Link copied.
চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি বিশ্ব: শক্তিশালী পৃথিবী গড়তে যেসব উদ্যোগ নিতে হবে বিশ্বনেতাদের
writer
৩১ অনুসরণকারী
cover
বিশ্ব নেতারা বর্তমানে ছয়টি পরস্পর সংযুক্ত চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি। এর জন্য দেশ ভেদে যদিও পন্থা এবং সমাধান ভিন্ন হবে, তবে একদম মূল পদক্ষেপ গ্রহণ করলে সকলেরই উপকার হবে। ২০২০ সাল ছিল বিশ্ব নেতাদের জন্য চ্যালেঞ্জ পূর্ণ এক বছর। কোভিড মহামারী সংশ্লিষ্ট অর্থনৈতিক, শিক্ষাগত ও জাতীয় নিরাপত্তা সংকট থেকে কোনো দেশই রেহাই পায়নি। সেই সাথে দাবানল, আগুন, হারিকেন এবং খরা সহ রেকর্ড সংখ্যক প্রাকৃতিক দুর্যোগের সাথে জলবায়ু পরিবর্তনের সমস্যাগুলি ইতিমধ্যেই আরও বেশি তীব্র হয়ে ওঠে। ভূ -রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা দেশগুলির মধ্যে নিত্যনৈমত্তিক হয়ে উঠে এবং সর্বত্র একটি বিভাজিত অবস্থার অভিজ্ঞতা হয়ে ওঠে। এতে করে দীর্ঘদিন ধরে ভঙ্গুর দেশগুলিকে প্রভাবিত হয়। আগে গণতন্ত্র ও স্থিতিশীলতার প্রধান হিসেবে দেখা হত যেসকল দেশগুলোকে সেগুলোর মধ্যেও নানান ক্লেশ শুরু হতে থাকে। এই চ্যালেঞ্জগুলি ২০২১ সালেও বহাল রয়েছে।

দেশগুলোর নাগরিক এবং ব্যবসায়ীরা তাদের সরকারী নেতাদের দিকে তাকিয়ে আছে যাতে তারা এই বড় আকারের, জটিল সমস্যাগুলি থেকে উত্তরণ করতে এবং শক্তিশালী হয়ে উঠতে সাহায্য করতে পারে। বেশিরভাগ স্টেকহোল্ডাররা মনে করছেন যে, ২০১৯ সালে যেমন পরিস্থিতি ছিল সেদিকে ফিরে যাওয়া কোনও বিকল্প নয়- এমনকি এটি লক্ষ্যও নয়। ২০২২ -এর কথা চিন্তা করে, তারা একটি উন্নত ভবিষ্যৎ চান।

যদিও দেশগুলোর সরকার যেসব চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হন তা প্রায় সার্বজনীন। সরকারী কাঠামো এবং আদর্শের উপর নির্ভর করে কীভাবে তারা এগুলোর মোকাবেলা করবেন তা উল্লেখযোগ্যভাবে পরিবর্তিত হতে পারে। সামগ্রিকভাবে সমাজের কল্যাণ ঝুঁকিতে রয়েছে, তাই সম্ভাব্য সমাধানগুলি সকল দেশের ক্ষেত্রেই অন্তর্ভুক্ত হওয়া প্রয়োজন। 
cover
চ্যালেঞ্জসমূহ
বিশ্বজুড়ে বৈষম্যের ক্রমবর্ধমান ধাপগুলো করোনা মহামারী সংকটের তীব্রতায় অবদান রেখেছে। এবং উল্লেখযোগ্য ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতা তৈরি করেছে। অর্থনৈতিক ও সামাজিক ব্যবস্থা প্রায়ই বৈষম্য বৃদ্ধি করে। তখন তা সামাজিক মেরুকরণকে বাড়িয়ে তুলতে পারে এবং জাতীয় নিরাপত্তা ক্ষুণ্ন করতে পারে। আরও টেকসই ভবিষ্যতকে নতুন করে গড়ে তোলার জন্য, সকল দেশের সরকারকে অবশ্যই ছয়টি মূল চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে হবে। যার মধ্যে মনোযোগ থাকবে বৈষম্য কমানো এবং সার্বজনীন সমৃদ্ধির প্রচারের উপর। যদিও প্রতিটি চ্যালেঞ্জ আলাদা এবং একসাথে তাদের উল্লেখযোগ্য পরস্পর নির্ভরতা রয়েছে। তাই একটিকে মোকাবেলায় ব্যর্থতা অন্যগুলোর উপর বিরূপ প্রভাব ফেলতে পারে। এজন্যই নির্বাহী-স্তরের সঠিক পরিকল্পনা সাফল্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হবে।

১। অর্থনীতি: ২০২০ সালে ৪৯৩ মিলিয়নেরও বেশি ফুল-টাইম চাকরি হারিয়েছে, যার অধিকাংশই নারী ও যুবক-যুবতীরা করত। এবং বিশ্বব্যাপী জিডিপি ৪.৩% হ্রাস পেয়েছে। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল উল্লেখ করেছে যে, শক্তিশালী সরকারী হস্তক্ষেপ না হলে এই সংকট আরও খারাপ হতে পারে। বিশ্বব্যাংক ২০২১ সালে একটি পরিমিত রিবাউন্ডের পূর্বাভাস দিচ্ছে। এখানে বৈশ্বিক উৎপাদনে ৪% বৃদ্ধি, বিস্তৃত কোভিড -১৯ ভ্যাকসিনেশন সাফল্য এবং বেসরকারি খাতের প্রবৃদ্ধি এবং সরকারি খাতের ঋণ হ্রাসকারী সরকারি নীতি ও কর্মসূচির উপর নির্ভরশীল।

২। স্বাস্থ্যসেবা: স্বাস্থ্যসেবার ক্ষেত্রে বিশ্বব্যাপী ব্যয় ২০২০ সালে ১.১% কমে যাওয়ার আশা করা হয়েছিল। কারণ ধারণা করা হয়েছিল কোভিড-১৯ সম্পর্কিত নয় এমন অসুস্থতার চিকিত্সা বিলম্বিত বা বাতিল হতে পারে। কিছু ক্ষেত্রে রোগীরা আসলেই বাতিলের উদ্যোগ নিয়েছে। এক্ষেত্রে সীমাবদ্ধতাগুলো একটি বড় কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এবং এই সমস্ত অপর্যাপ্ত যত্নের ফলে ২০২১ এবং ২০২২ সালে স্বাস্থ্যসেবা চ্যালেঞ্জ বাড়বে বলে ধারণা করা হচ্ছে। কোভিড -১৯ স্বাস্থ্যসেবা মূল্য শৃঙ্খলের প্রায় প্রতিটি উপাদানে প্রতিবন্ধকতা তুলে ধরেছে, যেমন সাপ্লাই চেইন, প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা,ওষধ, প্রাথমিক যত্ন এবং রোগীর চিকিৎসা সুবিধা ইত্যাদি।
মাঝারি এবং দীর্ঘমেয়াদে, দেশগুলোকে ভবিষ্যতের বিরূপ জনস্বাস্থ্যের ঘটনার প্রভাব কমাতে স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থাকে আরও স্থিতিস্থাপক করার উপায়গুলি মূল্যায়ন করতে হবে।

৩। শিক্ষা: মহামারীর আগে বেশিরভাগ দেশে শিক্ষা সংস্কার কর্মসূচিতে ছিল। এটি অনুমান করা হয়েছিল যে নিম্ন-আয়ের দেশগুলিতে ৯০ শতাংশ, মধ্যম আয়ের দেশে ৫০ শতাংশ এবং উচ্চ-আয়ের দেশগুলিতে ৩০ শতাংশ শিক্ষার্থীরা কাজ এবং জীবন চালানোর জন্য প্রয়োজনীয় জীবন দক্ষতা ছাড়াই মাধ্যমিক বিদ্যালয় ছেড়ে যেতে বাধ্য হয়। মহামারী চলাকালীন সময়ে ১৮০ টিরও বেশি দেশে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান অস্থায়ীভাবে বন্ধ হয়ে যাওয়ার ফলে সমস্যাটি আরও বেড়ে যায়। আনুমানিক ১.৬ বিলিয়ন শিক্ষার্থীদের স্কুল থেকে দূরে রাখা হয়। বেশিরভাগ শিক্ষাবিদ শিক্ষার্থীদের কাছে দূরবর্তী শিক্ষা, অনলাইনে শিক্ষা পৌঁছে দিতে অক্লান্ত পরিশ্রম করেছেন। কিন্তু প্রয়োজনীয় টুলস এবং ব্যবস্থা সীমিত থাকায় ফলাফল মিশ্রিত হয়েছে। ইউনিসেফ অনুমান করে যে স্কুল বন্ধের ফলে, ২৪ মিলিয়ন শিশু ঝরে পড়ার ঝুঁকিতে পরিণত হয়েছে। এবং ৩৭০ মিলিয়ন শিশুদের মধ্যে যারা স্কুলের খাবারের উপর নির্ভরশীল ছিল, তারা অপুষ্টিতে ভুগতে পারে।

সকল শিক্ষার্থীদের উন্নততর সেবা প্রদানের জন্য ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা কর্মসূচির পরিবর্তনের পাশাপাশি, সরকারদেরকে অবশ্যই প্রাপ্তবয়স্ক শিক্ষার মাধ্যমে কীভাবে একটি উন্নত ভবিষ্যতের পথ সুগম করতে হবে তা নির্ধারণ করতে হবে। বেকারত্ব মোকাবেলা এবং অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারের প্রবৃদ্ধি ডিজিটাল আপস্কিলিং সহ প্রাপ্তবয়স্কদের রিস্কিলিং প্রোগ্রামের উপর নির্ভর করতে হবে। ভার্চুয়াল লার্নিং এর দিকে চলতে থাকলে কিভাবে উচ্চশিক্ষার অর্থায়ন করা উচিত তা সরকারী নেতাদেরও নির্ধারণ করতে হবে। সকল স্তরে শিক্ষাগত রূপান্তরের জন্য ডিজিটাল সক্ষমতা, পাঠ্যক্রম পুনর্বিবেচনা, নতুন শেখার পদ্ধতির ব্যবহার, শিক্ষকদের দক্ষতা এবং কাঠামোগত পুনর্নির্মাণের সমন্বয় প্রয়োজন হবে। 
cover
৪। জাতীয় নিরাপত্তা

প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা বাহিনীর প্রয়োজনীয়তা বিস্তৃত হয়েছে। এবং সমালোচনামূলক হতে থাকবে। মহামারী শুরুর পর থেকে বিশ্বের ৯১% এরও বেশি জনসংখ্যা কোন না কোনভাবে লকডাউন এবং সীমান্ত সীমাবদ্ধতার মধ্যে ছিল এবং এখনও কিছু আছে। পুলিশ এবং নিরাপত্তা সংস্থা, প্রযুক্তি এবং বেসরকারি নিরীক্ষণ এবং নিষেধাজ্ঞাগুলি প্রয়োগ করতে ব্যবহৃত হয়েছে। উপরন্তু, সীমান্ত ব্যবস্থাপনা নীতিগুলি ভাইরাস এবং ভ্যাকসিনের নতুন তথ্যের উপর ভিত্তি করে পরিবর্তিত হতে থাকে।

মহামারী চলাকালীন অনেক দেশে সহিংসতা, ডাকাতি এবং লুটপাট সহ অপরাধ বেড়েছে। তাই সমাবেশ এবং বিক্ষোভ সহ রাজনৈতিক অনুষ্ঠানও বিরাজ আছে। গবেষকরা অনুমান করছেন যে লকডাউন, বেকারত্ব এবং নাগরিকদের মধ্যে হতাশা এই অপরাধ এবং ঘটনাগুলোকে তীব্র করতে ভূমিকা রেখেছে। কিছু সমাবেশ এবং বিক্ষোভকে "সুপার-স্প্রেডার" ঘটনা হিসাবেও বিবেচনা করা হয়েছে। সামাজিক দূরত্বের অভাব এবং অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে পর্যাপ্ত ও সঠিকভাবে মাস্ক না পরার কারণে কোভিড -১৯ সংক্রমণ বৃদ্ধি পেয়েছে। ডিজিটাল নিরাপত্তা শারীরিক নিরাপত্তার সমান বা তার চেয়েও বড় ঝুঁকি হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। সাইবার ক্রাইম নাটকীয়ভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে কারণ সরকার এবং ব্যবসায়গুলি আরও ডিজিটাল হওয়ার দৌড়ে এগিয়ে চলছে। লকডাউন-পরবর্তী পরিবেশে, অভিবাসন, সীমান্ত ব্যবস্থাপনা এবং রাজনৈতিক ঘটনা সম্পর্কিত নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা চ্যালেঞ্জ ছাড়াও সরকারকে অবশ্যই তাদের ডিজিটাল এজেন্ডার সাথে যুক্ত ঝুঁকি মোকাবেলা করতে হবে।

৫। জলবায়ু 

বিশ্ব যখন কোভিড -১৯ এর বিরুদ্ধে লড়াই করেছে, তখনও জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুদ্ধে সংগ্রাম অব্যাহত রয়েছে। নাসার রেকর্ডে আনুষ্ঠানিকভাবে ২০২০ সাল সবচেয়ে উষ্ণতম বছর হিসেবে স্থান পেয়েছে। আরও বিগত সাত বছর মানব ইতিহাসের সবচেয়ে উষ্ণতম বছর হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। হারিকেন, দাবানল, বন্যা এবং তাপপ্রবাহ সহ চরম আবহাওয়া সম্পর্কিত ঘটনাগুলি ২০২০ সালে প্রচুর ছিল। উচ্চাভিলাষী জলবায়ু এজেন্ডা নির্ধারিত হয়েছে, ডিকার্বনাইজেশনকে ত্বরান্বিত করার জন্য নীতি, প্রবিধান এবং প্রণোদনা তৈরির প্রতিশ্রুতি দিয়ে। কিন্তু বর্তমানে মাত্র দুটি দেশ তাদের প্যারিস চুক্তির লক্ষ্য পূরণ করছে। অনেকে "সবুজ পুনরুদ্ধার" প্রোগ্রামের মাধ্যমে একটি ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে সক্ষম হতে পারে। যে দেশগুলো কোন নির্দিষ্ট পরিকল্পনা মানছে না তাদের অবশ্যই দুর্যোগ প্রস্তুতি এবং জলবায়ু অভিযোজনের কৌশল বিবেচনা করতে হবে।

৬। আস্থা 

বিশ্বব্যাপী অসত্য তথ্যের জন্য বছরে প্রায় ৭৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার খরচ হয়। এর মধ্যে কিন্তু সামাজিক প্রভাব অন্তর্ভুক্ত নয়, তারমানে আর্থ-সামাজিক প্রভাব বাদ দিয়েই মিথ্যা তথ্যের জন্য ক্ষতি পোহাতে হয় ৭৮ বিলিয়ন ডলার! অনেক দেশে, এটি সরকারী নেতাদের উপর আস্থা হ্রাস করে এবং নির্বাচনের গতিপথকে প্রভাবিত করে। সুস্পষ্ট কাঠামো, ভূমিকা এবং নাগরিকদের চাপা উদ্বেগ এবং দক্ষ প্রতিক্রিয়ার অভাব শুধুমাত্র বিশ্বাসের ক্ষয়কে যৌক্তিক করে তোলে। কোভিড -১৯ মহামারীর শুরুতে সরকারের প্রতি আস্থা বেড়েছে। কিন্তু ২০২১ এডেলম্যান ট্রাস্ট ব্যারোমিটারের মতে, নানান দেশের সরকার ন্যূনতম নৈতিক এবং সর্বনিম্ন সক্ষম স্টেকহোল্ডার হিসাবে বিবেচিত হয়েছে। মন্ত্রণালয় এবং সংস্থাগুলিকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। বর্তমান সংকটটিও তুলে ধরেছে যে কীভাবে জাতীয় বনাম স্থানীয় সরকারের ভূমিকা এবং দায়িত্ব সম্পর্কে স্পষ্টতার অভাব কাঠামোকে দুর্বল করে তোলে। স্বচ্ছতা সৃষ্টি এবং বিশ্বাস পুনরুদ্ধারের জন্য প্রয়োজনীয় নিয়ম, নীতি, সাংগঠনিক কাঠামো এবং দক্ষতার সমন্বয় এখনই জরুরিভাবে চিহ্নিত করতে হবে।

cover
তিনটি পথ

যদিও চ্যালেঞ্জগুলি মোটামোটি কঠিন, এগুলো আবার সুযোগের প্রতিনিধিত্ব করে। একজন বিখ্যাত বিশ্বনেতা একবার ঘোষণা করেছিলেন যে, কখনোই একটি ভালো সংকট নষ্ট করা উচিত নয় — এটি এমন একটি দর্শন যা অনেক সরকার ২০২১ সালে গ্রহণ করেছে। ছয়টি চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় যখন তিনটি গুরুত্বপূর্ণ উত্তরণের পথ ব্যবহার করা হয়, তখন দেশ থেকে দেশে সরকারগুলো একটি শক্তিশালী, আরো স্থিতিস্থাপক এবং আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ অর্জনে সফল হতে পারে।

১। ডিজিটাল 
সরকারসমূহ নাগরিক সেবা, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা এবং সামাজিক সুরক্ষা ক্ষেত্রের অ্যাক্সেস বাড়ানোর জন্য একটি ডিজিটাল এজেন্ডা চালাচ্ছে। ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম যদি কৌশলগতভাবে নিযুক্ত করা হয় তাহলে এটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হিসাবে কাজ করতে পারে।

২। অংশীদারিত্ব
পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ বড় আকারের অবকাঠামো খাতে একটি স্ট্যান্ডার্ড ফাইন্যান্সিং ব্যবস্থাপনায় পরিণত হয়েছে। সরকারী, বেসরকারী এবং বহুপক্ষীয় সম্প্রদায় জুড়ে অংশীদারিত্বের একটি নতুন রূপ উদ্ভূত হচ্ছে, তবে এর জন্য গ্রাউন্ডব্রেকিং প্রোগ্রামের নকশা, উন্নয়ন এবং অর্থায়নে গভীর সহযোগিতা প্রয়োজন। এই ধরণের দীর্ঘমেয়াদী অংশীদারিত্ব উল্লেখযোগ্যভাবে পুনরুদ্ধার, উদ্ভাবন এবং বৃদ্ধিকে ত্বরান্বিত করতে পারে।

৩। গ্রিন প্রোগ্রাম
অনেক সরকার তাদের অর্থনৈতিক উদ্দীপনা প্যাকেজে অবকাঠামো অন্তর্ভুক্ত করছে। এর একটি ভাল কারণ রয়েছে: অর্থনৈতিক নীতি ইনস্টিটিউটের একটি প্রতিবেদনে অনুমান করা হয়েছে যে এই ধরনের বিনিয়োগ একটি অর্থনৈতিক গুণক হিসেবে কাজ করছে। প্রতি ১০০ বিলিয়ন ইউএস ডলারের অবকাঠামোতে রেখে ১ মিলিয়ন পূর্ণকালীন চাকরি প্রদান করা হয়। অবকাঠামোর সুবিধা ছাড়াও অগ্রণী-চিন্তাশীল দেশগুলি এমন টেকসই কর্মসূচির লক্ষ্যবস্তু করছে যা প্যারিস চুক্তির নেট-শূন্য লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে সহায়তা করবে যখন বৃদ্ধি ঘটবে এবং ভবিষ্যতের চাকরি প্রদান সুনিশ্চিত করবে। 
Reference:
https://www.pwc.com/gx/en/issues/reinventing-the-future/take-on-tomorrow/government-challenges.html

Ridmik News is the most used news app in Bangladesh. Always stay updated with our instant news and notification. Challenge yourself with our curated quizzes and participate on polls to know where you stand.

news@ridmik.news
support@ridmik.news
© Ridmik Labs, 2018-2021