বাংলাদেশে বছরে ৪ লাখ অপরিণত শিশু জন্ম নেয়: বিএসএমএমইউ
জাতীয়
বাংলাদেশে বছরে ৪ লাখ অপরিণত শিশু জন্ম নেয়: বিএসএমএমইউ
বাংলাদেশে প্রতি বছর অন্তত চার লাখ শিশু অপরিণত বয়সে জন্ম নেয় বলে জানিয়েছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ)। বুধবার (৩০ নভেম্বর) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের কার্যালয়ে অরবিস ইন্টারন্যাশনালের সঙ্গে বিএসএমএমইউয়ের এক সমঝোতা সই অনুষ্ঠানে এ কথা জানানো হয়।
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত
৩৫ সপ্তাহের আগে নবজাতক শিশুর জন্ম হলে এবং ওজন দুই কেজির কম হলে শিশুর চোখে রেটিনোপ্যাথি অব প্রিমেচুরিটি হতে পারে। অপরিণত নবজাতকের জন্মের ২০ থেকে ৩০ দিনের মধ্যে অবশ্যই চক্ষু বিশেষজ্ঞদের কাছে শিশুর চোখ পরীক্ষা করাতে হবে। অন্যথায় শিশু চিরতরে অন্ধ হয়ে যেতে পারে।
বিএসএমএমইউয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মো. শারফুদ্দির আহমেদ
এ সমঝোতার ফলে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে স্থাপিত নবজাতক শিশুদের চক্ষুরোগ চিকিৎসাকেন্দ্র বা রেটিনোপ্যাথি অব প্রিমেচুরিটি (আরওপি) সেন্টারের কারিগরি সহায়তার মেয়াদ বাড়ানো হয়। একই সঙ্গে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের আরওপি সেন্টার থেকে ঢাকাসহ সারাদেশে পাঁচটি চক্ষুসেবা দানকারী প্রতিষ্ঠান শিশুদের চক্ষু সুরক্ষায় একযোগে কাজ করবে। সমঝোতা সই অনুষ্ঠানে বিএসএমএমইউয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মো. শারফুদ্দির আহমেদ বলেন, ৩৫ সপ্তাহের আগে নবজাতক শিশুর জন্ম হলে এবং ওজন দুই কেজির কম হলে শিশুর চোখে রেটিনোপ্যাথি অব প্রিমেচুরিটি হতে পারে। অপরিণত নবজাতকের জন্মের ২০ থেকে ৩০ দিনের মধ্যে অবশ্যই চক্ষু বিশেষজ্ঞদের কাছে শিশুর চোখ পরীক্ষা করাতে হবে। অন্যথায় শিশু চিরতরে অন্ধ হয়ে যেতে পারে। এজন্য শিশুর চোখের যত্ন নিতে হবে। সমঝোতা সই অনুষ্ঠানে জানানো হয়, বাংলাদেশে প্রতি বছর তিন মিলিয়ন শিশু জন্মগ্রহণ করে। এর মধ্যে অন্তত চার লাখ শিশু অপরিণত বয়সে জন্ম নেয় এবং যাদের ওজন স্বাভাবিকের চেয়ে কম থাকে এসব শিশুর আরওপি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। যা তাদের অন্ধত্বের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে ২০১৩ সাল থেকে বাংলাদেশে অরবিস ইন্টারন্যাশনাল বিভিন্ন সহযোগী সংস্থার মাধ্যমে নানা কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। এ পর্যন্ত অরবিসের সহায়তায় সারাদেশে ছয়টি আরওপি স্ক্রিনিং ও ট্রিটমেন্ট সেন্টার এবং একটি আরওপি রিসোর্স সেন্টার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
জাতীয়স্বাস্থ্য
আরো পড়ুন