অ্যান্ড্রু সাইমন্ডস: ইংল্যান্ডে জন্ম নেয়া বিতর্কিত এক অস্ট্রেলিয়ান কিংবদন্তি
খেলাধুলা
অ্যান্ড্রু সাইমন্ডস: ইংল্যান্ডে জন্ম নেয়া বিতর্কিত এক অস্ট্রেলিয়ান কিংবদন্তি
অ্যান্ড্রু সাইমন্ডস, ছবি: ইন্টারনেট
অ্যান্ড্রু সাইমন্ডস, ছবি: ইন্টারনেট
ক্রিকেট দুনিয়ায় আরেকটি নক্ষত্রের পতন। রড মার্শ, শেন ওয়ার্নের শোক কাটিয়ে না উঠতেই ক্রিকেট বিশ্ব হারালো আরেক কিংবদন্তিতুল্য অজি ক্রিকেটার অ্যান্ড্রু সাইমন্ডসকে। শনিবার(১৪ মে) রাতে কুইন্সল্যান্ডের টাউনসভিলে এক সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয় তার। বাঁচানোর অনেক চেষ্টা করা হলেও, সব চেষ্টাই বিফলে যায়। কুইন্সল্যান্ড পুলিশের বরাতে জানানো হয়, শহর থেকে প্রায় ৫০ কিলোমিটার পশ্চিমে হার্ভে রেঞ্জে স্থানীয় সময় রাত ১১টা নাগাদ দুর্ঘটনাটি ঘটে। সে সময় সাইমন্ডস হার্ভে রেঞ্জ রোড ধরে, অ্যালিস রিভার ব্রিজ থেকে বাঁ দিকে যাচ্ছিলেন। খবর পেয়ে সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পুলিশ৷ প্রাথমিক তদন্তে জানা যায় গাড়িটি রাস্তায় উল্টে যায়। এতে গুরুতর আহত হন সাইমন্ডস। পরে ঘটনাস্থলেই শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।
শহর থেকে প্রায় ৫০ কিলোমিটার পশ্চিমে হার্ভে রেঞ্জে স্থানীয় সময় রাত ১১টা নাগাদ দুর্ঘটনাটি ঘটে। সে সময় সাইমন্ডস হার্ভে রেঞ্জ রোড ধরে, অ্যালিস রিভার ব্রিজ থেকে বাঁ দিকে যাচ্ছিলেন। খবর পেয়ে সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পুলিশ৷ প্রাথমিক তদন্তে জানা যায় গাড়িটি রাস্তায় উল্টে যায়। এতে গুরুতর আহত হন সাইমন্ডস। পরে ঘটনাস্থলেই শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।
ক্রিকেট বিশ্বে শোকের মাতম
সাইমন্ডসের প্রতি টাইগার ও লঙ্কান দলের শ্রদ্ধা, ছবি: ইন্টারনেট
সাইমন্ডসের প্রতি টাইগার ও লঙ্কান দলের শ্রদ্ধা, ছবি: ইন্টারনেট
সাইমন্ডসের মৃত্যুর খবরে শোকের মাতম বইছে অজি ক্রিকেট পাড়াসহ গোটা দুনিয়া জুড়ে। শোক প্রকাশ করেছেন ড্যামিয়েন ফ্লেমিং, মাইকেল বেভান, অ্যাডম গিলক্রিস্ট, শোয়েব আক্তার, শচীন টেন্ডুলকার, ভিভিএস লক্ষ্মণ, অনিল কুম্বলে, কোর্টনি ওয়ালশ, রাশিদ খান, গ্লেন ম্যাক্সওয়েল থেকে শুরু করে তার সময়কার এবং বর্তমান সময়ের ক্রিকেটাররা। বাদ যাননি ভক্ত-সমর্থকরাও। বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কার প্রথম টেস্ট ম্যাচ শুরু আগে দুই দলই তার স্মরণে ১ মিনিট নীরবতাও পালন করেছে।
দুর্ঘটনাস্থলে উল্টে যাওয়া গাড়ি, ছবি: ইন্টারনেট
দুর্ঘটনাস্থলে উল্টে যাওয়া গাড়ি, ছবি: ইন্টারনেট
মৃত্যুকালে এই সাবেক অজি অলরাউন্ডারের বয়স হয়েছিল মাত্র ৪৬ বছর। অস্ট্রেলিয়ার হয়ে ১৯৯৮ থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত ২৬টি টেস্ট ম্যাচ, ১৯৮টি ওডিআই ও ১৪টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলেছেন তিনি। অস্ট্রেলিয়ার ২০০৩ ও ২০০৭ বিশ্বকাপজয়ী দলের অন্যতম সদস্য ছিলেন অ্যান্ড্রু সাইমন্ডস। ছিলেন ২০০৭ সালে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ৫-০ ব্যবধানে জিতে অ্যাশেজ পুনরুদ্ধারের সিরিজে। ২০০৮ সালে অনুষ্ঠিত আইপিএলের প্রথম আসরের বিদেশি ক্রিকেটারদের মধ্যে সবচেয়ে দামী ক্রিকেটার ছিলেন তিনি। ১.৩৫ মিলিয়ন ডলারে ডেকান চার্জার তাকে দলে ভিড়িয়েছিলো। 
অজি ক্রিকেটে সাইমন্ডসের উত্থান
ছবি: ইন্টারনেট
ছবি: ইন্টারনেট
১৯৯৮ সালের ১০ নভেম্বর পাকিস্তানের বিরুদ্ধে অস্ট্রেলিয়ার হয়ে একদিনের ক্রিকেটে অভিষেক হয় অ্যান্ড্রুর। তবে টেস্টে অবশ্য সুযোগ পান আরও অনেক পরে। ২০০৪ সালের ৮ মার্চ শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে টেস্ট অভিষেক হয় তার। এর ১ বছর পর ২০০৫ সালে টি-২০ ক্রিকেটেও অভিষেক হয় সাইমন্ডসের। ১৯৮টি ওডিআই ম্যাচে ৫০৮৮ রান করেছেন সাইমন্ডস। রয়েছে ছয়টি শতরানের ইনিংস। টেস্ট অবশ্য অনেক কম খেলেছেন তিনি। অস্ট্রেলিয়ার হয়ে ২৬টি টেস্টে দুইটি শতরানের ইনিংসসহ ১৪৬২ রান করেছেন এই মারকুটে ব্যাটার। সাইমন্ডসের চেয়ে সতীর্থরা তাকে ‘রয়’ বলেই বেশি ডাকতো। বিধ্বংসী ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি বল হাতেও সমান দক্ষ ছিলেন সাইমন্ডস। কখনও ডান হাতি মিডিয়াম পেস তো কখনও অফ স্পিন করতেন। একদিনের ক্রিকেটে ১৩৩, টেস্টে ২৪ ও টি-টোয়েন্টিতে ৮টি উইকেট নিয়েছেন তিনি। ২০০৮ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে শেষ টেস্ট, ২০০৯ সালে পাকিস্তানের বিপক্ষে শেষ ওডিআই ও টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলেছিলেন সাইমন্ডস। এরপরও জাতীয় দলে ফেরার অনেক চেষ্টা চালিয়েছিলেন। কিন্তু ফিরতে পারেননি। তাই ২০১২ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি সব ধরনের ক্রিকেট থেকে অবসর নেন সাইমন্ডস।
আইপিএলে সাইমন্ডস, ছবি: ইন্টারনেট
আইপিএলে সাইমন্ডস, ছবি: ইন্টারনেট
ব্যাট বলের ক্রিকেট ছাড়লেও, ধারাভাষ্যকার হিসেবে জড়িয়ে ছিলেন ক্রিকেটের সাথে। অবসরের পরবর্তী জীবনটা চালিয়ে যাচ্ছিলেন মাইক হাতে। ব্যাটিং, বোলিং কিংবা ফিল্ডিং সাইমন্ডস ছিলেন দুর্দান্ত এক খেলোয়াড়। ফিল্ডার হিসেবেও ছিলেন বেশ চনমনে। বিশ্বের সর্বকালের সেরা ফিল্ডার খ্যাত প্রোটিয়া তারকা জন্টি রোডসও তার ফিল্ডিংয়ের প্রশংসা করেছেন। ফিল্ডিং পজিশন যেখানেই হোক, বল কুড়িয়ে সহজেই স্ট্যাম্পে থ্রো করতে পারতেন তিনি। রান আউটে ছিলেন পটু। রঙিন পোশাকে অজিদের মিডেল অর্ডারকে একাই সামাল দিতেন তিনি। আক্রমণাত্মক ক্রিকেট খেলে মুহূর্তেই বদলে দিতে পারতেন ম্যাচের চিত্র। ২০০৩ সালে বিশ্বকাপে নিজের অভিষেক ম্যাচে দেখা পান ক্যারিয়ারের প্রথম শতকের। সে ম্যাচে ওয়াসিম আকরাম, ওয়াকার ইউনুস, শোয়েব আক্তারদের তান্ডবে স্কোর বোর্ডে ১০০ যোগ করার আগেই ৪ উইকেট হারায় অজিরা। ৬ নম্বরে ব্যাট করতে আসা সাইমন্ডসের ১২৫ বলে ১৪৩ রানের ঝড়ো ইনিংস ৩১০ রানের সংগ্রহ এনে দেয় অজিদের। তার বদৌলতে তৎকালীন ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়নরা জয় দিয়েই শুরু করেছিলো বিশ্বকাপ মিশন। 
সেমিফাইনালে শ্রীলঙ্কাকে একাই ধসিয়ে দেন সাইমন্ডস, ছবি: ইন্টারনেট
সেমিফাইনালে শ্রীলঙ্কাকে একাই ধসিয়ে দেন সাইমন্ডস, ছবি: ইন্টারনেট
সেমিফাইনালেও দলের ক্রান্তিকালের ত্রানকর্তা হয়ে দাঁড়ান সাইমন্ডস। ৫০-এর ঘরে ৩ উইকেট হারানো অস্ট্রেলিয়ার নড়বড়ে ইনিংসের হাল ধরেন তিনি। গিলক্রিস্ট, হেইডেন, রিকি পন্টিং, বেভানদের দুর্দিনে পথ দেখায় তার উইলো। অজিদের ব্যাটিং লাইনআপে আতংক ছড়িয়ে দেয়া মুরালিধরন, জয়াসুরিয়া, চামিন্দা ভাসকে পাত্তা না দিয়ে ১১৮ বলে খেলেন অপরাজিত ৯১ রানের ইনিংস। বৃষ্টিবিঘ্নিত সে ম্যাচে ৪৮ রানে জিতে ফাইনাল নিশ্চিত করে অস্ট্রেলিয়া। ফাইনালে আর ব্যাট করতে হয়নি তাকে। সে আসরে ৯ ম্যাচের ৫ ইনিংসে ব্যাট করে ৩২৬ রান করেছিলেন। গড় ছিল ১৬৩! বলা চলে, অস্ট্রেলিয়া ওডিআই ফরম্যাটের স্বর্ণযুগের প্রধান হাতিয়ার ছিলেন এই ব্যাটার।
বিতর্ক ছিলো সাইমন্ডসের নিত্য সঙ্গী
 ছবি: ইন্টারনেট
ছবি: ইন্টারনেট
ক্রিকেট পাড়ায় কেবল একজন সফল ক্রিকেটার হিসেবেই নন, অ্যান্ড্রু সাইমন্ডস পরিচিতি রয়েছে একজন বিতর্কিত ক্রিকেটার হিসেবেও। বিতর্ক যেন তার পিছুই ছাড়তো না। যার মধ্যে ২০০৮ সালে বক্সিং ডে টেস্টে ভারতীয় ক্রিকেটার হারভাজন সিংয়ের সঙ্গে ঘটা 'মাঙ্কি গেট' বিতর্ক ছিল অন্যতম। সিডনি টেস্টের সে ঘটনার মাঝেই ক্যারিয়ার সর্বোচ্চ ১৬২ রানের ইনিংস খেলেছিলেন তিনি। ২০০৮ সালে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে সিরিজে দলের বৈঠক ছেড়ে মাছ ধরতে গিয়েছিলেন সাইমন্ডস।মদ্যপ অবস্থায় মাঠে নেমেছেন তিনি। মদ্যপানের স্বভাবের খেসারত বহুবার দিতে হয়েছে তাকে। বাদ পড়তে হয়েছে দল থেকেও। ২০০৫ সালে বাংলাদেশের বিপক্ষে কার্ডিফে সে ঐতিহাসিক হারের আগের রাতেও সাইমন্ডস ডুবে ছিলেন মদ পানের নেশায়। ম্যাচ শুরু আগে মাতলামির কারনে বাদ পড়েন দল থেকে। সে অগোছালো দলের কারণেই বাংলাদেশের বিপক্ষে হেরেছিল অজিরা। খেলার প্রতি ও অস্ট্রেলিয়া ক্রিকেটের প্রতি তার দায়বদ্ধতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল। নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করা, উচ্ছৃঙ্খল জীবন যাপনের কারনে ২০০৯ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের স্কোয়াড থেকে বাদ পড়েন অ্যান্ড্রু। ফলশ্রুতিতে, ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া তার সাথে সকল চুক্তি বাতিল করে। জাতীয় দলের রাস্তা তখনই বন্ধ হয়ে যায় তার জন্য। চেষ্টা করেও আর ফেরা হয়নি জাতীয় দলে। 
ইংল্যান্ডে জন্ম নিয়ে যেভাবে অস্ট্রেলিয়ায় আসলেন সাইমন্ডস
জন্ম ইংল্যান্ডের বার্মিংহামে হলেও, অজিদের ব্যাগি গ্রিন ক্যাপে নিজেকে দেখতে চেয়েছিলেন সবসময়। তাইতো, ১৯৯৫ সালে ইংল্যান্ড 'এ' দলের হয়ে খেলার সুযোগ পেয়েও তা প্রত্যাখান করেন। ইংল্যান্ড দলে ডাক পাওয়ার কারণ ছিল, সে বছরই কাউন্টিতে গ্লামর্গানের বিপক্ষে ১৬ ছক্কার ঝড়ো ইনিংসে অপরাজিত ২৫৪ রান করেন তার দল গ্লুচেস্টারশায়ারের হয়ে। যা তখন কাউন্টিতে এক ইনিংসে সর্বোচ্চ ছক্কা হাঁকানোর রেকর্ড করে(যৌথভাবে, কাউন্টিতে গ্রাহাম নেপিয়ারেরও এক ইনিংসে ১৬ ছক্কা আছে)। এই রেকর্ড অবশ্য এখন বেন স্টোকসের দখলে। প্রায় ২৭ বছর ধরে অ্যান্ড্রুর দখলে থাকা এই রেকর্ড গত ৭ মার্চ ভেঙে ফেলেন স্টোকস। ডারহামের জার্সি গায়ে ১৬১ রানের ইনিংসে হাঁকিয়েছেন ১৭টি ছক্কা।
অ্যাসেজ জয়ের পর সাইমন্ডস, ছবি: ইন্টারনেট
অ্যাসেজ জয়ের পর সাইমন্ডস, ছবি: ইন্টারনেট
সাইমন্ডসের অস্ট্রেলিয়ার হয়ে খেলার মনোবাসনা পুরণ হয় ১৯৯৮ সালে। কিন্তু সে যাত্রা সুমধুর ছিল না। দলে যাওয়া আসার মাঝেই ছিলেন তিনি। কিন্তু ২০০৩ সালে সত্যিকার অর্থে দলের সদস্য হয়ে উঠেন সাইমন্ডস। ছিলেন নিয়মিত। হয়ে উঠেন দলের ভরসার জায়গা। টি-টোয়েন্টির কলি যুগে অ্যান্ড্রু ছিলেন একজন ফেরিওয়ালা। ২০০৪ সালে কেন্টের হয়ে ৩৫ বলে সেঞ্চুরি করেছিলেন সাইমন্ডস। ২০০৮ সালে আইপিএলে ডেকান চার্জারের হয়ে খেলেছিলেন ৫৩ বলে ১১৭ রানের অপরাজিত ইনিংস।
সতীর্থদের চোখে যেমন ছিলেন সাইমন্ডস
গিলক্রিস্টের সাথে সাইমন্ডস, ছবি: ইন্টারনেট
গিলক্রিস্টের সাথে সাইমন্ডস, ছবি: ইন্টারনেট
ভাল মন্দ মিলিয়েই মানুষের জীবন। অ্যান্ড্রুও সেখানে ব্যাতিক্রম নয়। দলের জন্য তিনি ছিলেন সদা প্রস্তুত। নিজেকে বিলিয়ে দিয়েছেন সব সময়। তার সম্পর্কে সতীর্থ গিলক্রিস্টের মন্তব্যই যেখানে বড় প্রমান। তিনি বলেন, 'সে ছিলো হৃদয় ও মন উজাড় করে দেয়া টাইপের একজন মানুষ যে আপনাকে আনন্দ দিবে। খেলার প্রতি এটাই ছিলো সিমোর খাঁটি মনোভাব। এটা ছিলো খুব স্বাভাবিক: আপনি খেলেন কারণ আপনি খেলাটা উপভোগ করেন। আপনি কঠোর পরিশ্রম করার পর হয় জিতবেন বা হারবেন অথবা খেলা ড্র হয়ে যাবে। এরপর সতীর্থদের সাথে মিলে আপনি আবার প্রস্তুতি নিয়ে ফের মাঠে নামেন।' (He was a heart and soul type of guy that just made you happy. It was the most pure approach to sport from Symmo. It was simple: you play it because you enjoy it, you work hard, and then after it - win, lose or draw - you dust yourself off with your mates, and then you go again.) 
He was a heart and soul type of guy that just made you happy. It was the most pure approach to sport from Symmo. It was simple: you play it because you enjoy it, you work hard, and then after it - win, lose or draw - you dust yourself off with your mates, and then you go again.
সর্বোপরি, জীবন নদীর ওপারে পাড়ি জমানো অ্যান্ড্রু সাইমন্ডস প্রতি রইলো শ্রদ্ধা এবং গভীর ভালোবাসা। ওপারে ভাল থাকবেন 'রয়'!
খেলাধুলাক্রিকেট
আরো পড়ুন