Link copied.
ফিরে দেখা ২০২১: বিশ্বকে নাড়িয়ে দেওয়া আলোচিত যত ঘটনা
writer
অনুসরণকারী
cover
প্রবাদ আছে রাজনীতি এবং টাকা কখনোই ঘুমায় না। বিষয়টি আসলেই সত্য! কারণ কোভিড-১৯ এর ধাক্কায় টালমাটাল বিশ্বেও রাজনীতি চলছে তার আপন গতিতে। নিত্যদিন পরিবর্তন হচ্ছে তার মতো করে। অন্যদিকে, অর্থের পরিমাণ যেমন বাড়ছে তেমনি ধনীর সংখ্যাও ছাড়িয়ে যাচ্ছে অতীতের সকল হিসেব ছাড়িয়ে। বছর যায় এবং নতুন বছর আসে, কিন্তু মানবসভ্যতার সহজাত বিষয়গুলো কখনোই পূর্বের মতো বিদ্যমান থাকে না। এর স্পষ্ট উদাহরণ হলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প! রিপাবলিকান এই রাজনীতি ধরেই নিয়েছিলেন ২০২০ সালের মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে তিনি জিততে চলেছেন। কিন্তু বিধিবাম, ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রবীণ রাজনীতিবিদ জো বাইডেন জিতেছেন। জো বাইডেন প্রেসিডেন্ট হিসেবে নির্বাচিত হয়েই অভিবাসন নীতিতে যেমন পরিবর্তন এনেছেন তেমনি বিশ্ব রাজনীতিতে মার্কিনিদের হারানো জৌলুশ ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করে যাচ্ছেন। ২০২১ সাল ইতোমধ্যেই গত হয়েছে, কিন্তু এই বছরটিকে মনে রাখার মতো অনেক অনেক তথ্যবহুল ঘটনা রেখে গেছে আমাদের জন্য। আজ আমরা ২০২১ সালে ঘটনাবহুল রাজনৈতিক ইতিহাস পর্যালোচনা করব।
জো বাইডেনের গণতন্ত্র সম্মেলন

গত ৯ থেকে ১১ ডিসেম্বর একটি ভার্চুয়াল সম্মেলন সম্পন্ন করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। ২০২০ সালে নির্বাচনের সময় জো বাইডেন বিশ্বের গণতন্ত্রবাদী দেশ সমূহের নেতাদের একজোট করে বিশ্বে শক্তিশালী গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হন। তারই ধারাবাহিকতায় এই সম্মেলনের আয়োজন করেছিলেন তিনি। যদিও সম্মেলন নিয়ে কম আলোচনা কিংবা সমালোচনা হয়নি! প্রথমত পৃথিবীর অনেক শক্তিশালী দেশকেই আমন্ত্রণ জানায়নি প্রেসিডেন্ট বাইডেন। আমন্ত্রণ না পাওয়া দেশের তালিকায় জায়গা পেয়েছিল বাংলাদেশও। ফ্রিডম হাউসের তথ্যমতে, আমন্ত্রণ পাওয়া ১১০টি দেশের মধ্যে মাত্র ৩০টি দেশই গণতন্ত্র সূচকে বেশি ইতিবাচক রেটিং পেয়েছিল। ন্যাটোর ঘনিষ্ঠ হওয়া সত্ত্বেও তুরস্ককে আমন্ত্রণ জানানোর প্রয়োজনবোধ করেনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। সবমিলিয়ে সম্মেলনের আগেই বিশ্বময় ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছিল জো বাইডেনের গণতন্ত্র সম্মেলনকে ঘিরে। 
ফ্রিডম হাউসের তথ্যমতে, আমন্ত্রণ পাওয়া ১১০টি দেশের মধ্যে মাত্র ৩০টি দেশই গণতন্ত্র সূচকে বেশি ইতিবাচক রেটিং পেয়েছিল। ন্যাটোর ঘনিষ্ঠ হওয়া সত্ত্বেও তুরস্ককে আমন্ত্রণ জানানোর প্রয়োজনবোধ করেনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। সবমিলিয়ে সম্মেলনের আগেই বিশ্বময় ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছিল জো বাইডেনের গণতন্ত্র সম্মেলনকে ঘিরে।
cover
চীন প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষভাবে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক প্রতিপক্ষ। চীনের অনেক ঘনিষ্ঠ মিত্র এই সম্মেলনের আমন্ত্রণ না পেলেও পাকিস্তানকে ঠিকই ডেকেছিলেন জো বাইডেন। এর ব্যাখা হিসেবে দক্ষিণ এশিয়ায় মার্কিন বলয়ের নতুন সূচনাকেই উল্লেখ করেন অনেক সাংবাদিক। কিন্তু চীনের প্রতি সম্মানপ্রদর্শন করে এই সম্মেলনে অংশগ্রহণ করেনি পাকিস্তান। ভারত, মালদ্বীপ সম্মেলনে ডাক পেলেও শ্রীলংকা এবং বাংলাদেশকে আমন্ত্রণ না জানানোর ব্যাখা অবশ্য স্পষ্ট নয়। চীনের ব্যাপক বিনিয়োগকে ভালোচোখে দেখে না যুক্তরাষ্ট্র তা আগেই বোঝা গেছে। পদ্মা সেতু ইস্যুতে বিশ্বব্যাংকের বিনিয়োগ বন্ধের পর থেকেই মার্কিন নীতি থেকে অনেকটাই সরে এসেছে বাংলাদেশ। এছাড়াও দুর্নীতিগ্রস্ত অনেক আফ্রিকান দেশের সরকারকেও আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল এই সম্মেলনে। যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গণতন্ত্র প্রশ্নবিদ্ধ সেখানে বিশ্বে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার ঘোষণা দেয়াকে হাস্যকর মনে করেন অনেক রাজনৈতিক বিশ্লেষক।
অকাস চুক্তি

২০২১ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর একটি নিরাপত্তা চুক্তিতে স্বাক্ষরের ঘোষণা দেয় যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া এবং যুক্তরাজ্য। প্রসঙ্গত এটি একটি নিরাপত্তা চুক্তি। আর এই চুক্তির কারণে ফ্রান্সের সাথে করা অস্ট্রেলিয়ার চার হাজার কোটি ডলারের ১২টি সাবমেরিন নির্মাণের চুক্তিটিও বাতিল করা হয়। ফ্রান্সকে পাশ কাটিয়ে অকাস চুক্তি করার কারণে ফ্রান্স এবং যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে কূটনীতিক সম্পর্কে বেশ টানাপোড়ন দেখা যাচ্ছে। যদিও মার্কিন প্রেসিডেন্ট বাইডেন বলেছেন, ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে ফ্রান্স ও ইউরোপের সংযুক্তি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। বাইডেনের এই বিবৃতির পর ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট বলেছেন, মিত্র দেশগুলোর মধ্যে খোলামেলা আলোচনার মাধ্যমেই পরিস্থিতির উন্নয়ন ঘটবে। তার কথায় স্পষ্ট যে, তিনি এই চুক্তিতে বেশ নাখোশ হয়েছেন। অকাস চুক্তির কারণে ফরাসী প্রেসিডেন্ট মি. ম্যাক্রঁ ক্ষিপ্ত হয়ে তাৎক্ষণাৎ ওয়াশিংটন এবং ক্যানবেরা থেকে ফরাসী রাষ্ট্রদূতদের প্রত্যাহার করে নেন। 
cover
মূলত দক্ষিণ চীন সাগরে চীনের প্রভাব মোকাবেলার সবচাইতে কার্যকরী নতুন পন্থা হিসেবে দেখা হচ্ছে এই অকাস চুক্তিকে। কারণ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য এবং অস্ট্রেলিয়ার মধ্যে এত গুরুত্বপূর্ণ নিরাপত্তা চুক্তি স্বাক্ষর হয়নি। এই চুক্তির বিষয়বস্তু স্পষ্টভাবে ইঙ্গিত করে যে, প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন চীন বিরোধী রাজনীতিতে নিজেকে নিয়োজিত করেছেন। গতবছর বেশকিছু কর্মসূচীতে চীনের বিরোধিতা মোটামুটি স্পষ্টভাবে দেখা গেছে। চুক্তির ব্যাপারে সে সময় ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন বলেন, এটি বৈশ্বিক স্থিতিশীলতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে। এছাড়াও অকাস চুক্তির বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিংকেন বলেন, চীনের বিরুদ্ধে অস্ট্রেলিয়ার সুরক্ষা নিশ্চিতে পাশে দাঁড়িয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।
তালেবানদের প্রত্যাবর্তন

গতবছরের অন্যতম আলোচিত ঘটনা ছিল তালেবানদের পুনরায় ক্ষমতা তখলের বিষয়টি। চলতি বছরের মার্চ মাসের ৯ তারিখে আফগানিস্তান থেকে নিজেদের সেনা প্রত্যাহার শুরু করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। যদিও এর আগে তালেবান নেতারা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একটি চুক্তি সাক্ষর করে। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তিতে তালেবান আফগানিস্তানের মাটিকে অন্য কোনও দেশে জঙ্গি হামলা চালানোর জন্য ব্যবহার হতে না দেওয়ার অঙ্গীকার করেছে। আফগানিস্তান সেই ২০ বছর আগের পশ্চিমা বিশ্বে হামলা পরিকল্পনাকারী আল কায়েদা জঙ্গি গোষ্ঠীর মতো কোনও আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর স্বর্গভূমি হবে না বলেই প্রতিশ্রুতি দিয়েছে তালেবান। জুনে মার্কিন সেনারা দেশ ছাড়া শুরু করলে আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে তালেবান বাহিনী। জুন মাসের শেষ দিকে আফগান বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষ বাঁধে তাদের। এরপরই দেশের দক্ষিণ প্রান্ত থেকে এগুতে শুরু করে তারা। বলা যায়, দেড় মাসের মধ্যেই আফগানিস্তানের দখল নিল তারা।
cover
পুরো আফগানিস্তান দখলে নিলেও কাবুলে পৌঁছাতে মোটামুটি সময়ক্ষেপণ হয়েছিল তাদের। অতঃপর ১৫ আগস্ট তালেবানরা কাবুলের আনুষ্ঠানিক নিয়ন্ত্রণ ফিরে পায়। এর আগে ১৯৯৬ সালে প্রথমবার আফগানিস্তানের ক্ষমতা দখল করে তালেবানরা৷ এ সময় যে তিনটি রাষ্ট্র তালেবানকে স্বীকৃতি দিয়েছিল তার একটি পাকিস্তান৷ যদিও ৯/১১-র পর সেই দৃশ্যপটে পরিবর্তন আসে৷ যদিও কাবুল দখলের পর তালেবানরা সবাইকে নিয়ে সরকার গঠনের ঘোষনা দিয়েছিল। সরকার গঠনের প্রতিশ্রুতি দিলেও সেটা একেবারেই বাস্তবায়ন করতে পারেনি তারা। তাদের নেতৃত্বে পুরনো কাঠামো, এর নানা ধরনের কমিশন, ডেপুটি এবং সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী আমির হেবাতুল্লাহ্ আখুনজাদা - এদের সবাইকে বসিয়ে দেয়া হয়েছে মন্ত্রিসভার কাঠামোর মধ্যে, যেমনটি অন্য অনেক দেশের সরকারের রাজনৈতিক কাঠামোতে দেখা যায়। সর্বোপরি তালেবানরা সরকার গঠন করলেও বিশ্বের অনেক দেশই তাদের স্বীকৃতি দেয়নি। কারণ তাদের অতীতের ইতিহাস বলে সন্ত্রাসবাদের সঙ্গে মতদানকারী গোষ্ঠি এটি।
ইউক্রেন সংকট

ইউক্রেনকে কেন্দ্র করে আরেকটি বিশ্বযুদ্ধ বেধে যায় কিনা, তা নিয়ে বেশ মারাত্মক দ্বিধাদ্বন্দ্বে রয়েছেন বিশ্ব নেতারা। বিবিসির এক প্রতিবেদনে জানানো হয় পূর্ব ইউক্রেনের ডনবাস অঞ্চলে ২০১৪ সাল থেকেই রুশ-সমর্থিত বিদ্রোহীরা ইউক্রেনের সরকারি সৈন্যদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ চালিয়ে আসছে। অনেকেই হয়তো জানেন না যে, পূর্ব ইউক্রেনের রুশ-ভাষী জনগোষ্ঠীর এক বড় অংশ বসবাস করেন এই ডনবাস এলাকায়। ইউক্রেন সরকার কর্তৃক তাদের বিরুদ্ধে বৈষম্যের বিষয়টি বহুবার ইঙ্গিত করে কড়া মন্তব্য করেন রুশ প্রেসিডেন্ট পুতিন। তিনি বরাবরই ইউক্রেনকে সাবধান করেছেন এবং হুমকিধমকি দিয়েছেন। গত বছরের ডিসেম্বরে ডনবাসের যুদ্ধকে ইউক্রেন কর্তৃক পরিচালিত গণহত্যা উল্লেখ করে পুতিন প্রতিশোধের পাল্টা হুমকি দেন। 
cover
ইউক্রেনের বিরুদ্ধে অবস্থানের আলোকে গত ডিসেম্বরে প্রায় ৯০০০০ সৈন্যের সমাবেশ ঘটিয়েছে রাশিয়া। বলতে গেলে ইউক্রেনকে চারদিক থেকে ঘিরে রেখেছে রুশ সেনারা। অন্যদিকে, রাশিয়ার হিসেব অনুযায়ী ডনবাসে গত ৮ বছরে প্রায় ১৪০০০ নাগরিক মৃত্যুবরণ করেছেন যাদের অধিকাংশই রুশ-ভাষী জনগোষ্ঠী। ইউক্রেন সীমান্তে রুশ সৈন্য সমাবেশের ফলে ইইউ’র নেতারা আশংকা করছেন যে, রাশিয়া হয়তো শিগগিরই ইউক্রেনে আক্রমণ করার পরিকল্পনা করছে। আর এইরকম কিছু হলে রাশিয়ার ওপর কড়া নিষেধাজ্ঞা জারি করা হবে বলে হুমকি দিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র। যদিও ইউক্রেন ইস্যু নিয়ে পুতিন এবং জো বাইডেনের মধ্যে ঘণ্টাখানেক ভার্চুয়াল আলোচনা হয়েছিল সে সময়। এরই মাঝে ন্যাটোতে যোগ দেয়ার হুমকি দিয়েছিল ইউক্রেন। মূলত রাশিয়া চাচ্ছে না ইউক্রেন ন্যাটোর সদস্য হোক। ২০২১ সালের শেষের দিকে ইউক্রেনের বিরুদ্ধে উস্কানির অভিযোগ এনে রাশিয়া বলেছে, ন্যাটো জোটকে পূর্বদিকে সম্প্রসারণ এবং রাশিয়ার কাছাকাছি কোনো অস্ত্র মোতায়েনের প্রয়াস বন্ধ করা হবে -তারা এমন গ্যারান্টি চায়।
ক্যাপিটল হিল আক্রমণ

২০২০ সালের নির্বাচনকে প্রত্যাখ্যান করে জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে কংগ্রেসের সামনে জমায়েত হতে আহ্বান জানিয়েছিলেন সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ২০২১ সালের ৬ ডিসেম্বর তারিখটিকে তিনি বলে আসছিলেন বোঝাপড়ার দিন। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প নিজেও সেদিন উত্তরোত্তর বাড়তে থাকা জনতাকে উৎসাহ দিয়ে বলেন হোয়াইট হাউস থেকে ক্যাপিটল হিল এই দুই মাইল পথ মিছিল করে যেতে হবে। প্রেসিডেন্টের উৎসাহে উজ্জীবিত বিক্ষোভকারীদের মুখে তখন স্লোগান উঠেছিল 'চুরি বন্ধ করো এবং বুলশিট'। এরকম উত্তপ্ত বাক্য বিনিময়ে বেশ নাখোশ হয়েছিল ডিসি পুলিশ কর্তৃপক্ষ।
cover
সেদিন ধীরে ধীরে ঘটনা নাটকীয় মোড় নিতে থাকে। সেখান থেকে যেসকল টেলিভিশন সম্প্রচার চলছিল তার ক্যামেরায় দেখা যায়, ক্যাপিটল ভবনের সিঁড়িতে উঠে বিক্ষোভকারীরা পতাকা দোলাচ্ছে এবং নাচানাচি করছে। দাঙ্গাকারীদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের অ্যাকাউন্টে পোস্ট করা ছবি ও ভিডিওতে দেখা যায়, তারা ভবনের ভেতরে ঢুকে লেজিসলেটিভ চেম্বারের ভেতর দরোজা ভেঙে ঢোকার চেষ্টা করছে। আবার তাদের মধ্যে কেউ কেউ নির্বাচিত আইন কর্মী বা নিরাপত্তা কর্মীর পরিচয় দিয়ে ভেতরে ঢোকার চেষ্টা কনছে। যুক্তরাষ্ট্রের ক্যাপিটল হিলে আক্রমণ করার পর থেকে প্রায় প্রতিদিনই এই ঘটনায় জড়িত এবং অভিযুক্তদের তালিকা বড় হচ্ছে। মার্কিন সরকার এখন পর্যন্ত ৬ জানুয়ারীর এই দাঙ্গায় জড়িত থাকা ২০০ জনের অধিক ব্যক্তিতে শনাক্ত করতে পেরেছে। ৬ জানুয়ারি ক্যাপিটলে হামলার সময় কর্মরত একজন পুলিশ অফিসারসহ মোট ৫ জন প্রাণ হারান।

Ridmik News is the most used news app in Bangladesh. Always stay updated with our instant news and notification. Challenge yourself with our curated quizzes and participate on polls to know where you stand.

news@ridmik.news
support@ridmik.news
© Ridmik Labs, 2018-2021