ফিটনেস ধরে রাখতে অভিনেত্রীদের ভরসা 'ঘি'!
জীবনযাপন
ফিটনেস ধরে রাখতে অভিনেত্রীদের ভরসা 'ঘি'!
প্রাচীনকাল থেকেই রুপচর্চা ও রান্নায় ব্যবহার হয়ে আসছে ঘি। তখন সামর্থ্য অনুযায়ী ঘিয়ের ব্যবহার থাকলেও, এখন প্রায় সবার ঘরেই কমবেশি ঘি থাকে। 
খাবারে ঘিয়ের সবচেয়ে ভালো মিশেল হলো গরম ভাতের সঙ্গে। ঘি ওজন বাড়ায় না বরং কমাতে সাহায্য করে। এর কারণ হলো এতে থাকা স্বাস্থ্যকর ফ্যাট শরীরে জমে থাকা ক্ষতিকর ফ্যাট কমায়। ভারতীয় গণমাধ্যমের মতে, অনেক বলিউড অভিনেত্রীই ফিটনেস ও সুস্বাস্থ্য ধরে রাখতে নিয়মিত ঘি খান। তাদের মধ্যে রয়েছেন সারা আলি খান, জাহ্নবী কাপুর, অনন্যা পান্ডেসহ আরও অনেকে। চলুন জানা যাক তারকাদের ঘি খাওয়া এবং এর উপকারিতা সম্পর্কে।  
সারা আলি খান
সারা আলি খানের সকাল শুরু হয় এক কাপ ঘি কফি দিয়ে। এটি হজম ক্ষমতা বাড়ায় ও বিপাক ক্রিয়া উন্নত করে। সারারাত না খেয়ে থাকা অর্থাৎ ফাস্টিংয়ের পর ঘি খেলে খাদ্য শোষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ঘি পাকস্থলীতে অ্যাসিড নিঃসরণে সাহায্য করে, যা খাবার হজমে সাহায্য করে। এমনকি মস্তিষ্কেও তৃপ্তির অনুভূতি জোগায়। 
জাহ্নবী কাপুর
বলিউডের আরেক অভিনেত্রী জাহ্নবী কাপুর রোজ ঘি খান। বিভিন্ন সাক্ষাৎকারে এই অভিনেত্রী জানান, ঘি তিনি কোনোভাবেই ছাড়তে পারবেন না। দৈনিক সীমিত পরিসরে ঘি খেলে লিভার পরিষ্কার হয়, ঘিতে থাকে ডিটক্সিফাইংয়ের অ্যাজেন্ট। যখন ঘি দিয়ে কোনো খাবার রান্না করা হয় তখন সেটি হজমের জন্য লিভার থেকে নিঃসৃত এনজাইমের প্রয়োজন হয় না। 
অনন্যা পান্ডে
এই অভিনেত্রী তার ডায়েটের বিষয়ে সর্বদা সতর্ক থাকেন। মেদহীন শরীর পেতে অনন্যা পান্ডেও দৈনিক পাতে ঘি রাখেন। টান্স ও স্যাচুরেটেড ফ্যাট অর্থাৎ খারাপ চর্বির তুলনায় দেশি ঘিতে থাকে ওমেগা ৩ ও ৬। যা শরীরে জমে থাকা খারাপ চর্বি কমায়। তবে বেশি নয়, নির্দিষ্ট পরিমাণেই খেতে হবে ঘি। 
ঘিয়ের উপকারিতা
  • ঘি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। এতে থাকা ভিটামিন এ, কে, ই ও ডি শরীরে পুষ্টির ঘাটতি মেটায়।
  • ঘি’তে থাকা ফ্যাটি অ্যাসিড হার্টের স্বাস্থ্য ভালো রাখে। শরীরের অস্বাস্থ্যকর কোলেস্টেরলের মাত্রাও কমায় ঘি।
  • ঘিতে উপস্থিত ভিটামিন এ সামগ্রিক স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটায়। প্রতিদিন ঘি খেলে চোখের স্বাস্থ্য ভালো থাকে।
  • ঘি’তে থাকা স্যাচুরেটেড ফ্যাট মস্তিষ্কের কার্যকারিতা বাড়ায় ও স্মৃতিশক্তির উন্নতি ঘটায়। ব্রেন টনিক হিসেবে কাজ করে ঘি।

জীবনযাপন
আরো পড়ুন