Link copied.
অসহায়-অভাবী ও ক্ষুধার্তদের খিদে মেটাতে বিনামূল্যে ‘খুশির ঝুড়ি’
writer
৫৩৫ অনুসরণকারী
cover
দোকানের সামনে ছোট্ট ঝুড়ি। ঝুড়ির মধ্যে রয়েছে কেক, বিস্কুট, লেবু, মাস্ক আরও কত কী। দোকানে এসে অসহায়-অভাবী ও ক্ষুধার্ত মানুষ সেই ঝুড়ি থেকে খাবার নিয়ে খিদে মেটাচ্ছেন। ঝুড়ির উপরে ব্যানারে লেখা রয়েছে "খুশির ঝুড়ি"। অসহায় ক্ষুধার্ত মানুষদের জন্য এই খুশির ঝুড়ি। অসহায় যারা, তারা এই ঝুলি থেকে খাবার নিতে পারেন৷ সেখানে এসে দৈনিক বিস্কুট খেয়ে যান ভবঘুরেরাও। এভাবেই অসহায়-অভাবী ও ক্ষুধার্ত মানুষের সেবা করে যাচ্ছেন সুব্রত নাথ ও তার স্ত্রী প্রিয়া নাথ। ঘটনাটি ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের বনগাঁর চম্পক সরণি মোড়ে। ‘খুশির ঝুড়ি’র বিষয়ে জানা যায়, পশ্চিম পাড়ার বাসিন্দা দম্পতি সুব্রত নাথ। চম্পক সরণি মোড়ে তাদের একটি চায়ের দোকান রয়েছে। সুব্রত নাথ জানিয়েছেন, তার স্ত্রী অতীতে অনেক আর্থিক অনটনের মধ্যে দিন কাটিয়েছিলেন। স্ত্রীর ইচ্ছাতেই এই খুশির ঝুড়ি চলছে। ঝুড়িতে বিভিন্ন খাদ্যসামগ্রী রাখেন তিনি। কোনো ক্ষুধার্থ ভ্যানচালক অথবা পথচারী, কিংবা কোন ভবঘুরে দোকানে এসে চা খেতে চাইলে তাদের বিনা পয়সায় ওই ঝুড়ি থেকে তাদের পছন্দ মতো খাবার তুলে নিতে বলা হয়। বহু মানুষ সেখানে এসে দাঁড়িয়ে থাকলেও মুখ ফুটে খিদের কথা বলতে পারেন না। তাদের মুখ দেখেই বুঝে নেন সুব্রতবাবু। তাদেরকে খাদ্যসামগ্রী দেন। দৈনিক জনা কুড়ি ক্ষুধার্ত মানুষের মুখে খাবার তুলে দেন তিনি। বছরখানেক ধরে দোকানের সামনে এই খুশির ঝুড়ি রয়েছে। কিন্তু এই খাবারগুলো দেন কারা? এমন প্রশ্নে তিনি জানালেন, দোকানে এসে অনেক ক্রেতাই খুশির ঝুড়িতে খাবার কিনে রেখে যান। এছাড়া কয়েকজন ভবঘুরের খাবারের ব্যবস্থা নিজেই করেন। 

Ridmik News is the most used news app in Bangladesh. Always stay updated with our instant news and notification. Challenge yourself with our curated quizzes and participate on polls to know where you stand.

news@ridmik.news
support@ridmik.news
© Ridmik Labs, 2018-2021