Link copied.
কপ২৬ সম্মেলন: পৃথিবীকে বাঁচাতে কতটা সফল হয়েছে এবারের বিশ্ব জলবায়ু সম্মেলন?
writer
১৮ অনুসরণকারী
cover
চলতি বছর জলবায়ু বিষয়ক বৈশ্বিক সম্মেলন 'কপ' এর ২৬তম আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়েছে গ্লাসগোতে। স্কটল্যান্ডের গ্লাসগোতে গেল ৩১ অক্টোবর থেকে ১২ই নভেম্বর পর্যন্ত দুই সপ্তাহব্যাপী যে জলবায়ু সম্মেলন হলো তার সাফল্যের ওপর অনেকটাই নির্ভর করছিল পৃথিবীর ভবিষ্যৎ। সম্মেলনের সিদ্ধান্তগুলোর ওপর নির্ভর করে আগামী দিনগুলোতে আমাদের নিত্যদিনের জীবনযাপনে বড় রকমের পরিবর্তন আসতে পারে বলে আভাস দিয়েছিলেন পরিবেশ বিজ্ঞানীরা। কিন্তু কতটা সফল হলো এই সম্মেলন?

কপ কী এবং কেন?
কনফারেন্স অব দি পার্টিজকে সংক্ষেপে কপ বলা হয়। জাতিসংঘের উদ্যোগে গঠিত কপের প্রথম সম্মেলন অর্থাৎ কপ১ হয়েছিল ১৯৯৫ সালে। এবার হলো ২৬তম সম্মেলন। গেল কয়েক দশকে সারাবিশ্বেই বন্যা, জলোচ্ছ্বাস, ঘূর্ণিঝড়, দাবানলের মতো ঘটনা দেখেছে মানুষ। বায়ু দূষণের ভয়াবহতা লাখ লাখ মানুষকে হাসপাতালমুখী করেছে। জীবনের গল্প তুচ্ছ হয়ে যাচ্ছে সব হারিয়ে। সুযোগ ছিল, হয়েছে আন্দোলনও, দেশে দেশে রাস্তায় নেমেছেও মানুষ। কিন্তু যাদের টনক নড়ার দরকার তাদের হুঁশ ফিরছে বেশ দেরীতে। সময় এমন জায়গায় এসে ফেলেছে আমাদের যে, প্রকৃতির যা ক্ষতি করার তাকে আর আগের জায়গা ফিরিয়ে নেওয়া একপ্রকার অসম্ভবই। এই মুহূর্তে তাই যা করার করতে হবে একসাথে, সকল দেশ মিলিয়ে। সেই করাটা হতে হবে জরুরি ভিত্তিতে।

গ্লাসগো তাই নতুন করে সুযোগ এনেছিল সকল দেশকে এক ছায়াতলে এনে জলবায়ু পরিবর্তনের ভয়াবহতা মোকাবিলায় অঙ্গীকারবদ্ধ হওয়ার। গেল তিন দশক ধরেই জাতিসংঘ চেষ্টা করে যাচ্ছে এই আয়োজনকে সফল করার। সেই চেষ্টার আরেক সুযোগ ছিল এবারের সম্মেলন। ২৬ তম এই আয়োজনে শুধু যে রাষ্ট্র নেতারাই ছিলেন তা নয়, ছিলেন ব্যবসায়ী, পরিবেশ বিজ্ঞানী, পরিবেশ বিদ, সাংবাদিকসহ পরিবেশ সংশ্লিষ্ট অসংখ্য ব্যক্তি ও সংগঠন। সকলের উদ্দেশ্য এক, জলবায়ু পরিবর্তনের ভয়াবহতা কমিয়ে এনে আমাদের এই পৃথিবীকে বাসযোগ্য করে তোলা। 
কপ২৬ সম্মেলনে মূল লক্ষ্য ছিল কী কী?
মূলত চারটি গোল বা লক্ষ্য নিয়ে কাজ করেছে গ্লাসগো সম্মেলন। 

১। ২০৫০ সালের মধ্যে কার্বন নিঃসরণ শূন্যতে নামিয়ে আনা 

এবারের সম্মেলনে অংশগ্রহণকারী দেশগুলোকে বলা হয়েছে, ২০৩০ সাল পর্যন্ত কার্বন নিঃসরণ কমিয়ে আনার লক্ষ্যে তাদের রূপরেখা উপস্থাপন করতে। আয়োজক ব্রিটেন চায়, এই রূপরেখা বাস্তবায়নের পথ ধরেই পরের ২০ বছরের কর্মযজ্ঞ ঠিক করা সহজ হবে। লক্ষ্য অর্জনের পথে চারটি বিষয়ে জোর দিতে বলা হয়েছে,  

ক. কয়লা ভিত্তিক উৎপদান ব্যবস্থা থেকে সরে আসা। 
খ. বন উজাড়ের ধারণার বিলুপ্তি। 
গ. বৈদ্যুতিক যানের যুগে প্রবেশ ত্বরান্বিত করা।
ঘ. নবায়নযোগ্য শক্তিতে বিনিয়োগ বাড়ানো। 

২। অভিযোজনে অভ্যস্ততা 

জলবায়ুর পরিবর্তন ইতোমধ্যেই ঘটছে। সময়ের সাথে সাথে এর ভয়াবহতা দৃশ্যমান হচ্ছে। আমরা যতই চেষ্টা করি, এই পরিবর্তনকে আর আটকে রাখা সম্ভব নয়। সম্ভব নয় প্রকৃতিকল আগের অবস্থায় ফিরিয়ে নেওয়াও। কপ২৬ তাই দেশগুলোকে এই পরিবর্তনের সাথে অভ্যস্ত হয়ে যেতে বলছে। দিচ্ছে পরামর্শ ও- 

ক. বাস্তুতন্ত্র বা ইকোসিস্টেমকে বাঁচানো ও পুনরুদ্ধার। 
খ. জলবায়ু পরিবর্তন সহায়ক অবকাঠামো নির্মাণ, কৃষির ফলন এবং সতর্কতা ব্যবস্থায় আধুনিকায়নে জোর দেওয়া। 

৩। আর্থিক ব্যবস্থায় গতিশীলতা 

প্রথম দুই লক্ষ্য অর্জনের পথে সবচেয়ে বড় বাধা অর্থের জোগান। উন্নয়নশীল ও দরিদ্র দেশগুলোর জন্য বিপুল পরিমাণ অর্থের জোগান দিতে হবে উন্নত রাষ্ট্রগুলোকেই। প্রতি বছর অন্তত ১০০ বিলিয়ন ডলারের অর্থ বরাদ্ধ রাখতে উন্নত দেশগুলোর প্রতি আহ্বান জানাতে চায় ব্রিটেন।  

৪। দশে মিলে করি কাজের শপথ

আগেই বলেছি, এখন আর একলা নীতিতে চলার মতো পরিস্থিতি নেই। জলবায়ু পরিবর্তনের ভয়াবহতা আরও প্রকট হয়ে ওঠার আগে আটকাতে হবে এর গতি। এজন্য সব রাষ্ট্রকে অভিন্ন নীতিতে এগোতে হবে। কপ২৬-এ এজন্য বেশ প্রস্তাবনা থাকবে- 

ক. প্যারিস জলবায়ু চুক্তিতে অটল থেকে অঙ্গীকার বাস্তবায়ন। 
খ. জলবায়ু ইস্যুতে সরকার, ব্যবসায়ী এবং সামাজিক সংগঠনকে এক হয়ে কাজ করার মানসিকতা উদ্বুদ্ধ করতে হবে। 
cover
এবারের সম্মেলন কেন গুরুত্বপূর্ণ?
২০১৫ সালে প্যারিসে যে ঐতিহাসিক জলবায়ু সম্মেলন দেখেছিল বিশ্ববাসী, সেখানে উন্নত দেশগুলো বেশ কিছু সিদ্ধান্তে একাট্টা হয়। এর মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত হয়, শিল্প-বিপ্লব পূর্ববর্তী যে তাপমাত্রা পৃথিবীর ছিল তার চেয়ে ১.৫ ডিগ্রি বা বড়জোর ২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি যাতে না বাড়তে পারে, তা নিশ্চিত করতে সবাই চেষ্টা করবে। দেশগুলো মেনে নেয় যে এটা না করতে পারলে পৃথিবী এবং মানব সভ্যতা মহা বিপর্যয়ের মুখে পড়বে। সিদ্ধান্তগুলো প্যারিস চুক্তি নামে পরিচিতি পায়। এই চুক্তিতে অঙ্গীকার করা হয় ২০৫০ সালের মধ্যে কার্বন নিঃসরণ শূন্যের কোটায় নামিয়ে আনতে হবে। 

এবারের গ্লাসগোতে সম্মেলন শুরুর আগেই অধিকাংশ দেশই কার্বন নিঃসরণ কমাতে তাদের পরিকল্পনা চূড়ান্ত করে ফেলবে বলে কথা ছিল। জাতিসংঘের পক্ষ থেকে বিশ্বের ২০০টি দেশকে বলা হয়েছে পরিবেশে কার্বন নিঃসরণ কমাতে ২০৩০ সাল পর্যন্ত তাদের কর্ম-পরিকল্পনা কী, তা গ্লাসগোর সম্মেলনে জানাতে। ফলে প্যারিস চুক্তির লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের পথে আমরা আদৌ রয়েছি কিনা সে সম্পর্কে মোটামুটি একটা ধারণা মিলবে। 


চীনের দিকে কেন তাকিয়ে ছিল সবাই?
কপ২৬ সম্মেলনে চীন কী কী প্রতিশ্রুতি দেয় তা খুবই গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছিল। কারণে এ মুহূর্তে চীনই এক নম্বর কার্বন নিঃসরণকারী দেশ। শুধু নিজের দেশেই নয় বিশ্বের বিভিন্ন জায়গাতেই তারা কয়লা-ভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদনে বিনিয়োগ করেছে। চীনা প্রেসিডেন্ট অবশ্য সাম্প্রতিক সময়ে ঘোষণা করেছেন যে চীন আর দেশের বাইরে কয়লা-ভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র বানাবে না।

cover
কপ২৬ কি নিত্যদিনের কাজে প্রভাব ফেলবে?
এবারের কপ সম্মেলনে আসা সিদ্ধান্ত মানুষের দৈনন্দিন জীবনে ঠিক কতটা প্রভাব ফেলতে পারে তা এখনই বলা যাচ্ছে না। বিবিসি অবশ্য কিছু ধারণা দিয়েছে দৈনন্দিন প্রভাব নিয়ে। 

সেসবে চোখ বুলানো যাক - 

-- এবারের সম্মেলনে মানুষ ঠিক আর কতদিন পেট্রোল বা ডিজেল চালিত গাড়ি চালাতে পারবেন তা নির্ধারিত হয়ে যেতে পারে।

-- শীতে রুম বা ঘর গরম করতে আর ঠিক কতদিন গ্যাস ব্যবহার করা যাবে সেটিও ঠিক হয়ে যেতে পারে। 

-- বিবিসি বলছে, ঘন ঘন বিমান ভ্রমণও কঠিন হয়ে যেতে পারে। 


সফল করার চেষ্টা কতটুকু ছিল?
কপের এবারের সম্মেলনের আয়োজক ব্রিটেন। আয়োজক হিসেবে ব্রিটেনের ভূমিকা তাই বেশ গুরুত্বপূর্ণ। তাদের প্রতিই নজর ছিল বিশ্বময় ছড়িয়ে থাকা পরিবেশবিদদের। কপ২৬-এ দেশগুলো কার্বন নিঃসরণের হার ২০১০ সালের তুলনায় ৪৫ শতাংশ কমিয়ে আনার প্রতিশ্রুতি প্রদানে একমত হবে বলে আশা ছিল সংশ্লিষ্টদের। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের আসা তথ্য অনুযায়ী, ব্রিটেন ২০৩০ সালের মধ্যে কার্বন নিঃসরণ উল্লেখযোগ্য মাত্রায় কমাতে চাইবে। এই চাওয়াটা আদায় করে নিতে তারা বদ্ধপরিকর থাকবে বলেই মনে করা হচ্ছিল। প্রভাবশালী কিছু সংবাদমাধ্যমে এসেছে, ২০৫০ সালের মধ্যে কার্বন নিঃসরণ শূন্যতে (জিরো ইমিশন) নামিয়ে আনার ব্যাপারে সকল দেশকে অঙ্গীকারাবদ্ধ দেশটি। এই অঙ্গীকার করিয়ে নিতে পারাটা চ্যালেন্জিং ব্রিটেনের জন্য। সেক্ষেত্রে কপ২৬ এর সফলতা নিয়ে প্রশ্ন উঠবে। 

এটা অস্বীকার করার উপায় নেই যে, উন্নয়নশীল দেশগুলোর মাথাপিছু কার্বন নিঃসরণের পরিমাণ উন্নত দেশগুলোর চেয়ে কম। কিন্তু জলবায়ু পরিবর্তনের পরিণতি বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশগুলোকেই বেশি পোহাতে হচ্ছে। ধনী দেশগুলো প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল যে, তারা ২০২০ সালের মধ্যে দেশগুলোকে বছরে ১০০ বিলিয়ন ডলার দেবে যাতে তাদের পক্ষে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব মোকাবেলা সহজ হয়। কিন্তু জাতিসংঘ সম্প্রতি বলেছে এই প্রতিশ্রুতি রক্ষা হয়নি। ফলে, এই প্রতিশ্রুতির মাত্রা বাড়ানোর জন্য ধনী দেশগুলোর ওপর চাপ রয়েছে। 

অনেক বিজ্ঞানী মনে করেন, বিশ্ব নেতারা জলবায়ু পরিবর্তনের গুরুত্ব, ভয়াবহতা বুঝতে ইতিমধ্যেই অনেক দেরি করে ফেলেছেন। ফলে, গ্লাসগোতে যে প্রতিশ্রুতিই দেয়া হোক না কেন, তাপামাত্রা বৃদ্ধি ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে রাখা অসম্ভব হয়ে পড়তে পারে বলে ধারণা ছিল বিজ্ঞানীদের। 

cover
কপ২৬ ব্যর্থতার পরিণতি ভয়াবহ?
কপ২৬ সামনে রেখে জাতিসংঘের ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশন অন ক্লাইমেট চেঞ্জ-বিষয়ক এক্সিকিউটিভ সেক্রেটারি প্যাট্রিসিয়া এসপিনোসা সতর্ক করে বলেছেন, এই সম্মেলনের ব্যর্থতা ভয়াবহ পরিণতি ডেকে আনতে পারে। ভেঙে পড়তে পারে বৈশ্বিক নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা। দেশগুলো গ্রিনহাউস গ্যাসের নির্গমন কমাতে সফল না হলে ক্রমবর্ধমান অভিবাসন ও খাদ্যসংকট বিশ্বজুড়ে সংঘাত ও বিশৃঙ্খলার কারণ হতে পারে। প্যাট্রিসিয়া এসপিনোসা বলেন, ‘এটা কঠিন একটা কাজ। তবে এটাও মনে রাখতে হবে যে এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করা ছাড়া আমাদের সামনে বিকল্প নেই।’

এদিকে কপ-২৬-এর প্রেসিডেন্ট ও যুক্তরাজ্যের মন্ত্রী অলোক শর্মা গার্ডিয়ানকে বলেছেন, কপ-২৬-এর আলোচনা প্যারিস জলবায়ু চুক্তিতে পৌঁছানোর চেয়েও কঠিন হতে পারে। এবারের সম্মেলনে প্রায় ২০০ দেশকে গ্রিনহাউস গ্যাসের নির্গমন কমানো, বৈশ্বিক উষ্ণতা সীমিত রাখার বিষয়ে প্রতিশ্রুতি দিতে হবে। এটা ভীষণ কঠিন একটি কাজ।

প্যাট্রিসিয়া এসপিনোসা বলেন, ‘এটা কঠিন একটা কাজ। তবে এটাও মনে রাখতে হবে যে এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করা ছাড়া আমাদের সামনে বিকল্প নেই।’
কতটা সফল কপ২৬?
এবারের জলবায়ু সম্মেলনে ৪০টির বেশি দেশ কয়লার ব্যবহার ধাপে ধাপে কমিয়ে আনতে চুক্তি সইয়ের মাধ্যমে সম্মত হয়েছে। এ চুক্তির ফলে যুক্তরাজ্যের মত দেশে আগামী দিনে বায়ু ও সৌর বিদ্যুতের ব্যবহার বাড়তে থাকবে, সেই সঙ্গে বাড়বে পারমাণবিক বিদ্যুতের ওপর নির্ভরতা।সবচেয়ে বেশি কয়লা ব্যবহারকারী দেশ চীন ও ভারতের পক্ষ থেকে এ জ্বালানি থেকে সরে আসার কোনো ঘোষণা এবারের জলবায়ু সম্মেলনে আসে নি।

এবারের জলবায়ু সম্মেলনে শতাধিক বেশি দেশ বন উজাড় বন্ধের প্রতিশ্রুতি দিয়ে একটি চুক্তি করেছে। বাংলাদেশ অবশ্য সই করেনি চুক্তিতে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পরিবেশ নিয়ে উদ্বেগের চেয়ে দাম নিয়ে উদ্বেগ বেশি থাকলে ওই প্রতিশ্রুতি হয়তো কোনোদিনই বাস্তবায়ন হবে না। আর চুক্তি যদি বাস্তবায়ন করতে হয়, ভোক্তাদের বাড়তি খরচ গুনতেই হবে, অথবা কমাতে হবে ভোগ। কপ২৬ সম্মেলনে ১৩ ট্রিলিয়ন ডলারের সম্পদ আছে এমন চার শতাধিক আর্থিক প্রতিষ্ঠান পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তিতে বিনিয়োগের জন্য অর্থের যোগান বাড়াতে সম্মত হয়েছে। এর মানে হল, মানুষের সঞ্চয় যারা জমা রাখছে, তারা ভবিষ্যতে সেই টাকা পরিবেশবান্ধ্বব খাতে বেশি খাটাবে। পরিবেশবান্ধব প্রকল্পে ঋণ পেতে সুদ কম দিতে হবে। 





Ridmik News is the most used news app in Bangladesh. Always stay updated with our instant news and notification. Challenge yourself with our curated quizzes and participate on polls to know where you stand.

news@ridmik.news
support@ridmik.news
© Ridmik Labs, 2018-2021