্যে অধিক ঝুঁকিপূর্ণ ধরা হয় ভারত মহাসাগরের সিলাকান্থ, যা ক্রিটিক্যালি এন্ডেঞ্জারড প্রজাতির (Critically Endangered) তালিকাভুক্ত। শিকারের সাথে যোগ হয়েছে সাগরতলে তেল গ্যাস আহরনের প্রকল্পের ঝুঁকি। ২০১৮ সালের আগস্টে প্রকাশিত এক সমিক্ষায় বলা হয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার উপকূলে সমুদ্রতলে তেলের জন্য খোঁড়াখুঁড়ি নিকটবর্তী সাগরের সিলাকান্থ সম্পূর্ণভাবে নিশ্চিহ্ন করে দিতে পারে।   
cover
শেষ কথা

মারজোরি কোর্টনি ল্যাটিমার সিলাকান্থের জন্য ইতিহাসে বিখ্যাত হয়ে আছেন। তার আবিষ্কার বিংশ শতাব্দীর অন্যতম সেরা বলে স্বীকৃত। এজন্য তাকে রোডস বিশ্ববিদ্যালয় সম্মনাসুচক ডক্টরেটও প্রদান করে। ল্যাটিমার এবং স্মিথের ছবি দিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকান সরকার স্মারক ডাকটিকেটও প্রকাশ করেছে। ২০০৪ সালে ৯৭ বছর বয়সে ল্যাটিমারের মৃত্যু হলেও তার অবদান আজও শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করা হয়। তার নামে জন্মস্থান ইস্ট লন্ডনের একটি জায়গার নামকরণও করা হয়েছে। যেই যাদুঘরে তিনি কাজ করতেন তা আজো চালু আছে।  সিলাকান্থের মূল আবাস হিসেবে কমোরস দ্বিপপুঞ্জও বিভিন্নভাবে একে নিজেদের জাতীয় চেতনার সাথে অন্তর্ভুক্ত করেছে। দ্বীপের জাতীয় ফুটবল দল পরিচিত সিলাকান্থস নামে। যদিও ফিফা র‍্যাঙ্কিং অনুযায়ী তারা মোটামুটি তলানিতে, তবে সিলাকান্থের ঘর হিসেবে তারা গর্ব করে।

References
  1. Eschner, K. (2017). In the 1930s, This Natural History Curator Discovered a Living Fossil–Well, Sort of: 
  2. Coelacanth. Encyclopedia Britannica
  3. Encyclopedia of Biodiversity (Second Edition), 2013
  4. The Coelacanth – The Fish That Came Back from Extinction



Ridmik News is the most used news app in Bangladesh. Always stay updated with our instant news and notification. Challenge yourself with our curated quizzes and participate on polls to know where you stand.

news@ridmik.news
support@ridmik.news
© Ridmik Labs, 2018-2021