Link copied.
যেভাবে পাবেন বিশ্বের বিভিন্ন দেশের নাগরিকত্ব
cover
বিশ্বের বিভিন্ন দেশে নাগরিকত্ব লাভের বিভিন্ন আইন-কানুন রয়েছে। নিম্ন ও মধ্যম আয়ের দেশগুলো থেকে প্রতি বছর লাখো মানুষ নাগরিকত্ব লাভের আশায় পাড়ি জমায় উন্নত দেশগুলোতে। চলুন দেখা নেয়া যাক বিভিন্ন দেশে নাগরিকত্ব লাভের উপায়সমূহ।
জন্মসূত্রে
cover
বিশ্বের কিছু দেশ জন্মসূত্রেই নাগরিকত্ব প্রদান করে থাকে। অর্থাৎ, ওই দেশে কোনো শিশু জন্মগ্রহণ করলেই জন্মসূত্রে শিশুটি সে দেশের নাগরিকত্ব পায়। এ ক্ষেত্রে কোনো কোনো দেশ জন্মনীতি বা জন্মস্থান নীতি পালন করে থাকে। যেমন- কানাডা, আমেরিকা জন্মস্থান নীতি পালন করে। অন্যদিকে জাপান, ফ্রান্স জন্মনীতি পালন করে। জন্মনীতি হলো, পিতা-মাতা বা পূর্বপুরুষের রক্তের সম্পর্ক অনুসারে নাগরিকত্ব। এক্ষেত্রে ইউরোপিয়ান ইউনিয়নভুক্ত দেশের নাগরিকেরা বেশি সুবিধা পান।
বৈবাহিক সূত্রে
cover
কিছু কিছু রাষ্ট্র বৈবাহিক সূত্রে নাগরিকত্ব দিয়ে থাকে। যখন আপনি অন্য একটি দেশের মেয়েকে বিয়ে করছেন; তখন আপনি বৈবাহিক সূত্রে সেই দেশের নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করতে পারবেন। তবে এ ক্ষেত্রে আপনাকে ন্যূনতম ৩-৫ বছর পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। এটি নাগরিকত্ব পাওয়ার অন্যতম সহজ উপায়। যেমন, সিঙ্গাপুরের কোনো নাগরিকের সঙ্গে  আপনি বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হলে স্থায়ী বসবাসের অনুমতি পাবেন। দুই বছর স্থায়ীভাবে বসবাসের পর নাগরিকত্বের আবেদন করা যাবে, তবে এক্ষেত্রে বয়সের একটি ব্যাপার রয়েছে। জেনে রাখা ভালো, সিঙ্গাপুর দ্বৈত নাগরিকত্ব অনুমোদন দেয় না। নেদারল্যান্ড, জার্মানি, কলম্বিয়া, ইউক্রেন, ব্রাজিল, মেক্সিকো, স্পেন, মাল্টা, পর্তুগাল, সুইজারল্যান্ড, ফিজি, ঘানা, কলম্বিয়াসহ আরও কিছু দেশ বৈবাহিক সূত্রে নাগরিকত্ব দিয়ে থাকে।
বিনিয়োগের মাধ্যমে
cover
বিশ্বের বেশ কিছু দেশ বিনিয়োগের মাধ্যমে নাগরিকত্ব দিয়ে থাকে। বর্তমানে ইউরোপের দেশ মাল্টা, সাইপ্রাস, মন্টিনেগ্রো, মলদোভা, লাটভিয়া, গ্রিস, পর্তুগাল, লিথুনিয়ার মতো দেশে বিনিয়োগের বিনিময়ে নাগরিকত্ব প্রদান করছে। ক্যারিবিয়ান দেশ অ্যান্টিগুয়া এন্ড বারমুডা, গ্রানাডা, সেন্ট লুসিয়াতেও এই সুবিধা পাওয়া যায়। এছাড়া কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর, যুক্তরাষ্ট্র, নিউজিল্যান্ড ও ইউরোপিয়ানের অনেকগুলো বিনিয়োগের বিনিময়ে স্থায়ীভাবে বসবাসের অনুমতি পাওয়া যায়। পর্যায়ক্রমে নাগরিকত্বের সুযোগ রয়েছে। এসব ক্ষেত্রে পাঁচ কোটি টাকা থেকে শুরু করে ১৫ কোটি পর্যন্ত টাকা খরচ হয়।
বৈধভাবে বসবাসকারী হিসেবে
cover
দীর্ঘ সময় কোনো দেশে বৈধভাবে বসবাস করার মাধ্যমেও ওই নাগরিকত্ব লাভ করা যায়। যখন কেউ বৈধভাবে একটি দেশে ন্যূনতম ৫-১০ বছর বসবাস করে এবং সে দেশের ভাষা ও সংস্কৃতির প্রতিফলন নিজের মধ্যে ঘটাবে; তখন সে এমনিতেই নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করতে পারবে। এ ক্ষেত্রে আবেদনকারীর বয়স ন্যূনতম ১৮ বছর হতে হবে। তবে এক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য বিষয় হচ্ছে উন্নত চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য থাকা এবং পুলিশের খাতায় অপরাধী হিসেবে নাম না থাকা। 
পড়াশোনা শেষে
cover
বিশ্বের বিভিন্ন দেশে পড়াশোনা শেষে নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করা যায়। তবে এ পদ্ধতি পৃথিবীর সব দেশে চালু নেই। কানাডা, জার্মানি, অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডের মতো দেশে পড়াশোনার পর নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করা যায়। এছাড়া আপনি যে দেশের নাগরিক হবেন; সে দেশের ভাষা অবশ্যই জানতে হবে। সে দেশের আইনের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ থাকতে হবে এবং নৈতিক চরিত্রের অধিকারী হতে হবে। যে কোনো প্রকার অপরাধ ও অনৈতিক কাজকর্ম নাগরিকত্ব লাভের ক্ষেত্রে অন্তরায় হয়ে দাঁড়াতে পারে।  

Ridmik News is the most used news app in Bangladesh. Always stay updated with our instant news and notification. Challenge yourself with our curated quizzes and participate on polls to know where you stand.

news@ridmik.news
support@ridmik.news
© Ridmik Labs, 2018-2021