Link copied.
২০২১ সালে প্রযুক্তি দুনিয়া কাঁপিয়েছে যেসব উদ্ভাবন
writer
অনুসরণকারী
cover
WallpaperAccess
২০২১ সাল ইতোমধ্যেই বিদায় নিয়েছে আমাদের কাছ থেকে। বছরের শুরুটা ছিল ভারত থেকে ছড়ানো ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের প্রভাব দিয়ে আর শেষ হলো দক্ষিণ আফ্রিকার ওমিক্রন দিয়ে। সে পরিপ্রেক্ষিতে বলাই যায় কোভিড-১৯ বা করোনাভাইরাসের সঙ্গে লড়াই করেই বছরটি অতিবাহিত করেছেন বিশ্বের অধিকাংশ মানুষ। এখন অবধি ৫ মিলিয়নের অধিক মানুষ মৃত্যুবরণ করেছেন এই মহামারিতে। যদিও দ্রুত সময়ে ভ্যাকসিন আবিষ্কৃত হওয়ায় করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে গবেষক এবং চিকিৎসাবিদদের অবস্থান আরো শক্তপোক্ত হয়েছে। তবে এত এত দুর্ভোগ এবং ধ্বংসলীলার মাঝেও প্রযুক্তিবিদরা বসে নেই নিজেদের গবেষণা নিয়ে। মানুষের জীবনযাপন সহজতর করার লক্ষ্যে প্রতিনিয়ত নতুন কিছু আবিষ্কার কিংবা আপডেট করে যাচ্ছেন তারা। স্বয়ংক্রিয় যন্ত্রপাতি নির্ভর দিনযাপন যেন বেড়েই চলেছে মানুষের জীবনে।
cover
উন্নত সভ্যতা বলতে হয়তো আমরা বুঝি উন্নত জীবনযাপন করে এমন দেশ সমূহকে। কিন্তু যে প্রযুক্তির জন্য তারা নিজেদের উন্নত দাবি করে সেগুলোর সবক’টা তাদের নিজেদের তৈরি নয়। তবে প্রতিটা প্রযুক্তিকে সহজলভ্য করার পেছনে উন্নত দেশসমূহের অবদান রয়েছে। আর তাই অন্য সকল বছরের মতো ২০২১ সালেও গবেষকরা মানবজাতিকে উপহার দিয়েছেন সম্পূর্ণ কিছু প্রযুক্তি যেগুলোর মাধ্যমে নতুন করে রাস্তা খুঁজে পেয়েছে সম্পৃক্ত কাজগুলো। আজ আমরা আলোচনা করব ২০২১ সালে কার্যক্ষমতা পাওয়া শীর্ষ কিছু প্রযুক্তি নিয়ে।
মেসেঞ্জার আরএনএ ভ্যাকসিন

আমরা খুবই সৌভাগ্যবান যে শিগরিই ভ্যাকসিনের আওতায় আসতে পেরেছি। কিন্তু এই ভ্যাকসিনের কার্যকারিতা জানার জন্য যে প্রযুক্তির উপর নির্ভর করতে হয়েছিল তা নিয়ে আরো ২০ বছর আগে থেকেই গবেষণা করে আসছিলেন বিজ্ঞানীরা। এখন অবধি পাওয়া তথ্যমতে, কোভিড-১৯ এর বিরুদ্ধে অত্যধিক কার্যকরী দুটি ভ্যাকসিন তৈরি করা হয়েছে মেসেঞ্জার RNA প্রযুক্তির উপর ভিত্তি করে। গত বছরের জানুয়ারিতে যখন কোভিড-১৯ এর নতুন ভ্যারিয়েন্টের কারণে যখন মৃত্যুহার বেড়েই চলেছিল তখন বেশ কয়েকটি বায়োটেক কোম্পানির বিজ্ঞানীরা সম্ভাব্য ভ্যাকসিন তৈরির একমাত্র উপায় হিসেবে দ্রুতই এমআরএনএ (MRNA) প্রযুক্তিকে গ্রহণ করেন। চীনা বিজ্ঞানীরা অবশ্য ভিন্ন পন্থায় কোভিড-১৯ এর ভ্যাকসিন নিয়ে কাজ করেছেন। তবে ২০২০ সালের ডিসেম্বর অবধি যখন পৃথিবীতে প্রায় ১.৫ মিলিয়নেরও বেশি মানুষ মৃত্যুবরণ করেছিল তখন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র মেসেঞ্জার আরএনএ প্রযুক্তির অনুমোদন দিয়ে দেয় যা পৃথিবীর মানুষদের জন্য কল্যাণকর হয়। 
cover
নতুন আবিষ্কৃত ভ্যাকসিনগুলি এমন একটি প্রযুক্তির উপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছে যা আগে কখনো থেরাপিউটিকসে ব্যবহৃত হয়নি। এছাড়াও এই প্রযুক্তিতে মেডিসিনকে ম্যালেরিয়াসহ যে কোনো সংক্রামক রোগের উপযোগী করে। আবার অনেক গবেষক উদ্বিগ্ন ছিলেন করোনাভাইরাসের রূপের পরিবর্তনের কারণে। আশার কথা হলো যদি কোভিড-১৯ রূপ পরিবর্তন করে তবে এসব এমআরএনএ ভ্যাকসিনগুলোও সহজেই পরিবর্তন করে ভ্যারিয়েন্ট অনুযায়ী পাল্টানো যায়। শুধু তাই নয় মেসেঞ্জার আরএনএ সেলগুলো যে কোনো রোগের অপেক্ষাকৃত বাতিল হওয়া জিনগুলো সম্পৃক্ত করার কাজেও দুর্দান্ত ফলাফল দেখিয়েছে। এমনকি এই প্রক্রিয়ায় এইচআইভি নিয়েও গবেষণা চলছে। আর তাই গতবছরের প্রযুক্তির তালিকায় মেসেঞ্জার আরএনএ সবার উপরে থাকবে।
টিকটক অ্যালগরিদম

২০১৬ সালে চীনে চালু হওয়ার পর থেকে টিকটক বিশ্বের দ্রুত বর্ধনশীল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের খেতাব পেয়েছে। এক হিসেবে দেখা গেছে এটি কোটি কোটি বার ডাউনলোড হয়েছে এবং শত মিলিয়ন ব্যবহারকারীকে আকৃষ্ট করে। কিন্তু পশ্চিমা বিশ্বের প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা টিকটকের এমন দ্রুত জনপ্রিয়তার কারণ খুঁজতে গিয়ে এর শক্তপোক্ত অ্যালগরিদমের অবদান খুঁজে পেয়েছেন। টিকটকের অ্যালগরিদমগুলো এর 'For You' ফিডের মধ্যদিয়ে এর ব্যবহারকারীদের দ্রুততম সময়ে বিখ্যাত হতে সাহায্য করে। মূলত হ্যাশট্যাগ হিসেবে 'For You' ব্যবহার করে কোনো ভিডিও কিংবা ছবি প্রকাশ করলে সেটি ব্যবহারকারীদের সামনে পৌঁছাবে। যদিও হ্যাশট্যাগ দিয়ে বিষয়বস্তু হাইলাইট করার প্রক্রিয়াটি অন্যান্য প্ল্যাটফর্মে আগে থেকেই চলে আসছিল। তাহলে প্রশ্ন আসতে পারে কেন টিকটকের হ্যাশট্যাগের মধ্যদিয়ে বেশি মানুষের কাছে পৌঁছানো যাচ্ছে?
cover
সহজ উত্তর হলো এর স্রষ্টাদের কৃতীত্ব! টিকটকের পেছনে কাজ করা বাইটড্যান্স প্রতিষ্ঠানটি এর ForYou অ্যালগরিদমটি এমনভাবে সাজিয়েছে যাতে করে এটি পর্দার আড়ালে থাকা যে কোনো ব্যবহারকারীকে খুব সহজেই বের করে আনতে পারে। আবার অপেক্ষাকৃত বেশি জনপ্রিয় টিকটকার যারা রয়েছেন তাদেরও বিশেষভাবে হাইলাইট করে এই অ্যালগরিদম। নতুন ইয়ুজার হিসেবে খুব দ্রুততার সাথে প্রচুর ভিউ পাওয়ার পাশাপাশি বিখ্যাত হওয়ার জন্য টিকটক এপটি এখন প্রায় পৃথিবীর সকল দেশে জনপ্রিয়তা পেয়েছে। অন্য মাধ্যমগুলোতে নিজের জায়গা তৈরি করে তারপরেই বিখ্যাত কিংবা কুখ্যাত হওয়া যায়। কখনো কখনো এই প্রক্রিয়ায় ব্যবহারকারীদের বছরের পর বছর ব্যয় করতে হয়। কিন্তু টিকটক বিপ্লবের পর অন্যান্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলো নিজেদের লগারিদমীয় পরিবর্তনের ব্যাপক চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু টিকটকের মতো এতো দ্রুত পরিবর্তনের জায়গা তৈরি করতে পারছে না তারা। রহস্যময় এই ForYou লগারিদম ২০২১ সালে এসে টিকটককে নতুন করে প্রায় ১ বিলিয়ন ব্যবহারকারী সৃষ্টি করেছে। 
এজ কম্পিউটিং

একুশ শতকের প্রথমদিকে ক্লাউড কম্পিউটিং সিস্টেমকে প্রজন্মের সবচেয়ে বড় প্রযুক্তি হিসেবে দেখতেন প্রযুক্তিবিদরা। এই প্রযুক্তিতে সকল তথ্য একটি কেন্দ্রীভূত সংগ্রহ স্থলে আপলোড করা হতো। ব্যবহারকারী অবস্থান বিশেষ এটির অ্যাকসেস পেতে পারতেন এবং কাজ অনুযায়ী ব্যবহার করতে পারেন। এই সুবিধার কারণে ২০১০ সালের মধ্যেই ক্লাউড কম্পিউটিং বাণিজ্যিক ডিভাইসগুলোতে ব্যবহার করা শুরু করে প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো। এর ব্যবহার এতোই বেড়েছে যে ২০২০ সাল নাগাদ এটি একটি প্রচলিত প্রযুক্তিতে পরিণত হয়। প্রায় এক দশকের মধ্যে ক্লাউড কম্পিউটিং একটি রহস্যময়ী প্রযুক্তি থেকে বহুল প্রচলিত প্রযুক্তির খেতাব অর্জন করে। এই সময়ের মধ্যে প্রায় প্রতিটি মানুষের বাড়িতে বিভিন্ন ডিভাইসে যুক্ত হয় এটি। কিন্তু ২০২১ সালে এসে ক্লাউড কম্পিউটিংকে আর শীর্ষ প্রযুক্তি বলতে রাজি নন গবেষকরা। তাদের মতে এটি এখন শুধুমাত্র অতীতের বিষয়।
cover
আর ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের পরের ধাপটি হলো এজ কম্পিউটিং (Edge Computing)। এটিকে ২০২১ সালের অন্যতম সেরা এবং দ্রুত ক্রমবর্ধমান নতুন প্রযুক্তি হিসেবে ভাবা হয় যেটি মূলত ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের মতোই কাজ করে। যদিও এজ কম্পিউটিংয়ে অন্যটির মতো ডেটা একটি কেন্দ্রীভূত সংগ্রহস্থলে সংরক্ষণ করা হয় না। মূলত ব্যবহারকারীদের আরো উন্নতমানের সুবিধা দেয়ার জন্যেই এজ কম্পিউটিংয়ের যাত্রা। যেসব এলাকায় নেটওয়ার্ক পাওয়া কঠিন কিংবা অসম্ভব হতে পারে সেখানে ক্লাউড কম্পিউটিং খুবই কঠিন কারণ নেটওয়ার্ক ঠিকমত কাজ না করলে ব্যবহারকারী তার ডেটা রিপোজিটরি অ্যাকসেস করতে পারেন না। অন্যদিকে, এজ কম্পিউটিং যা করে তা হলো এমনভাবে ডেটা স্থানান্তর করে যেখানে এটি প্রয়োজন। এছাড়াও এই প্রযুক্তিতে ইন্টারনেট অফ থিংকস ডিভাইসে চমৎকার অ্যাপ্লিকেশন রয়েছে। যতদূর ব্যবহারকারীদের আইওটি সক্রিয় থাকুক না কেন একটি স্মার্টফোনের মাধ্যমে হাজার হাজার কিলোমিটার দূরে থেকেও তথ্য নাড়াচাড়া করা সম্ভব এই প্রযুক্তিতে। এখানে সংগ্রহস্থল থেকে সরাসরি অ্যাকসেসের প্রয়োজন হয় না বলে ব্যবহারকারীদের নিকট খুবই জনপ্রিয়তা পাচ্ছে এই এজ কম্পিউটিং সিস্টেম। আবার এই প্রযুক্তিতে খুব দ্রুত সময়ে কমান্ড অনুসরণ করে ডিভাইসগুলো।
লিথিয়াম মেটাল ব্যাটারি

ইতোমধ্যেই জ্বালানী কিংবা গ্যাসের পরিপূরক হিসেবে বৈদ্যুতিক যানবাহন বাণিজ্যিকভাবে বাজারে এসেছে। সকল দিক পর্যালোচনা করলে দেখে যায় এই প্রযুক্তিটি এখন অবধি ব্যয়বহুল এবং চার্জ করার জন্য অনেক বেশি সময় নেয়। একই ধরণের যানবাহন গ্যাসে কিংবা জ্বালানী ব্যবহার করে খুব কম সময়ে চালনা করা সম্ভব। আর এই সমস্ত ত্রুটিগুলো লিথিয়াম আয়ন ব্যাটারির সীমাবদ্ধতার সাথে সম্পর্কিত। সিলিকন ভ্যালির একটি প্রতিষ্ঠিত স্টার্টআপ দাবি করছে তাদের নিকট এমন একটি ব্যাটারি রয়েছে যেটি বৈদ্যুতিক যানবাহনগুলিকে ভোক্তাদের কাছে আরো বেশি সহজলভ্য করতে পারে। এটিকে লিথিয়াম মেটাল ব্যাটারি বলা হয় যা একটি কোয়ান্টামস্কেপ দ্বারা তৈরি করা হয়েছে।
cover
প্রাথমিক পরীক্ষার ফলাফল অনুযায়ী এই ব্যাটারিটি একটি EV এর পরিসর বাড়িয়ে ৮০ শতাংশ বাড়িয়ে দিতে পারে যা দ্রুত পুনরায় রিচার্জ করা সম্ভব। এই স্টার্টআপ প্রতিষ্ঠানটি আবার VW এর সাথে একটি নতুন চুক্তি রয়েছে করেছে যার মধ্যদিয়ে তারা ২০২৫ সালের মধ্যে নতুন ধরণের ব্যাটারি সহ EV ব্যাটারির পুরো সেটআপ বিক্রি করবে। যদিও অনুসন্ধানী তথ্য বলছে এটি এখনও প্রোটোটাইপ ব্যাটারি যা একটি গাড়ির প্রয়োজনের তুলনায় অনেকটাই ছোট। কিন্তু কোয়ান্টামস্কেপ এবং লিথিয়াম ধাতু ব্যাটারিতে কাজ করা অন্য প্রযুক্তিগুলো সফল হলে অবশ্যই EV ব্যাটারিটি লাখ লাখ গ্রাহকের কাছে আগ্রহের বিষয়ে পরিণত হবে। ২০২১ সালে সর্বপ্রথম এই ব্যাটারির পরীক্ষামূলক সফলতা অর্জন করায় এটিকে সে বছরের সেরা প্রযুক্তিগুলোর তালিকায় জায়গা দেয়া হয়েছে। বর্তমানে শুধুমাত্র চার্জিংয়ে অসুবিধা থাকায় বৈদ্যুতিক গাড়িগুলো সার্বজনীনভাবে বিপণীকেন্দ্রে যেতে পারছে না কিংবা গ্রাহকরা কিনছেন না। লিথিয়াম মেটাল ব্যাটারি অবশ্য এই ক্ষেত্রে নতুন করে আশার আলো দেখাচ্ছে। 
ডিজিটাল কন্টাক্ট ট্র্যাকিং

করোনাভাইরাস বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়ার সাথে সাথে প্রথমে মনে হয়েছিল যেন ডিজিটাল কন্টাক্ট ট্রেসিং আমাদের সাহায্য করতে পারে। স্মার্টফোন এপগুলো জিপিএস বা ব্লুটুথ ব্যবহার করে এমন লোকেদের তালিকা তৈরি করতে পারে যারা ইতোমধ্যেই আক্রান্ত হয়েছেন। এই প্রযুক্তিতে একজন যদি পরবর্তীতে কোভিড-১৯ পজেটিভ হন সেই ব্যক্তি এপে নিজের ফলাফল লিপিবদ্ধ করতে পারেন। পরবর্তীতে যদি এটি আক্রান্তদের সন্নিকটে নিয়ে যায় তবে এটি অন্যদের সতর্ক করবে। যদিও বাস্তবিক অর্থে ডিজিটাল কন্টাক্ট ট্রেসিং ভাইরাসের বিস্তার রোধে বেশি প্রভাব ফেলতে ব্যর্থ হয়েছে।
cover
গুগল এবং অ্যাপল খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে স্মার্টফোনে এক্সপোজার নোটিফিকেশনের মতো বৈশিষ্ট্যগুলিকে ছড়িয়ে দিয়েছিল। কিন্তু জনস্বাস্থ্য কর্মীরা সেগুলোকে ব্যবহার করার জন্য নাগরিকদের সেভাবে রাজি করাতে পারেননি। খেয়াল করলে দেখা যায় প্রায় প্রতিটি উন্নত দেশ ডিজিটাল কন্টাক্ট ট্র্যাকিং এর ওপেন নিবন্ধন প্রক্রিয়া চালু রেখেছে যার মধ্যদিয়ে নাগরিকেরা নিজেরাই নিজেদের তথ্য হালানাগাদ করতে পারবেন। এমনকি ইউনিসেফের অফিশিয়াল ওয়েভসাইটেও ডিজিটাল কন্টাক্ট ট্র্যাকিং সিস্টেম চালু ছিল বেশ কিছুদিন। ২০২০ সালের মার্চে স্ট্যানফোর্ড ইউনিভার্সিটির ছাত্ররা Stanford HAI's COVID-19 ঘড়ি প্রস্তুতের ঘোষনা দেন যার মাধ্যমে সহজেই আক্রান্ত ব্যক্তিতে ট্র্যাক করা যাবে। 

Ridmik News is the most used news app in Bangladesh. Always stay updated with our instant news and notification. Challenge yourself with our curated quizzes and participate on polls to know where you stand.

news@ridmik.news
support@ridmik.news
© Ridmik Labs, 2018-2021