Link copied.
রমজানে যে ১০ টি অভ্যাস অধিক হারে অনুশীলন করবেন
writer
৩১ অনুসরণকারী
cover
আবু হুরায়রাহ (রাদি) হতে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: “আল্লাহ বলেন: আদম সন্তানের প্রত্যেকটি কাজ তার নিজের জন্য, কেবলমাত্র রোযা ব্যতীত; এটা আমার জন্য এবং আমি এর প্রতিদান দেব ”- [সহিহ-আল-বুখারী ও সহিহ-মুসলিম)
রমজান মাসটি ইসলামিক বর্ষপঞ্জিকার নবম মাস। এটি এমন এক মাস, যখন সারা বিশ্বের মুসলমানরা ভোর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত খাওয়া-দাওয়া ও পান করা থেকে বিরত থাকেন। তবে এই পবিত্র মাসের সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ দিকটি হ'ল, মাসটি মুসলিমকে তার স্রষ্টার আরও নিকটে নিয়ে যায়। এটি এমন এক মাস যা প্রতিটি মুসলমানকে তার জীবনের প্রতিটি দিন সঠিকভাবে অর্জনের প্রচেষ্টার জন্য একটি নিজস্ব ব্যক্তিগত মানদণ্ডে স্থির করে। সে কারণে রমজান মাসে যতটা সম্ভব উপকারী অভ্যাস গড়ে তোলা জরুরি। যাতে আপনি আরও উত্তম মুসলিম এবং উত্তম ব্যক্তি হয়ে উঠতে পারেন।

বেশিরভাগ মনোবিজ্ঞানী একমত হন যে, কোনও ব্যক্তির একটি ভাল অভ্যাস বিকাশের জন্য প্রায় ২১ দিন অর্থাৎ তিন সপ্তাহের প্রয়োজন। তাহলে রোযার এই ৩০ দিনে আপনি যদি নিয়মিত প্রার্থনা করেন, রোজা রাখেন, আপনার স্বভাবকে নিয়ন্ত্রণ করেন, আরও ধৈর্যশীল হওয়ার চেষ্টা করেন বা রমজানের সময় অন্য কোনও ভাল অভ্যাস বজায় রাখেন তবে আপনি প্রায় নিশ্চিত, ইনশাআল্লাহ, পরবর্তীতেও সেই ভালো অভ্যাসগুলো বজায় রাখতে পারবেন। 
cover
তারপরও, আমাদের সবারই পা পিছলে যায়। পাশাপাশি, রমজানে আমাদের যে চালনাশক্তি চালিয়ে যায় তা সাধারণত বছরের বাকী সময়ে অতটা শক্তিশালী হয় না। রমজানের সময় আপনি যে ভাল অভ্যাসগুলি বেছে নিয়েছেন তা বজায় রাখার জন্য কিছু বিষয় আপনি অনুসরণ ও অনুশীলন করতে পারেন, রমজানে নিজেকে কীভাবে আরও উত্তম উপায়ে গড়া যায় তার জন্য কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় এবং রমজানের এই অভ্যাসগুলো বজায় রাখতে আপনাকে সহায়তা করার জন্য এখানে অত্যন্ত কার্যকর রমজানের ১০ টি অভ্যাস এবং কয়েকটি টিপস রইল 
১. প্রার্থনায় (নামাজ এবং দোয়ায়) মনোযোগী হন
রমজান হোক বা না হোক, পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ মুসলিমদের জন্য বাধ্যতামূলক। তবে অবহেলার কারণে ইচ্ছাকৃতভাবে নামাজ আদায় না করা রোজাও বাতিল করে দেয়, তাই আপনাকে অবশ্যই অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। কেবল পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ কোনমতে পালন করা-ই শেষ নয়, সঠিক উপায়ে সম্পন্ন করার ক্ষেত্রে আপনাকে অবশ্যই যত্নবান হতে হবে। এর অর্থ নামাজের মুহূর্তে অন্যান্য বিষয়ে বিচলিত না হওয়া, বা অন্য বিষয়ে মনকে মগ্ন করে না ফেলা, অস্পষ্টভাবে অস্ফুটস্বরে সূরাহ পাঠ না করা, এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল, ওয়াক্তের নামাজ একেবারে শেষ মুহুর্তে আদায়ের জন্য রেখে না দেওয়া!

এক ব্যক্তি একবার হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে জিজ্ঞাসা করলেন, “আল্লাহ্‌র দৃষ্টিতে কোন ধরণের আমল সবচেয়ে উত্তম?” তিনি জবাব দিলেন, "সময় মতো নামাজ আদায় করা।" - [সহিহ-আল-বুখারী]


cover
এরপর,
বেশি বেশি ইবাদাতে নিজেকে মশগুল রাখুন- অন্যান্য সময়ে আমরা সাধারণত বিভিন্ন কাজে সর্বদা ব্যস্ত থাকি। এজন্য আমাদের অবশ্যই রমজান মাসকে যথাসম্ভব আল্লাহর ইবাদাত করার জন্য উত্সর্গ করতে হবে। রমজান মাসে অন্য মাসের তুলনায় একক নেক কাজের পুরষ্কার অনেক বেশি। রমজানের এই অভ্যাসটি বজায় রাখতে আপনাকে সাহায্য করার জন্য একটি ভাল পরামর্শ হ'ল জিকর করা, বা ইসলামিক বক্তৃতা শুনা বা কুরআন তেলাওয়াত এবং হাদীস শোনা যেভাবে আপনি নিত্যদিনের অন্যান্য কাজগুলো করে থাকেন।

“হে বিশ্বাসীগণ! আল্লাহকে বেশি বেশি স্মরণ কর”- [৩৩:৪১]

নিয়মিত কোরআন তেলাওয়াত করুন-
সর্বোপরি, এই পবিত্র মাসেই যে এটি নাযিল হয়েছিল! 
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "যে কেউ আল্লাহর কিতাবের একটি অক্ষর পাঠ করবে সে তাঁর কাছ থেকে হাসানাহ(উত্তম প্রতিদান) গ্রহণ করবে, এবং হাসানাহ দশ গুণ বর্ধিত হবে। আমি বলছি না যে আলিফ-লাম-মীম একটি অক্ষর, বরং আলিফ একটি অক্ষর, লাম একটি অক্ষর, এবং মীম একটি অক্ষর। " - [আত-তিরমিযী]
২. ধৈর্যের অনুশীলন করুন
cover
ধৈর্য একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় যা নিজের মধ্যে পরিচর্যা করা আবশ্যক, এক্ষেত্রে এর অনুশীলন শুরু করতে রমজান মাসের চেয়ে উত্তম ও মোক্ষম আর কোন সময়/মাস হতে পারে? রোযা মানে শুধু খাওয়া আর পান থেকেই বিরত থাকা নয়, বিরত থাকতে হবে অন্যান্য বাজে স্বভাব, আচার-আচরণ থেকে, তাই সেক্ষেত্রে নিজেকে ধৈর্যের সাথে নিয়ন্ত্রণশীল থাকতে হবে।

জীবনে অবশ্যই ক্ষণে ক্ষণে ধৈর্য ধরতে হবে, আমাদের আশেপাশের লোকদের সাথে চলতে ফিরতে যখন এমন কিছু ঘটে যা আমাদের ক্রোধ বা হতাশ করে তখন আমাদের অবশ্যই নবীজী (সাঃ) এঁর কথা চিন্তা করতে হবে। যিনি তাঁর জীবনে আরও খারাপ পরিস্থিতি সহ্য করেছিলেন এবং তখনও ধৈর্য ধরে পরিচালিত হয়েছেন।
আবু হুরায়রাহ (রাদি) বর্ণনা করেন, হযরত মুহাম্মদ (সা।) বলেছেন:

“রোজা রোজাদারদের জন্য ঢালস্বরূপ; সুতরাং যখন আপনারা কেউ উপবাস করছেন তখন তার উচিত অশ্লীল ভাষায় লিপ্ত না হওয়া বা ক্রোধে তার আওয়াজ না উঠানো। যদি কেউ তাকে আক্রমণ করে বা তাকে অপমান করে, তাকে বলতে দিন: ‘আমি রোজাদার!"- [সহিহ-আল-মুসলিম] 
রোজা এক ঢালস্বরূপ; সুতরাং যখন আপনারা কেউ উপবাস করছেন তখন তার উচিত অশ্লীল ভাষায় লিপ্ত না হওয়া বা ক্রোধে তার আওয়াজ না উঠানো। যদি কেউ তাকে আক্রমণ করে বা তাকে অপমান করে, তাকে বলতে দিন: ‘আমি রোজা রাখছি।
[সহিহ-আল-মুসলিম]
৩. পরিহার করুন ধুমপানের অভ্যাস
cover
সিগারেটের মোড়কের গায়েই লেখা থাকে ধুমপানের স্বাস্থ্যগত ক্ষতিকর দিক, তার উপর আমরা জানি ইসলামে যেকোন নেশাদ্রব্য গ্রহণে নিষেধাজ্ঞা আছে। এতকিছুর পরও ছাড়তে পারছেন না এই অভ্যাস? তাহলে রমজান মাসটিকেই বেছে নিন আপনার এই অভ্যাস নির্মুলের যাত্রা হিসেবে। রোযা রেখে সবধরণের পানাহার নিষিদ্ধ, সেই সাথে খারাপ কাজ ত্যাগ করে ভালো কাজ করার জন্য বলা হয়েছে। তাই দিনের বেলা রোযা রেখে, এসব ধরণের অভ্যাস থেকে দূরে থেকে ইফতারের পরও সেটা না ভাঙ্গার প্রচেষ্টা রাখুন, রোযার পুরো মাসের প্রতিটি সময়ই ফজিলাতপূর্ণ।

তাই দিনে রোযা অবস্থায় নিজেকে নিয়ন্ত্রণ রাখতে পারলে রোযা ভাঙ্গার পরেও নিজেকে এসব থেকে বিরত রাখার নিয়ন্ত্রণ নিজের হাতে নিয়ে নিন, এতে করে পবিত্র প্রতিটি মুহূর্তই হবে কার্যকরী। টানা একমাস একটি অভ্যাসের অনুশীলন সেটাকে অন্যান্য সময়ের জন্যেও স্থায়ী করে তুলবে।  
৪. স্বাস্থ্যকর খাবার এবং পানীয় গ্রহণ করুন
cover
রমজান মাসে দিনের অর্ধেকেরও বেশি সময় খাওয়া এবং পান করা থেকে বিরত থাকেন, এ কারণেই নিশ্চিত করা গুরুত্বপূর্ণ যে আপনি যে খাবার খাচ্ছেন তা পুরো দিন জুড়ে আপনাকে ধরে রাখতে যথেষ্ট স্বাস্থ্যকর ও পুষ্টিকর কিনা এবং ক্যালোরিযুক্ত, চর্বিযুক্ত এবং অতিরিক্ত চিনিযুক্ত খাবার থেকে দূরে থাকুন। প্রচুর ফলমূল, শাকসবজি এবং অন্যান্য উপকারী খাবার খান। এতে পরবর্তীতেও অভ্যাসটি বজায় থাকবে।  
৫. প্রচুর পরিমাণে তরল পান করুন
cover
রমজানের অভ্যাসগুলো বজায় রাখতে আপনাকে সহায়তা করার জন্য একটি ভাল পরামর্শ হল হাইড্রেটের বিষোয়টি মাথায় রাখা। দিনে রোযা সম্পন্ন করে, পরবর্তী সময় আপনার প্রচুর পরিমাণে পানি এবং অন্যান্য তরল পান করা খুব জরুরি যাতে আপনাকে স্বাস্থ্যকর এবং উদ্যমী রাখার জন্য আপনার দেহে পর্যাপ্ত পরিমাণে তরল সঞ্চিত থাকে। বেশি জল পান করা ব্যতীত আপনার ডায়েটে আরও তরল প্রবর্তনের একটি ভাল উপায় হ'ল কমলা এবং তরমুজের মতো উচ্চ পানিসমৃদ্ধ ফল সহ প্রচুর অন্যান্য ফল খাওয়া। 
৬. দান-সাদক্বাহ বাড়িয়ে দিন
cover
যাকাত একটি বাধ্যতামূলক সদক্বা যা ধনী লোকদের উপর নির্ধারিত হয়। এটি অবশ্যই সাবধানে নির্ধারিত পদ্ধতিতে গণনা করতে হবে এবং রমজানের সময় দেওয়া সবচেয়ে উত্তম। তবে এমনি দান-খয়রাত, সাদাকাহ কেবল ধনী ব্যক্তিদেরই উপর নয়, এবং এটা বাধ্যতামূলকও নয়। আপনার পানির এক চুমুক ভাগ করাও সাদাকাহ, তাই রমজান মাসে অভাবীদের সাথে আরও উদার হন। মিসকিন দেখলেই আপনার মুখ ঘুরিয়ে না দিয়ে; একটি হাসি দিয়ে তাদের স্বাগত জানান এবং যে কোনও ছোট উপায়ে তাদের সহায়তা করুন।

একটি খেজুর দিয়ে হলেও অন্যকে ইফতার করানোর সওয়াব অনেক বেশী। দরিদ্রদের মাঝে ইফতার সামগ্রী বিলিয়ে দিন, ইদের উপহার দিন, এতে তারাও উপকৃত হল, আপনিও মানসিক প্রশান্তি লাভ করলেন আর আপনার প্রতিদান মহান সৃষ্টিকর্তা আল্লাহর কাছে। এই সময়ে বেশি বেশি দান করলে অন্যান্য সময়েও বেশি বেশি দরিদ্রদের সাহায্য করার মানসিকতা তৈরি হবে।  
৭. ভাগাভাগি
cover
আমাদের বাচ্চাদের শেখানো হয় যে "ভাগ করে নেওয়া মানে যত্নশীল হওয়া", তবে আমরা প্রাপ্তবয়স্করা কতবার একই নীতিটি অনুসরণ করি? এই রমজানে ভাগ করে নেওয়ার মাধ্যমে আপনার বন্ধু, পরিবার এবং প্রতিবেশীদের সাথে ভালো সম্পর্ক গড়ে তুলুন। ইফতারের সময় এক প্লেট ইফতারের খাবার পাঠানোর মাধ্যমে সাধারণ কাজটি এমন কিছু হতে পারে যা আপনাকে তাদের আরও কাছে এনে দেয়। এবং যদি কেউ আপনার কাছে খাবার চাইতে আসে তবে তাদের খালি হাতে ফিরিয়ে দেবেন না। যদি আপনি অন্ততপক্ষে কিছু করতে না পারেন তবু তাদের রোজা ভাঙ্গার জন্য কয়েকটি খেজুর এবং এক গ্লাস পানি দেন, তবে তাই যথেষ্ট।

"যে ব্যক্তি কোন রোযাদারের জন্য রোজা ভাঙার জন্য খাদ্য সরবরাহ করে সে রোযাদারের পুরষ্কার লাভ করে, রোযাদারের পুরষ্কার কোনওভাবেই হ্রাস করা হয় না।" - [আত-তিরমিযী ও ইবনে মাজাহ] 
৮. প্রতি রাতে আপনার দিনটি সম্পর্কে চিন্তা করুন
cover
প্রতি রাতে আমাদের নিজেদেরকে মূল্যায়ণ এবং আমাদের সারাদিনের ক্রিয়াকলাপ মূল্যায়ণ করা ভাল অভ্যাস বজায় রাখার জন্য খুব ভাল উপায়। স্ব-মূল্যায়ণ কেবল আপনি কী করেছেন, কীভাবে করেছেন, নিজেকে কোন পর্যায়ে নিয়ে গেছেন, তা দেখতে আপনাকে সহায়তা করে না। আপনার কী করা উচিত ছিল এবং কী করবেন না তারও এটি এক দুর্দান্ত অনুস্মারক।

প্রতিদিনের আত্ম-মূল্যায়ণ প্রশ্নাবলীতে আপনার নির্দিষ্ট অভ্যাস সম্পর্কে একটি বা দুটি প্রশ্ন যুক্ত করুন। নিজেকে জিজ্ঞাসা করুন, উদাহরণস্বরূপ, আমি আজ কতবার প্রার্থনা করেছি? আমার প্রার্থনার গুণাবলী কী ছিল? আমি কি সময় মতো নামাজ পড়েছি? এগুলি সেই অভ্যাসটি বজায় রাখতে এবং পরবর্তী সময় আরও ভাল করার জন্য আপনাকে স্মরণ করিয়ে দেয়। 
৯. নিজেকে করুন সাপ্তাহিক মূল্যায়ণ
এটি আপনাকে আরও বড় ক্ষেত্র দেখতে সহায়তা করে। আপনি নিজের অভ্যাসটি অনুশীলনে কতটা পারদর্শিতা রেখে চলছেন তা আরও দীর্ঘমেয়াদী স্তরের মূল্যায়ণ করতে সক্ষম হবেন। আপনি একই কাজ মাসিক এবং বার্ষিক ভিত্তিতে করতে পারেন। 
১০. একবার ভুল করলে একবারে ভেঙ্গে পড়বেন না
cover
ইসলামে তাওবার (অনুশোচনা ও ক্ষমা প্রার্থনা)সৌন্দর্য হ'ল আল্লাহ আমাদেরকে কোন ভুল কাজ করার পরে তাঁর কাছে ফিরে আসার এই সুযোগ প্রদান করে আশীর্বাদ করেছেন। আমাদের মনে রাখা উচিত যে আমরা মানুষ এবং আমরা ভুল করবই। একমাত্র আল্লাহই নিখুঁত।

এ কারণেই, উদাহরণস্বরূপ, আমরা যদি রমজান জুড়ে সময় মতো প্রার্থনা করতে সক্ষম হই, তবে পরে আবার শিথিল হয়ে উঠি, আমাদের অবশ্যই তা উপলব্ধি করতে হবে, আন্তরিকভাবে আল্লাহর ক্ষমা প্রার্থনা করতে হবে এবং আল্লাহকে আমাদের সাহায্য করার জন্য অনুরোধ করে আমাদের যথাসাধ্য চেষ্টা করতে হবে।
আমাদের সময়মতো প্রার্থনা করার চেষ্টাটি ছেড়ে দেওয়া উচিত নয়। এভাবে যেকোনও ভালো কাজে এক দুইবার কিংবা বারংবার ভুল হলেও ভেঙ্গে না পড়ে উঠে দাঁড়াতে হবে, প্রচেষ্টার মাধ্যমে নিজেকে সামনের দিকে নিয়ে যেতে হবে, সেখানেই থেমে গেলে হবে না, উত্তম মুসলিম ও উত্তম মানুষ হয়ে উঠতে প্রচেষ্টার জুড়ি নেই।  

Ridmik News is the most used news app in Bangladesh. Always stay updated with our instant news and notification. Challenge yourself with our curated quizzes and participate on polls to know where you stand.

news@ridmik.news
support@ridmik.news
© Ridmik Labs, 2018-2021