Link copied.
গন্তব্যহীন শরণার্থীদের জীবন যে নির্বাক করুণ গল্পে তৈরি!
writer
৩১ অনুসরণকারী
cover
আমাদের প্রিয় এই পৃথিবীটা প্রতিদিন মানবজাতির কঠোরতার সাক্ষী। যুদ্ধ, সংগ্রাম, সংঘাত এবং নিপীড়ন প্রায় প্রতিদিন এবং সর্বত্র ঘটছে, যার ফলে মানুষের দুর্ভোগ ক্রমেই বাড়ছে বৈ কমছে না। এবং যুদ্ধ-বিগ্রহের সবচেয়ে খারাপ ফলাফল হল লক্ষ লক্ষ শরণার্থীদের সৃষ্টি। আমরা প্রায়শই দেখি মানুষ তাদের নিজ দেশের সহিংসতা থেকে পালিয়ে যেতে এবং নিরাপদ আশ্রয় চাইতে বাধ্য হয়। এমনকি অন্য দেশে যাওয়ার সময়, গ্রহীতা দেশ তাদের সাথে কীভাবে আচরণ করতে চলেছে সে সম্পর্কে কোনও ধারণা ছাড়াই তারা বিশাল জীবনের ঝুঁকি নেয়, কেবল এক নিরাপদে মাথা রাখার জায়গার খোঁজে। আগের সাধারণ জীবন ছেড়ে, মাতৃভূমি ছেড়ে সেই সাথে আগের জীবন আর দেশের সাথে সম্পৃক্ত সবকিছুর বন্ধন ছেড়ে একটি সম্পূর্ণ নতুন অদ্ভুত জায়গায় জীবন শুরু করা মোটেও সহজ শোনাচ্ছে না, তাই নয় কি?

  •  শরণার্থীদের জীবন আসলে কেমন?

শরণার্থীরা আমাদের মতই সাধারণ মানুষ, কিন্তু যুদ্ধ এবং নিপীড়নের কারণে তারা তাদের সবকিছু হারিয়ে অসহায়। নিপীড়ন, সহিংসতা তাদের জন্মভূমিতে তাদের জীবনকে ভয়াবহ করে তোলে। সেখানকার শিশুরা পৃথিবীর অন্যান্য শিশুদের মতো স্বাভাবিক জীবন পায় না। তারা নিরাপদে স্কুলে যেতে পারে না। যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশের জনপদ রাতে শান্তিতে ঘুমাতে পারে না। যদি এরপরে আমার বাড়িতেই বোমা হামলা হয়, যদি আমার বাচ্চারা নিরাপদে স্কুল থেকে বাড়ি ফিরতে না পারে, এমন অসংখ্য ভয় আতঙ্ক তাদের শান্তির নিঃশ্বাস নিতেও দেয় না। যখন তারা প্রতি মিনিটে তাদের জীবনের অনিশ্চয়তা টের পায়, তখন সহিংসতা থেকে পালানোর সিদ্ধান্ত নেয়। কিন্তু না, এখানেই তাদের সংগ্রামের শেষ নয়। বরং এই থেকেই শুরু হয় সংগ্রামের আরেকটি নতুন পর্ব।

এক সীমান্ত থেকে অন্য সীমান্তে যাওয়ার সময় তারা জীবনের যে ঝুঁকি নেয় তা অকল্পনীয়। কখনও কখনও তাদেরকে নৌকায় করে বিশাল সমুদ্র অতিক্রম করতে হয়। এই উত্তাল সমুদ্র যাত্রায় অনেকেই তাদের জীবন হারায়। অনেক বাবাকে নিজ চোখে অসহায়ভাবে সাক্ষী হতে হয় তাদের সন্তানদের ডুবে গিয়ে মারা যাওয়ার, অনেক ছোট বাচ্চারা এ যাত্রায় হয়ে পরে জীবনের জন্য এতিম। কখনও কখনও তাদের গন্তব্য দেশে পৌঁছানোর জন্য মাইলের পর মাইল হাঁটতে হয়। লম্বা পথ হাঁটতে নানান ঝক্কি ঝামেলার পাড়ি দিতে হয়, এমন যাত্রায় প্রায়শই সীমান্তরেখায় অনেকে নিহত হয়। 
cover
কঠিন যাত্রার পর্যায় শেষে, যারা টিকে থাকতে সক্ষম হয় সংগ্রামে সফল হয়ে, যারা শেষ পর্যন্ত এটাকে সম্ভব করে তোলে, তাদের জন্য সামনে আসে আরেকটি সংগ্রামী যাত্রা, একটি নতুন অজানা পরিবেশে। এক নিরাপদ জীবন লাভের জন্য প্রবেশ করে নতুন দেশে; তাদের বাচ্চাদের স্কুলে পাঠাতে চায়, জীবনযাপনের জন্য নিরাপদে কাজ করতে যেতে সুযোগ পেতে চায়, মর্যাদা ও স্বাধীনতার সাথে জীবন যাপন করতে চায়। আর এই নতুন সূচনায় কি তাদের সব ইচ্ছা পূরণ হয়?

"I Hear You" নামে একটি আন্তর্জাতিক প্রকল্প আছে। প্রকল্পটি বিশ্বজুড়ে উদ্বাস্তুদের গল্প তুলে ধরে। তবে শরণার্থীরা তাদের নিজেদের করুণ গল্প বিশ্বের সাথে সরাসরি ভাগ করে নিতে পারে না কারণ এতে করে অনেক সময়েই তারা রাজনৈতিক হুমকির সম্মুখীন হতে পারে। যেহেতু তারা হুমকির কারণে তারা বিশ্বের সাথে সরাসরি কথা বলতে পারে না, তাই এই প্রকল্পটি সিরিয়া, গণপ্রজাতন্ত্রী কঙ্গো এবং বুরুন্ডি থেকে আসা শরণার্থীদের কথা তাদের হয়ে বলে এবং ব্যাখ্যা করে। এখানে আমরা তাদের বর্ণনায় কিছু শরণার্থীর কথা শুনি।

শুনুন ২১ বছর বয়সী একজন আইনের ছাত্রের কথা। সে একজন বড় স্বপ্নদর্শী যিনি মানুষের সেবায় নিজেকে নিয়োজিত করতে সফল আইনজীবী হতে চেয়েছিল। বর্তমানে তারা চার বছর ধরে শরণার্থী শিবিরে বসবাস করছেন। সে সত্যিই তার মাতৃভূমি, তার বাসস্থান, তার আত্মীয় এবং বন্ধুদের শূন্যতা অনুভব করে সেখানে। তাকে সবচেয়ে বেশি কষ্ট দেয় তার সবচেয়ে কাছের বন্ধুটির অনুপস্থিতি। তার কলেজে বোমা হামলার পর যখন তারা সে অঞ্চল থেকে পালিয়ে যায়, সেই থেকে সে তার সবচেয়ে কাছের বন্ধুটির আর কোন খবর পায় নি। এখন একজন শরণার্থী হিসাবে, সে অন্যান্য সমস্যা বিবেচনা করে মেনে নিলেও তার জন্য সবচেয়ে কঠিন বিষয় হচ্ছে এখানে পর্যাপ্ত শিক্ষা ব্যবস্থার অভাব মেনে নেওয়া। আগেই উল্লেখ করা হয়েছে যে, সে একজন স্বপ্নদ্রষ্টা; সে আইনকে ভালোবাসে এবং এমন লোকদের সাহায্য করতে চান যাদের তার সাহায্যের খুবই প্রয়োজন হবে। একটি উদ্ভাস্তু শিবিরে বসবাস করা সত্ত্বেও সে আশা করে যে একজন ভাল আইনজীবী হিসেবে একদিন তার স্বপ্ন পূরণ হবে।

আরেকজন শরণার্থী যিনি আগে তার দেশে একজন স্কুল শিক্ষক ছিলেন। তার হতাশা প্রকাশ পায় এ বিষয়ে যে তার ছাত্ররা শিবিরে থেকে স্কুলে যেতে পারছে না কারণ ক্যাম্পে কোন স্কুল নেই। শিক্ষার্থীদের বই, কলম নেই। পড়ানোর, লেখার এবং শেখার কোন সরঞ্জাম নেই। কখনও কখনও তিনি বাচ্চাদের শেখানোর জন্য সাধারণ সরঞ্জাম এবং বর্জ্য পণ্যগুলি ব্ল্যাকবোর্ড হিসাবে ব্যবহার করে থাকেন। তিনি জানান যে সুযোগ -সুবিধার অভাবে উজ্জ্বল মেধাবী শিক্ষার্থীরা প্রস্ফুটিত হচ্ছে না। এই অবস্থায়, তিনি কেবল নিকট ভবিষ্যতে ভালোর আশা করতে পারেন। 
cover
সিরিয়া, বুরুন্ডি, গণপ্রজাতন্ত্রী কঙ্গো, মায়ানমার, আফগানিস্তান, আফ্রিকা, সোমালিয়া, লিবিয়া এবং আরও অনেক স্থানের লক্ষ লক্ষ শরণার্থী রয়েছে। বিশ্বব্যাপী ৭০ মিলিয়নেরও বেশি, মানে সাত কোটিরও বেশি মানুষ তাদের বাড়িঘর ছেড়ে অন্যত্র শরণার্থী হিসেবে আশ্রয় গ্রহণ করতে বাধ্য হয়েছে। তারা যে মৌলিক অধিকারের সন্ধানে ছুটে চলছে তা এমনকি কোথাও পূরণ হচ্ছে না। এটি আপনাকে হতবাক করে দিতে পারে যে, চার মিলিয়ন জনসংখ্যার দেশ লেবাননে আশ্রয় নিয়েছে সিরিয়া থেকে এক মিলিয়ন নিবন্ধিত শরণার্থী। এর ফলে দেশটিতে উচ্চ মাত্রার দারিদ্র্য এবং খাদ্য নিরাপত্তাহীনতা দেখা দিয়েছে। এখন দেশটি এমন এক কঠিন পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে যে এটি তার নিজের বাসিন্দাদের এবং শরণার্থীদের যথাযথ মৌলিক চাহিদা সরবরাহ করতে পারে না। তরুণদের মাঝে বেকারত্ব বাড়ছে; এমনকি দেশের শিক্ষার হারও বিশাল ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে।

সকল দেশের মধ্যে সিরিয়া দীর্ঘতম সংঘাতের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। দশ বছরেরও বেশি সময় ধরে, সর্বোচ্চ সংখ্যক মানুষ এখান থেকে বাস্তুচ্যুত হয়েছে। তের মিলিয়নেরও বেশি মানুষ তাদের বাড়ি, নিজ এলাকা থেকে বাস্তুচ্যুত হয়েছে, তাদের মধ্যে ছয় মিলিয়ন মানুষ অন্যদেশে উদ্বাস্তু হয়েছে। এবং দুঃখজনকভাবে তাদের প্রায় অর্ধেকই শিশু। এই অল্প বয়সে, তাদের জন্য নিজের দেশ, নিজের বাড়ি, স্কুল, বন্ধু এবং আত্মীয়স্বজনদের ছেড়ে যাওয়া কেমন ভারী কষ্টকর অনুভূতি নয় কি? এবং সম্পূর্ণ নতুন ভিন্ন জায়গায় এবং শরণার্থী শিবিরে বসবাস শুরু করা কতটা ভয়ঙ্কর তাদের জন্য। এই শিশুমনে তারা কীভাবে সামলে নিতে পারে এই ভয়ানক নিষ্ঠুর পরিস্থিতি। সারা জীবনের জন্য তাদের মনে একটি বড় দাগ কেটে রাখবে এমন পরিস্থিতি। তারা মানসিক, শারীরিক দিক দিয়েও ভীষণ রকমের প্রভাবিত হয়। কিছু ছোট বাচ্চাদের ভয়ঙ্কর অভিজ্ঞতা শুনে আপনার হৃদয় ভেঙে যাবে।

সেলিম নামের এক শিশু তার মায়ের সাথে দেশ ছেড়ে আসে। সাথে কেবল গ্রীষ্মের কিছু কাপড় ব্যাকপ্যাকে নিয়ে। যে দেশে তারা আশ্রয় নিয়েছিল, সেখানে যখন শীতকাল ছিল এবং তাপমাত্রা প্রায় শূণ্যের কোঠায় ছিল, তখন সেলিমের জন্য শরণার্থী শিবিরে একটি তুষার-ঢাকা তাঁবুতে উষ্ণ থাকার জন্য সাধারণ গ্রীষ্মের পোশাক ছাড়া আর কিছুই ছিল না। কিন্তু ছোট্ট সেলিমের জন্য তখন খাদ্য, কম্বল, শীতের কাপড় এবং একটি উষ্ণ আশ্রয়ের তীব্র প্রয়োজন ছিল, কিন্তু কোনও সামর্থ্য ছিল না। এই ভয়াবহ ঠান্ডার দিনগুলো এই শিশুটির জন্য ছিল অত্যন্ত নিষ্ঠুর। এবং কেবল সেলিম একাই নয়, সেখানে লক্ষ লক্ষ শিশু শরণার্থী শিবিরে ঠান্ডার কষ্টে ভুগছে এবং নিথর হয়ে মারা যাচ্ছে।

আহমদ নামে আরেকটি শিশু সিরিয়ার অভ্যন্তরীণ সহিংসতা থেকে পালিয়ে আসে। সে এখন দশ হাজার লোকের জন্য নির্মিত একটি ক্যাম্পে বসবাস করছে। কিন্তু ক্যাম্পটিতে আসলে পঞ্চাশ হাজার মানুষ বসবাস করছে। দশ হাজার শরণার্থী ধারনকারী ক্যাম্পে থাকছে তার ধারণক্ষমতার পাঁচগুণ বেশি মানুষ। সেখানকার ভয়াবহ পরিবেশ কল্পনা করার জন্য কোন শব্দ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কিন্তু এখানকার ই ছোট্ট ছেলে আহমেদ ইরাকে বিশ্ব ম্যারাথন চ্যালেঞ্জ দৌড়ে অংশ নেয়। সে এই ম্যারাথনে দৌড়ে যেন অন্য শিশুদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করা যায়। এমন অল্পবয়সী নায়কদের দেখাও মেলে সেখানে।  
cover
শরণার্থীদের করুণ কাহিনী লিখে শেষ করার মত নয়। পাঁচ সন্তানের জনক ইয়াসির পরিবার নিয়ে পালিয়ে আসেন। স্নাইপার এবং ক্ষেপণাস্ত্র হামলা তাদের জীবনকে ভয়াবহ করে তুলেছিল। শিশুদের জন্য স্কুলে যাওয়া খুব ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছিল। পরিস্থিতি এতটাই দুর্বিষহ ছিল যে তার সন্তানেরা সহজেই চিনতে পারত কোন অস্ত্র কোন শব্দ করে। কোন হামলার শব্দ শুনেই বুঝতে পারত যে কোন অস্ত্র ব্যবহার করে হামলা হয়েছে। পালিয়ে যাওয়ার পরও তার পরিবারের শিশুরা সবসময় তাদের জীবন নিয়ে ভীত সন্ত্রস্ত হয়ে থাকে। ইয়াসিরের ১৪ বছরের ছেলে প্রতি রাতে ঘুমাতে যাওয়ার সময় যে আতঙ্ক অনুভব করে, সে তার সেই ভয়ঙ্কর অনুভূতি প্রকাশ করে। ভয় তাকে এমনভাবে ঘিরে ফেলেছে যে সে সবসময় ভাবতে থাকে যদি সে পরের দিন সকালে ঘুম থেকে উঠতে না পারে, আর যদি কখনো তার নতুন কোন দিন দেখা না হয়, যদি সে ধ্বংসস্তুপে হারিয়ে যায় এমন নানান আতঙ্ক। ইয়াসিরের আরেকজন শিশুসন্তান যার বয়স এখন ১০ বছর, তার অভিজ্ঞতা আরও দুঃখজনক। শরণার্থী শিবিরে যাওয়ার সময় তার চোখের চশমা হারিয়ে যায়। তার কথাগুলো আপনাকে অশ্রুসিক্ত করে দিবে, সে বলে,  
সবকিছু ইতিমধ্যেই ভীষণ অদ্ভুত আর পীড়াদায়ক, কিন্তু এরইমধ্যে এখন দৃষ্টিও অস্পষ্ট। এই পরিস্থিতিতে স্পষ্ট দেখতে না পারা খুবই ভীতিকর।
cover
এই সব শরণার্থী শিশুরা সঠিক খাদ্য, বস্ত্র, চিকিৎসা এবং শিক্ষা থেকে বঞ্চিত। শুধু তাদের মাথা রাখার জন্য একটি ছোট জায়গা আছে। এই নিয়েই কীভাবে তারা সামনের আগত দিনে একটি শান্তিপূর্ণ জীবনের স্বপ্ন দেখতে পারে?

শরণার্থীরা তাদের বেঁচে থাকার জন্য লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে সবসময়েই। এরই মধ্যে ২০২০ সালে শুরু হয় আরেকটি সংগ্রাম, কোভিড -১৯ মহামারী। একেই তারা মৌলিক চাহিদা পেতেই হিমশিম খাচ্ছে, এরমাঝে এই মহামারী কীভাবে সামলে নিবে? এটা চিন্তা করতেই ভয়ঙ্কর ঠেকে যে তারা কীভাবে শরণার্থী শিবিরে গাদাগাদি অবস্থায় বসবাস করে সংক্রমণ মোকাবেলা করবে। তাদের গ্রহীতা আয়োজক দেশগুলির সরকার কীভাবে তাদের সকলের জন্য টিকার সম্পূর্ণ মাত্রার ব্যবস্থা করতে পারে, সেটাই এখন বড় উদ্বেগের প্রশ্ন। এটি অনেকটা স্বস্তির যে অনেক আয়োজক দেশই শরণার্থীদের জন্য টিকা কর্মসূচির সত্যিই ভাল দেখবাল করছে। আমাদের দেশে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের জন্য সরকার সম্পূর্ণ টিকার ব্যবস্থা নিয়েছে এবং অনেকের টিকা সম্পন্নও হয়েছে সঠিকভাবে। এবং এমনটিই স্বাভাবিক হওয়া উচিত যেহেতু আমরা সবাই একই পৃথিবীর বন্ধন ভাগ করে নিচ্ছি। সবার জন্য সমান মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠা হওয়াটাই উচিত। 
cover
আমাদের চারপাশে মানুষের এত দুর্বিষহ জীবন দেখেও আমাদের নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করা উচিত নয়। সময় এসেছে আন্তর্জাতিক সংহতি দেখানোর। আমাদের মন, আমাদের হৃদয় এবং আমাদের দেশের সীমানা অসহায় শরণার্থী মানুষের জন্য খোলা রাখা প্রয়োজন। আমরা সবাই একই আকাশ ভাগাভাগি করে নিই, একটাই ছাঁদ আমাদের, তাই আমরা সবাই একে অপরের জন্য পাশে থাকা উচিত। 

Ridmik News is the most used news app in Bangladesh. Always stay updated with our instant news and notification. Challenge yourself with our curated quizzes and participate on polls to know where you stand.

news@ridmik.news
support@ridmik.news
© Ridmik Labs, 2018-2021