Link copied.
লকডাউনে দেশের কৃষি, শিল্প ও সেবাখাতে গড়ে মোট ক্ষতি ৩ হাজার ৩০০ কোটি টাকা
cover
করোনা মহামারির কারণে অর্থনৈতিক চাপের মুখে, সংকুচিত হয়ে পড়েছে সব ধরণের ব্যবসা-বাণিজ্য। এর প্রভাব বাংলাদেশের উদীয়মান অর্থনীতিতে প্রবলভাবে ধরা দিয়েছে। করোনা কিংবা কোভিড-১৯ এর প্রভাবে বিশ্ব স্বাস্থ্য ব্যবস্থায় যেমন অতুলনীয় ক্ষতি হয়েছে তেমনি অর্থনৈতিক গতি ও ধারাবাহিকতা হয়েছে অনিশ্চিত ও ভঙ্গুর। রোগের দ্রুত সংক্রমণের বিস্তার রোধে ২৬ মার্চ ২০২০ সাল থেকে বাংলাদেশ সরকার লকডাউন ঘোষণা করে ফলে কার্যত মানুষ ঘরবন্দি হয়ে পড়ে। বন্ধ হয়ে যায় উৎপাদনমুখী শিল্পকারখানা, সব ধরণের সরকারী-বেসরকারী প্রতিষ্ঠান এবং সকল শিক্ষা সংক্রান্ত কার্যক্রম। অনেক কর্মক্ষম মানুষ তাদের জীবিকা হারিয়ে ফেলেছে। দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক খাতসমূহ যথা কৃষি, শিল্প ও সেবাখাত স্থবির হয়ে পড়ে।

গবেষণায় দেখা গিয়েছে, কৃষিখাতে দীর্ঘ মেয়াদে উৎপাদন হ্রাস না পেলেও দেশি ও বিদেশি অর্থনীতি, আমদানী-রপ্তানি অচল থাকার কারণে উৎপাদিত দ্রব্যের মূল্যের উপর প্রভাব পড়তে শুরু করে। আন্তর্জাতিক বাজারে কৃষিজাত দ্রব্যের দ্রব্যমূল্য কমতে থাকে এবং এর ফলে অর্থনীতিতে প্রতিদিন প্রায় ২০০ কোটি টাকার ক্ষতি হয়।
“কৃষিখাতে দীর্ঘ মেয়াদে উৎপাদন হ্রাস না পেলেও দেশি ও বিদেশি অর্থনীতি, আমদানী-রপ্তানি অচল থাকার কারণে উৎপাদিত দ্রব্যের মূল্যের উপর প্রভাব পড়তে শুরু করে। আন্তর্জাতিক বাজারে কৃষিজাত দ্রব্যের দ্রব্যমূল্য কমতে থাকে এবং এর ফলে অর্থনীতিতে প্রতিদিন প্রায় ২০০ কোটি টাকার ক্ষতি হয়।”
cover
দেশের অর্থনীতির তিনটি প্রধান খাতেই প্রবৃদ্ধির হার নিম্নগামী অর্থাৎ তেমন কোনো সুবিধা করতে পারেনি অভ্যন্তরীণ অর্থনীতি। বাংলাদেশের অর্থনীতির প্রতিটি খাত গত ২০১৯-২০ অর্থ বছরে মারাত্মক ক্ষতির মুখে পড়েছে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর হিসাব অনুযায়ী, দেশের অর্থনীতিতে এখন সেবা খাতের অবদান প্রায় ৫০ শতাংশ। এছাড়া শিল্পখাত ৩৫ শতাংশ এবং কৃষির অবদান এখন ১৪ শতাংশের মতো। শিল্পখাতে প্রতিদিনের অনুমিত ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ১ হাজার ১৩১ কোটি টাকা। সেবাখাতে অর্থনৈতিক ক্ষতির পরিমাণ সবচেয়ে বেশি যেমন-পর্যটন, হোটেল, মোটেল, রেষ্টুরেন্ট, যোগাযোগ (সড়ক, রেল, নৌ ও বিমান), রিয়েল ইস্টেট সকল প্রকার সেবা স্থবির হয়ে পড়ে। স্বাস্থ্যখাতে বেসরকারি সেবায় একপ্রকার অচলাবস্থা বিরাজ করেছে। আর সব মিলিয়ে সেবা খাতে ক্ষতির পরিমাণ দিনে প্রায় ২ হাজার কোটি টাকা। কৃষি, শিল্প ও সেবাখাতে গড়ে মোট ক্ষতির পরিমাণ ৩ হাজার ৩০০ কোটি টাকা। আবার তৈরি পোশাক শিল্প, স্পিনিং এবং টেক্সটাইল, চা শিল্প, পাট শিল্প, চামড়া, মৎস্য প্রক্রিয়াজাতকরণ, পরিবহন খাত সীমিতভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বিশেষ করে এসব শিল্পের ওপর নির্ভরশীল উপখাত ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
cover
উপরোক্ত ডাটাতে বাংলাদেশের জিডিপি ত্বরান্বিত করে এমন সূচকগুলো দেখা যাচ্ছে। এখানে, ২০১৮-২০১৯ অর্থবছরে জিডিপি বৃদ্ধির হার ছিল সবচেয়ে বেশি ৮.১৫ যেখানে করোনা হানা দেয়ার পরবর্তী জিডিপির হার সবচাইতে কম ৫.২৪ শতাংশে এসে দাঁড়িয়েছে।
বিভিন্ন সূত্র থেকে জানা যায় যে, কৃষি খাতে ধান, গম ও অন্যান্য শস্য উৎপাদন অব্যাহত আছে। ২০১৯-২০২০ অর্থবছরে জিডিপিতে কৃষিখাতের অবদান ১৩.৩৫ শতাংশ। কৃষিখাত ক্ষুদ্র হলেও তা হচ্ছে খোরাকি অর্থনীতি। মোট জনসংখ্যার ৮৮ শতাংশ সবাই প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে কৃষি দ্বারা উপকৃত হয়। তাছাড়া কৃষির মতো স্থায়ী সম্পদ থাকায় মানুষ আর্থিকভাবে অনেক বেশি নিরাপদ মনে করে। খাদ্য উৎপাদন, প্রণোদনা, রেমিট্যান্স, রপ্তানি বৃদ্ধি প্রভৃতি আভ্যন্তরিণ চাহিদা পূরণ করে দেশের অর্থনীতিকে সচল রাখতে সহায়ক ভূমিকা পালন করছে। করোনা মহামারিতে বৈশ্বিক অর্থনীতির নাজুক পরিস্থিতিতেও দেশের অর্থনীতির অন্যতম সূচক বৈদেশিক লেনদেনের চলতি হিসাবের ব্যালেন্সের সারপ্লাস বাড়ছে। ২০২০-২১ অর্থবছরের প্রথম ৯ মাসে চলতি হিসাবে ১২ কোটি ৫০ লাখ ডলার সারপ্লাস রয়েছে। যা আগের অর্থবছরে একই সময়ে ঋণাত্মক ছিল প্রায় ২৬৫ কোটি ১০ লাখ ডলার।  

বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাব অনুযায়ী গার্মেন্টস রপ্তানি এবং রেমিটেন্স-এ দুটো মিলিয়ে বাংলাদেশের জিডিপিতে অবদান প্রায় ১৮ শতাংশ। মহামারির কারণে দেশের রপ্তানি আয় কমেছে। ২০২০-২১ অর্থবছরের জুলাই-মার্চ সময়ে বাংলাদেশ পণ্য রপ্তানি করে ২ হাজার ৮৯৩ কোটি ৮৩ লাখ ৫০ হাজার ডলার আয় করেছে। যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ০.১২ শতাংশ কম। মার্চ মাসে রপ্তানি হয়েছে ৩০৭ কোটি ডলারের পণ্য। যা গতবছরের মার্চ মাসের তুলনায় ১২.৫৯ শতাংশ বেশি। বাংলাদেশ থেকে চলতি বছরের প্রথম তিন মাসে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে ১৫৩ কোটি ডলার বা ১৩ হাজার ৫ কোটি টাকার তৈরি পোশাক রপ্তানি হয়েছে। গত বছরের একই সময়ে রপ্তানি হয়েছিল ১৬৭ কোটি ডলারের পোশাক। সেই হিসাবে রপ্তানি কমেছে ৮ দশমিক ৫৫ শতাংশ। যুক্তরাষ্ট্র ছাড়াও সামগ্রিকভাবে বাংলাদেশের চলতি বছরের প্রথম তিন মাসে তৈরি পোশাক রপ্তানি ১ দশমিক ৭০ শতাংশ কমেছে। এই সময়ে ৭৯৪ কোটি ২২ লাখ ডলারেরর পোশাক রপ্তানি হয়েছে।

গত বছরের জানুয়ারি-মার্চে রপ্তানি হয়েছিল ৮০৭ কোটি ৯৬ লাখ ডলারের পোশাক। তবে চলতি বছরের চার মাস শেষে রপ্তানি প্রায় ২৩ শতাংশ বেড়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্যমতে, ২০২০-২১ অর্থবছরে প্রথম ৯ মাসে দেশ রপ্তানি খাতে আয় করেছে ২ হাজার ৮৭২ কোটি ডলার। গত ৯ মাসে বাণিজ্য ঘাটতি দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৪৪৯ কোটি ৭০ লাখ ডলার। এ সময়ের মধ্যে পণ্য রপ্তানি করে বাংলাদেশ আগের বছরের তুলনায় ০.০৬ শতাংশ বেশি আয় করেছে। গত বছর এপ্রিলে কারখানা বন্ধ ছিল। এ বছর লকডাউনেও পোশাককর্মীরা রপ্তানি আয়ের প্রধান খাত তৈরি পোশাক কারখানা সচল রেখে রপ্তানিতে তেমন ধাক্কা লাগতে দেয়নি।
২০২০-২১ অর্থবছরে প্রথম ৯ মাসে দেশ রপ্তানি খাতে আয় করেছে ২ হাজার ৮৭২ কোটি ডলার। গত ৯ মাসে বাণিজ্য ঘাটতি দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৪৪৯ কোটি ৭০ লাখ ডলার। এ সময়ের মধ্যে পণ্য রপ্তানি করে বাংলাদেশ আগের বছরের তুলনায় ০.০৬ শতাংশ বেশি আয় করেছে। গত বছর এপ্রিলে কারখানা বন্ধ ছিল।
বাংলাদেশ ব্যাংক
cover
আমাদের দেশের অর্থনীতির দ্বিতীয় বৃতত্তম খাত হচ্ছে বৈদেশিক রেমিট্যান্স বা প্রবাসীদের দ্বারা আয়। কেন্দ্রীয় ব্যাংক রেমিটেন্স প্রবাহের যে তথ্য প্রকাশ করেছে, তাতে দেখা যায়, ২০২০ সালের ডিসেম্বর মাসের প্রথম ১০ দিনে ৮১ কোটি ৪০ লাখ ডলার দেশে পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। সব মিলিয়ে ২০২০ এর ১ জানুয়ারি থেকে ১০ ডিসেম্বর পর্যন্ত সময়ে দেশে এসেছে ২০ দশমিক ৫০ বিলিয়ন ডলার, যা ২০১৯ সালের পুরো সময়ের চেয়ে প্রায় ১২ শতাংশ বেশি। এর আগে এক বছরে বাংলাদেশে এত রেমিটেন্স আর কখনো আসেনি। ২০১৯ সালে ১৮ দশমিক ৩৩ বিলিয়ন ডলার দেশে পাঠিয়েছিলেন প্রবাসীরা। কিন্তু সারা বিশ্ব করোনা আক্রান্ত হবার দরুন প্রায় এক কোটি বাংলাদেশি প্রবাসী সংকটের মুখে পড়ে আর বিশ্বব্যাংকের তথ্যমতে বাংলাদেশের রেমিটেন্স আয় প্রায় ২৫ শতাংশ কমে যেতে পারে। অপরদিকে এক বছরে দেশে ফিরে এসেছে তিন লাখ প্রবাসী। ২০২০-২০২১ অর্থবছরের প্রথম আট মাসে ১০৪২ কোটি ডলার দেশে পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা, যা আগের বছরের একই সময়ের চেয়ে ১০ ভাগ বেশি৷ করোনা মহামারির কারণে এই গতি ধরে রাখা কঠিন হয়ে যাবে বাংলাদেশের জন্যে৷

আবার অনেকের মতে, লকডাউনে ছোট উদ্যোক্তারা সরাসরি এবং সবচেয়ে বেশি ক্ষতির মুখে পড়েন। বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতির নিজস্ব হিসাবে সারা দেশে গত বছরের লকডাউনে ৫৩ লাখ ক্ষুদ্র ও মাঝারি প্রতিষ্ঠানের দৈনিক ক্ষতি হয়েছে প্রায় এক হাজার ৭৪ কোটি টাকা। বিভিন্ন তথ্য থেকে জানা যায় যে বাংলাদেশে অতি ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীর সংখ্যা ৫৩ লাখের বেশি। গত লকডাউনে মার্কেট, শপিংমল, দোকানপাট বন্ধ থাকায় ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা ক্ষতির সম্মুখীন হয়। তখন প্রতিদিন প্রায় ১ হাজার ৭৪ কোটি টাকা ক্ষতি হয়েছে। সাধারণত এসব ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের পুঁজির পরিমাণ ৫০ হাজার টাকা থেকে এক লাখ টাকা। গত করোনায় লকডাউনে তাদের বেশিরভাগ পুঁজি নষ্ট হয়েছে। তাছাড়া ক্ষুদ্র ব্যবসা খাতের উদ্যোক্তারা কোনও প্রণোদনা পাননি যার কারণে তাদের ঘুরে দাঁড়াতে বেশ বেগ পেতে হবে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন।
বাংলাদেশের রেমিটেন্স আয় প্রায় ২৫ শতাংশ কমে যেতে পারে। অপরদিকে এক বছরে দেশে ফিরে এসেছে তিন লাখ প্রবাসী। ২০২০-২০২১ অর্থবছরের প্রথম আট মাসে ১০৪২ কোটি ডলার দেশে পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা, যা আগের বছরের একই সময়ের চেয়ে ১০ ভাগ বেশি৷ করোনা মহামারির কারণে এই গতি ধরে রাখা কঠিন হয়ে যাবে বাংলাদেশের জন্যে৷
বিশ্বব্যাংক
cover
বাংলাদেশ আশা করেছিল ২০১৯ সালের জুলাই থেকে ২০২০ সালের জুন মাস পর্যন্ত জিডিপি প্রবৃদ্ধি হবে ৮.২ শতাংশ। বিশ্ব ব্যাংক বলছে, একই মেয়াদে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি হবে দুই থেকে তিন শতাংশ। অবস্থা আরো খারাপ হতে পারে ২০২১ সালে।
যদিও বর্তমানে আমাদের দেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার অন্যান্য দেশের থেকে বেশ ঊর্ধ্বগামী পরিলক্ষিত হচ্ছে তবুও করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়ার আগ পর্যন্ত দেশের অর্থনীতি যথেষ্ট অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়েছে। বাংলাদেশ আশা করেছিল ২০১৯ সালের জুলাই থেকে ২০২০ সালের জুন মাস পর্যন্ত জিডিপি প্রবৃদ্ধি হবে ৮.২ শতাংশ। বিশ্ব ব্যাংক বলছে, একই মেয়াদে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি হবে দুই থেকে তিন শতাংশ। অবস্থা আরো খারাপ হতে পারে ২০২১ সালে। কিন্ত ২০১৯-২০ অর্থবছরের প্রবৃদ্ধির হার বাংলাদেশের আশানরুপ না হলেও বিশ্ব ব্যাংকের দেওয়া ভবিষ্যৎবাণী থেকে অনেক ভালো অবস্থানেই আছে। তাই আশা করা যায় ২০২১ সালে দেশের অর্থনীতির প্রবৃদ্ধির হার আমাদের অনুকূলেই থাকবে।

পরিশেষে, বিশেষজ্ঞদের মতে, গোটা বিশ্বে করোনা ভাইরাসের অধিকতর ক্ষতি স্তিমিত করার জন্যে শক্তিশালী দেশগুলোর মধ্যে সমন্বয়ের অভাব রয়েছে। যার কারণে করোনা মোকাবেলায় উন্নয়নশীল দেশগুলো বিভিন্ন জটিলতার সম্মুখীন হচ্ছে। ১৭ মে ২০২১ মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে সাংবাদিক ব্রিফিং এ মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, "২০২০-২১ অর্থবছরে আমাদের মাথাপিছু আয় ২ হাজার ২২৭ ডলারে উন্নীত হয়েছে। আগের মাথাপিছু আয় ছিল ২ হাজার ৬৪ ডলার। মাথাপিছু আয় ৯ শতাংশ বেড়েছে।" তিনি আরো বলেন, "জিডিপি ছিল ২৭ লাখ ৯৬ হাজার ৩২৮ কোটি টাকা। তা এখন হয়েছে ৩০ লাখ ৮৭ হাজার ৩০০ কোটি টাকা। তাই জিডিপিও বেড়েছে।" আইএমএফের তথ্য মতে, মহামারি সত্ত্বেও বাংলাদেশে জিডিপি প্রবৃদ্ধিতে বিশ্বে তৃতীয় ও এশিয়ায় প্রথম স্থানে থাকবে।
  
করোনার কারণে দেশে দারিদ্র্যের হার বেড়ে হয়েছে ৩০ শতাংশ। বেকারত্বের হার বেড়ে হয়েছে ৪০ শতাংশ। দেশের মানুষ অর্থনীতিতে করোনার প্রভাব কাটিয়ে আগের অবস্থানে ফিরতে সচেষ্ট। ব্যবসা ও চাকরি হারানোর কারণে সৃষ্ট আর্থিক ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে চেষ্টা করছে জনগণ। সরকার কর্তৃক ঘোষিত বিপুল পরিমাণ প্রণোদনা প্যাকেজ অর্থনীতিকে সহায়তা করেছে। আবার অনেকে মনে করেন করোনা সংকট মোকাবেলায় সরকারের প্রণোদনা প্যাকেজটি যথাযথ ব্যবহার হয়নি। বেশি বিপাকে পড়েছে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প খাতের উদ্যোক্তরা। ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসায় প্রণোদনা প্যাকেজ বাড়ানোর ক্ষেত্রে আরো সক্রিয় ও উদ্ভাবনী ভূমিকা থাকতে হবে বলে মনে করেন অর্থনীতিবিদেরা। 

Ridmik News is the most used news app in Bangladesh. Always stay updated with our instant news and notification. Challenge yourself with our curated quizzes and participate on polls to know where you stand.

news@ridmik.news
support@ridmik.news
© Ridmik Labs, 2018-2021