আতঙ্কের আরেক নাম টাঙ্গাইল-ময়মনসিংহ ৫০ কি.মি. সড়ক
সারাদেশ
আতঙ্কের আরেক নাম টাঙ্গাইল-ময়মনসিংহ ৫০ কি.মি. সড়ক
আতঙ্কের আরেক নাম টাঙ্গাইল-ময়মনসিংহ ৫০ কি.মি. সড়ক
আতঙ্কের আরেক নাম টাঙ্গাইল-ময়মনসিংহ ৫০ কি.মি. সড়ক

ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কের পরেই অন্যতম ও ব্যস্ততম সড়ক টাঙ্গাইল-ময়মনসিংহ সড়ক। এলেঙ্গা থেকে এ সড়কের মধুপুর বন পর্যন্ত প্রায় ৪৫ থেকে ৫০ কি.মি.। এর মধ্যে প্রায় ১০ কি.মি. বন রয়েছে।  রাত হলেই এ সড়কের অধিকাংশ এলাকায় পরিনত হয় ‘ভুতুরে’ পরিবেশ। এই সড়কটি বাসে চলাচল করা নারীদের জন্য হয়ে উঠেছে একটি আতঙ্কের সড়ক। ইতোমধ্যে এ সড়কের বেশ কয়েকটি বাসে ডাকাতি ও ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। এমনকি এই সড়কে চলন্ত বাসে ধর্ষণের পর বাস থেকে ফেলে হত্যা করা হয় এক ছাত্রীকে। সর্বশেষ গত মঙ্গলবার (২ আগস্ট) একই সড়কে যাত্রীদের জিম্মি করে ডাকাতি ও  এক নারী যাত্রীকে ধর্ষণের ঘটনা ঘটে। এছাড়াও আরো ছোটখাটো ঘটনা ঘটেছে। পর্যাপ্ত পুলিশি টহল ও সড়ক বাতি না থাকায় অপরাধীরা যেন এই সড়কটিই বেছে নিয়েছেন। টাঙ্গাইল-ময়মনসিংহ সড়কে কালিহাতী, ঘাটাইল ও মধুপুর উপজেলায় থানা পুলিশ রয়েছে। এই মহাসড়ক দিয়ে ঘাটাইলের পাহাড়ী বন ধলাপাড়া-সাগরদিঘী সড়ক। এই সড়ক দিয়ে বনাঞ্চল হয়ে অনায়াসে ঢাকা, গাজীপুরে চলে যাওয়া যায়। অপরদিকে, মধুপুর বাসস্ট্যান্ড হয়ে জামালপুর, নেত্রকোনা, শেরপুর ও ময়মনসিংহ জেলায় চলে যাওয়া যায়। এছাড়াও এই মহাসড়কের মধুপুরের পাশেই রয়েছে বৃহৎ বনাঞ্চল।

সারাদেশময়মনসিংহধর্ষণ ও নির্যাতনটাংগাইল
আরো পড়ুন