Link copied.
উপনিবেশিক শহর “কার্টেজেনার” স্প্যানিশ ডাইনী-কথন
writer
৩১ অনুসরণকারী
cover
১৬ মার্চ, ১৬৩৮ সাল। নয় জন লোককে উপনিবেশিক কার্টেজেনা শহরের প্রধান চত্বরে এক বিশাল জনতার সামনে নিয়ে আসা হয়। এখন সেখানে রয়েছে প্লাজা ডি বলিভার। তো সেদিন ঐ বিশাল জনতা স্পেনীয় তদন্ত কমিটির দ্বারা পরিচালিত এক প্রকাশ্য বিচারকার্যের পর্যবেক্ষণ করছিল, যে কমিটি ১৬১০ সালে কার্টেজেনায় একটি অফিস প্রতিষ্ঠা করেছিল। এর প্রধান তদন্তকারী, ডন মাতিও ডি সালিসেদো এবং ডন জুয়ান ডি মায়োজ্জাকে পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয়েছিল সেই শহরের এক গীর্জায়, যেখানে তারা ঘোষণা করেন তাদের ক্ষমতা এবং ইহুদি, মুসলমান, প্রোটেস্ট্যান্ট এবং জাদুবিদ্যার অনুসারীদের তাড়িত করার উদ্দেশ্য। শীঘ্রই, কার্টেজেনা ক্যাথলিক গোষ্ঠীকে বজায় রাখার জন্য তদন্তের লড়াইয়ে কেন্দ্রীয় স্থান দখল করতো।

সেদিন আটজন পর্তুগিজ লোক ইহুদী ধর্ম অনুশীলনের জন্য দোষী সাব্যস্ত হয়েছিল, তবে নবম অপরাধী ছিলেন কিছুটা ব্যতিক্রম এবং তার ঐ ব্যতিক্রমি বিশ্বাস জনতার মধ্যে কোলাহল সৃষ্টি করেছিল। সে ছিল পলা দে এগিলুজ নামে একজন প্রাক্তণ ক্রীতদাস মহিলা। যাদুবিদ্যার জন্য সেসময়ে দোষী সাব্যস্ত হয়েছিলেন তার জীবনকালে দ্বিতীয়বারের মতো তবে চূড়ান্ত বারের মতো নয়। শুনানির সরকারী রেকর্ড অনুসারে, যখন তার দোষী সাব্যস্ত হওয়ার কথা ঘোষণা করা হচ্ছিল, তখন জনগণের কোলাহল আর ফিসফিসানির কারণে ঘোষণাটি উচ্চস্বরে পড়াই সম্ভব হয়নি। 
cover
জাদুবিদ্যায় দীক্ষিত এই মহিলা পলা দে ইগিলুজ এবং তৎকালীন স্পেনীয় ডাকিনীবিদ্যার কাহিনী নিয়েই এই প্রবন্ধ-
পলা দে ইগিলুজ ১৫৯২ সালে সান্তো ডোমিংগোতে ক্রীতদাস পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর কুড়ি বছর বয়সে তাকে কিউবার দাস-মালিক ও খনিজ ব্যবসায়ী জোয়ান ডি এগাউইলুজ কিনে নেন এবং হাভানায় চলে আসেন। সেখানে সেই মনিবের ঔরসে তার তিন সন্তানের জন্ম হয় এবং মনিবের নামে তাদের নাম রাখা হয়, কিন্তু ১৬২৩ সালে পলা দে এগিলুজকে গ্রেপ্তার করা হয় জাদু করার অভিযোগে, সে নাকি এক নবজাতক শিশুকে হত্যা করে তার রক্ত ​​পান করেছিল। তাকে জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি করতে তখন কার্টেজেনায় নিয়ে যাওয়া হয়েছিল।

পলা দে ইগিলুজ এই অভিযোগ অস্বীকার করেন এবং দাবি করেন যে এই অভিযোগের ভিত্তি হল তার প্রতিবেশীদের তার প্রতি ইর্ষা, প্রতিবেশীরা তাকে ইর্ষা করত। কারণ জোয়ান ডি ইগিলুজ তাকে ভালবাসত এবং তার সঠিক ভরণপোষণ করত ও ভালো পোশাক দিত। পলার এক কিউবান প্রতিবেশী, যিনি গীর্জায় কর্মচারী হিসেবে কাজ করতেন। তিনি পলার এই দাবির বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিয়ে বলেছিলেন যে, ‘ভালো কাপড়চোপড় পরেও তাকে কখনও গির্জায় দেখা যায়নি’। আদালতের রেকর্ড অনুসারে, পলা ব্যাখ্যা করেছিলেন যে তিনি বাচ্চার রক্ত ​​পান করেননি, তবে মায়ের অনুরোধে রোজমেরি এবং ল্যাভেন্ডারকে বাচ্চাটির পেট-ফোলা সারানোর চিকিৎসা হিসেবে রেখেছিলেন।

তিন মাস বিচারের পরে, যেখানে তাকে সম্ভবত নির্যাতনও করা হয়েছিল। পলা নিজেকে শয়তানের দাস বলে স্বীকার করেন। অন্যান্য জাদুকর নিয়োগ এবং শিশুটিকে হত্যা করার কথা স্বীকার করেন। তার স্বীকারোক্তিতে, রেকর্ডগুলো থেকে ব্যাখ্যা করা হয় যে, তিনি দাবি করেছিলেন ‘শয়তান তার স্মৃতি মুছে ফেলেছিল এবং তিনি স্বীকার করেছেন কারণ তিনি যীশু খ্রীষ্টকে বিশ্বাস করতেন এবং তার চিরন্তন আত্মাকে রক্ষা করতে চেয়েছিলেন’। ডাকিনী হিসাবে নিন্দিত হওয়ায় তাকে ২০০ দোররা মারা হয়, কিউবা থেকে স্থায়ীভাবে নির্বাসিত করা হয় এবং সেখানে একটি সরকারী হাসপাতালে দু'বছরের জন্য কাজ করতে বাধ্য করা হয় তবে তদন্তের স্বার্থে তাকে এক সানবেনিটো পরে কাজ করতে হয়, যা আগুনের শিখায় সজ্জিত এক আধ্যাত্মিক টুপি। 
যুক্তরাষ্ট্রের স্প্যানিশ তদন্তের দ্বারা ডাকিনীবিদ্যার প্রয়োগের বিচারের ৫৩৮ টি মামলার মধ্যে অর্ধেকেরও বেশি কার্টেজেনায় হয়েছিল। ১৫৩৩ সালে স্পেনীয় সেনাপতি পেদ্রো দে হেরিডিয়া প্রতিষ্ঠিত, কার্টেজেনা ডে ইন্ডিয়াসের নামকরণ করা হয়েছিল মার্সিয়ার এক স্পেনীয় শহরের নামানুসারে এবং এখানে কালামারি নামে একটি আদিবাসী বসতি স্থাপন করেছিল। এটি দ্রুতই নতুন বিশ্বের কাছে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ স্পেনীয় বন্দর হয়ে উঠেছে, ইউরোপে রৌপ্য ও সোনা প্রেরণের শেষ পয়েন্ট হিসেবে। এজন্য এটা হয়ে উঠে জলদস্যু এবং শত্রু-জাহাজ আক্রমণ ও লুণ্ঠনের অধিকারপ্রাপ্ত বেসরকারী জাহাজগুলোর জন্য একটি আকর্ষণীয় গন্তব্য। শহরটি বেশ কয়েকবার আক্রমণ ও লুণ্ঠনের স্বীকার হয়, বিশেষত ফ্রান্সিস ড্রেকের দ্বারা, যিনি ১৫৮৬ সালে নগরীর গীর্জা ধ্বংস করেছিলেন। এর প্রতিক্রিয়া হিসেবে, স্প্যানিশরা কার্টেজেনার চারপাশে একটি দুর্গ এবং একটি প্রাচীর তৈরি করেছিল এবং এই দুর্গবেষ্টিত শহরটির নাম দিয়েছিল ‘la ciudad amurallada’, 'প্রচীরঘেরা শহর'।  
cover
১৫৮৫ সালে ব্যাপ্তিস্টা বোয়াজিওর কার্টেজেনায় ফ্রান্সিস ড্রেক, ১৫৮৯।
শহরে যারা যাদুবিদ্যার জন্য দোষী সাব্যস্ত হয়েছিলেন তাদের প্রায় সকলেই ছিলেন মহিলা। তবে উত্তর আমেরিকা বা ইউরোপের তুলনায় সেখানে শাস্তির বিধান অনেকটা কম মারাত্মক ছিল। যাদুবিদ্যা বা ডাকিনীবিদ্যার প্রয়োগের সর্বোচ্চ সাধারণ শাস্তি ছিল জনসাধারণের সামনে অপদস্থ করা এবং সরকারী হাসপাতালে শ্রমিক হিসেবে কাজ করা। এটি আংশিক বাস্তববাদী কারণে ছিল: স্পেনীয়দের তাদের নতুন সাম্রাজ্যের সম্প্রসারণে বিভিন্ন অর্থনৈতিক উদ্যোগ যেমন খনন এবং কৃষির সহায়তার জন্য সস্তা দরে শ্রমিকের প্রয়োজন ছিল। স্পেনীয় রাজতন্ত্র নতুন বিশ্বের আদিবাসীদের জন্য কিছুটা উদ্বেগ দেখিয়েছিল। ১৫০৩ সালে কাস্টিলের প্রথম-ইসাবেলা সর্বপ্রথম আদিবাসীদের উপর জোরপূর্বক শ্রমের বিরুদ্ধে একটি রাজকীয় বিধানে স্বাক্ষর করেছিলেন: ‘প্রত্যেকেরই চাকর হিসেবে নয়, বরং একজন স্বতন্ত্র, স্বাধীন ব্যক্তি হিসাবে কাজ করা উচিত এবং তাদের সাথে অবশ্যই ভাল আচরণ করা উচিত; এবং খ্রিস্টানদের চেয়ে অন্যদের চেয়ে ভাল। এবং কাউকে তাদের সাথে খারাপ ব্যবহার করতে দেয়া যাবে না ’।

স্পেনীয়দের আগমনের পরে আদিবাসীদের জনসংখ্যাতাত্ত্বিক পতন ঘটতে থাকে। ১৫৪২ সালে ইসাবেলার নাতি পঞ্চম চার্লস ভারতীয়দের ভাল চিকিৎসা ও সংরক্ষণের জন্য ইন্ডিজের নতুন আইন স্বাক্ষর করে বলেছিলেন যে দাস তৈরির কোনও কারণ বা উদ্দেশ্য নেই। পেড্রো ডি হেরেদিয়া নিজেই কার্টেজেনায় ১৫৪৮ সালে এবং পরবর্তীতে আবার ১৫৫২ সালে বিচারের মুখোমুখি হয়েছিলেন, যেখানে তাকে স্থানীয় জনসাধারণের সাথে দুর্ব্যবহার করার অভিযোগে অন্যান্য বিষয়গুলির সাথেও অভিযুক্ত করা হয়েছিল। দোষী সাব্যস্ত হয়ে সে তার সাজা কমানোর আবেদন করতে স্পেনে ফিরে এসেছিল, তবে ১৫৫৪ সালে তার জাহাজটি সমুদ্রযাত্রার সময় ডুবে যায় এবং তাকে মৃত বলে ধরে নেয়া হয়।

চার্লসের পুত্র, দ্বিতীয় ফিলিপ, ১৫৯৩ সালে রাজকীয় আদেশে তাঁর কর্মকর্তাদের বলেছিলেন যে ‘যে স্পেনীয়রা অপমান, দুর্ব্যবহার করার জন্য অপরাধী তাদেরকে আরও বেশি কঠোরতার সাথে শাস্তি দিতে হবে, যেমনটা অন্য স্পেনিয়ার্ডদের বিরুদ্ধে এই অপরাধ করা হয়েছিল’। এই ধরণের বিধানগুলি ট্রান্স্যাটল্যান্টিক স্লেভ ট্রেডে পাচারকারীদের ক্ষেত্রে সম্প্রসারিত হয়নি। ১৫৭১ সালে ফিলিপ একটি অনুমোদিত দাস বন্দর এবং মার্কেট হিসাবে কার্টেজেনার মর্যাদা মঞ্জুর করেছিলেন। এর পরের ৫০ বছরে এটি স্পেনীয় আমেরিকার বৃহত্তম দাস বাজারে পরিণত হয়েছিল। সেই সময়ে ৩০০,০০০ এরও বেশি দাস বিক্রি হয়েছিল; বিপরীতে, শহরটিতে মাত্র ১৩,০০০ এরও কম অধিবাসী ছিল। 
cover
আবার ফিরে আসি পলা দে এলুগিজের গল্পে, ১৬২৩ সালে তার প্রথম বিচারের দু'বছর পরে, পলা দে এগিলুজ একজন মুক্ত মহিলা হয়ে ওঠেন এবং তার মতো মুক্ত স্বাধীন কৃষ্ণাঙ্গ পুরুষ ও মহিলাদের দ্বারা বিকশিত প্রতিবেশী এলাকা গেটসেমনে চলে আসেন। একসময়ের দরিদ্র এবং বিপজ্জনক জায়গা হিসাবে বিবেচিত, আজ এটি একটি পর্যটন কেন্দ্র। পলা কেন বা কীভাবে একজন ক্রীতদাসী থেকে মুক্ত স্বাধীন নারী হয়ে উঠেন তার কোনও লিখিত রেকর্ড নেই, তবে জোয়ান ডি এগৌলুজ তাকে কার্টেজেনায় মুক্তি দিয়েছিলেন, যাদুবিদ্যার অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হওয়া কোনও মহিলার সাথে মেলামেশা এড়ানোর জন্য। পলা ধোপানী এবং কুরান্দ্রার, বা ‘নিরাময়কারী’ হিসাবে কাজ করেছিলেন। তার খদ্দেররা মূলত স্বাধীন কৃষ্ণাঙ্গ ও মিশ্র জাতি ছিল, যদিও তার আরও ধনী পৃষ্ঠপোষক ছিল। তিনি তাদের স্বামীর বিশ্বস্ততার গ্যারান্টি দিতে তাদেরকে বিভিন্ন আচার, অনুষ্ঠান ও প্রার্থনা শিক্ষা দিয়েছিলেন। তার কাজের জন্য তাকে প্রায়শই স্পেনীয় মুদ্রায় পঞ্চাশ পেসো প্রদান করা হত, যখন স্পেন থেকে আমদানি করা বিলাসবহুল এক বোতল ওয়াইনের দাম ছিল পাঁচ পেসো।

১৬৩২ সালে পলা পুনরায় জাদুবিদ্যায় জড়ানোর অভিযোগে অভিযুক্ত হয়েছিল। তার তদন্ত চলাকালীন ডিফেন্সে তাকে জিজ্ঞাসাবাদের সময় তিনি দোষ দিয়েছিলেন যে তাকে শয়তান থেকে রক্ষা করতে ব্যর্থ হয়েছে, এছাড়াও তিনি স্থানীয় উচ্চবিত্তদের সমালোচনা করে, অন্যান্য কথিত ডাইনীদের নাম সরবরাহ করে এবং তার অনেক খদ্দের এবং বন্ধুবান্ধবকে তার পক্ষে সাক্ষ্য দেওয়ার জন্য আহ্বান জানান। তারপরে, ১৬৩৪ সালে, সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে তার তৃতীয় বিচার শুরু হয়েছিল। দ্বিতীয় মামলার সময় পলা নামে ডাইনি হিসাবে চিহ্নিত ওই অন্যান্য মহিলারা বেশিরভাগই তাকে তাদের নেত্রী বলে অভিযোগ করেছিলেন। ১৬৩৮ সালে তিনি দ্বিতীয়বার ডাইনি হিসেবে দোষী সাব্যস্ত হন।

যদিও তার দ্বিতীয়বার দোষের পরে তিনি কী শাস্তি পেয়েছিলেন তা স্পষ্ট নয়। ১৬৪৯ সালে স্পেনের খ্রীষ্টান ভিক্ষু একজন তদন্তকারী পেদ্রো মেদিনা, স্পেনে এক রিপোর্ট পাঠানোর সময় অভিযোগে লিখেছিলেন যে পলা গির্জার সাথে আবার যুক্ত হয়েছেন, তিনি কারাগারে নিয়মিত দর্শনে যেতেন এবং ভিক্ষা দিতেন। অন্যান্য মহিলা যাদুকরী হিসাবে অভিযুক্তদের সম্প্রদায়ের একজন মূল্যবান সদস্য ছিলেন। জাদুবিদ্যার সাথে তার সংঘবদ্ধতা কার্টেজেনার বিশপ পেরেজ দে লিজারাগাকে ১৬৪৭ সালে মৃত্যুর আগে তার নিরাময় পরিষেবাদির জন্য অনুরোধ করতে বাধা দেয় নি। 
cover
বিচার চলাকালীন, তার জিজ্ঞাসাবাদকারীরা তার কাছ থেকে যে ধরণের গল্প পেতে চাইছিল পলা সম্ভবত তা বুঝতে পেরেছিল, এটি তাদের বিশ্বাস এবং আদিবাসী জাদুবিদ্যার ভয়কে ধারন করে। আফ্রিকা পুনরুদ্ধারের গবেষণায় ঐতিহাসিক জেমস এইচ সুইট পর্তুগিজ যাজক আন্দ্রে জোওটো আন্তোভিলের উদ্ধৃতি দিয়েছিলেন, যিনি দাস মালিকদেরকে সতর্ক করেছিলেন যে যারা অতিরিক্ত নির্যাতন করেছে তারা তাদের দাসদের ডাকিনীবিদ্যা বা বিষ ব্যবহার করে তাদের প্রতিশোধ নিতে উৎসাহিত করার ঝুঁকি নিবে। তবুও জাদুবিদ্যার ভয়ে, এর অনুভূত অস্তিত্বও ঔপনিবেশিক কর্তৃপক্ষকে আদিবাসী ও দাসী মহিলাদের জ্ঞান, দেহ এবং আচরণ নিয়ন্ত্রণের জন্য তাদের অত্যাচার করার অজুহাত দিয়েছিল। অনেককে ভয়াবহ চিকিৎসা দিতে হয়েছে; তদন্তকারীরা বিশ্বাস করতেন যে মানুষকে নির্যাতনের মধ্য দিয়ে সবচেয়ে ভালো সত্যবাদী হিসেবে পাওয়া যায়। ১৬৪৯ সালে, তদন্তকারীদের সর্বোচ্চ কাউন্সিলের কাছে একটি চিঠিতে ভিক্ষু তদন্তকারী পেড্রো মেদিনা রিপোর্ট করেছিলেন যে পলা তার চার জন তদন্তকারী যারা ১০ বছর ধরে তার তদন্ত করে আসছিলো, তাদের যত্ন নিতে তার ঐ জ্ঞান আর ক্ষমতা ব্যবহার করেছিল।

১৬৩৫ সালে, রুফিনা এবং দিয়েগো লোপেজ, এক মিশ্র জাতি দম্পতি, যাদুবিদ্যার অভিযোগে অভিযুক্ত হয়েছিল এবং নির্যাতনের মধ্য দিয়ে স্বীকারোক্তি দেয়। আদালতের রেকর্ড দেখায় যে রুফিনা তার বক্তব্য পরিবর্তন করার চেষ্টা করেছিলেন, জিজ্ঞাসাবাদকারীকে জানিয়েছিলেন যে পলা দে ইগিলুজ তাকে তার আসল স্বীকারোক্তি বজায় রাখার পরামর্শ দিয়েছিল। তদন্তকারীদের জন্য, এটি কার্টেজেনায় একদল ডাইনের অস্তিত্বের প্রমাণ বহন করেছিল। তবে পলা এবং এই বিদ্যায় দোষী সাব্যস্ত মহিলারা বুঝে নেন এবং জিজ্ঞাসাবাদকারীরা যেমন শুনতে চেয়েছিলেন তেমন করেই কাহিনী বলতে শিখে নেন এবং অনুশোচনা এবং ক্ষমা প্রার্থনা করার সময় অতিমাত্রায় অন্যায় সমাজে বেঁচে থাকার কৌশল হয়ে ওঠে তাদের সরবরাহ করা অতিপ্রাকৃত শক্তির এই গল্পগুলি। 

Ridmik News is the most used news app in Bangladesh. Always stay updated with our instant news and notification. Challenge yourself with our curated quizzes and participate on polls to know where you stand.

news@ridmik.news
support@ridmik.news
© Ridmik Labs, 2018-2021