টাংগাইল | Ridmik News
টাংগাইল
আয়ুবের্দিক চিকিৎসায় ৩ মাসে ব্লাড ক্যানসার থেকে মুক্তি!
টাঙ্গাইলে আয়ুবের্দিক চিকিৎসার মাধ্যমে শিবানী (৪) নামের এক শিশু ব্লাড ক্যানসার থেকে মুক্তি পেয়েছেন। গাছ-গাছরা দিয়ে তৈরি করা ওষুধ খেয়ে প্রায় ৩ মাসেই ব্লাড ক্যানসার থেকে মুক্তি মিলিছে বলে দাবি করেন এক হাকিম। শিবানী গাজীপুরের মনিপুর এলাকার গোবিন্দ চন্দ্র দাসের মেয়ে। ওই হাকিমের নাম জবেদ আলী মন্ডল। তিনি টাঙ্গাইল পৌরসভার বালুচরা এলাকার বাসিন্দা। তবে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ বলছে, বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ছাড়া বলা যাচ্ছে না ওই ব্যক্তির চিকিৎসার ফলে শিশুটি ব্লাড ক্যানসার থেকে মুক্তি পেয়েছেন। ওই শিশুর বাবা গোবিন্দ চন্দ্র দাস বলেন, আমার মেয়ের ব্লাড ক্যান্সার হয়েছিলো। অনেক জায়গায় চিকিৎসা করিয়েও আমার মেয়েকে সুস্থ করে তুলতে পারেনি। এতে প্রায় আমার ২ থেকে ৩ থেকে লাখ টাকা খরচ হয়েছে। পরবর্তীতে খোঁজ খবর নিয়ে জবেদ আলী মন্ডলের কাছে আসি। তার এখানে চিকিৎসা নিয়ে আমার মেয়ে এখন সুস্থ হয়েছে। তার এখানে মাত্র ২৫ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। তিনি আরও বলেন, শিবানীর হিমোগ্লোবিন কমে গিয়ে ২ মাত্রায় নেমে এসেছিলো। জবেদ আলী মন্ডলের কাছে চিকিৎসা করার পরে বর্তমানে শিবানীর রক্তে হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ ১৬।
টাঙ্গাইলে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় ২ নারী নিহত
টাঙ্গাইলে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় ২ জন নারী নিহত হয়েছেন। এসব দুর্ঘটনায় ৩ জন আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (১১ আগস্ট) বিকেলে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের কালিহাতী উপজেলার এলেঙ্গা ও টাঙ্গাইল সদর উপজেলার রাবনা বাইপাস এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন, জনতা বেগম (৪৫) মির্জাপুর উপজেলার নগর ভাতগ্রামের আবু মিয়ার স্ত্রী এবং রাবেয়া খাতুন (৭০) কালিহাতী উপজেলার সহদেবপুর ইউনিয়নের পাঠন্দ দ্বিমুখা গ্রামের মৃত রবি শেখের স্ত্রী।
চলন্ত বাসে ডাকাতি ও গণধর্ষণ আরও ২ জন স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি
টাঙ্গাইলের আলোচিত ঈগল এক্সপ্রেসের চলন্ত বাসে ডাকাতি ও গণধর্ষণের ঘটনায় গ্রেফতার হওয়া আরও ২ জন আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। বুধবার বিকেলে সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট নওরিন করিম তাদের জবানবন্দি লিপিবদ্ধ করেন। এরা হলেন, মূল পরিকল্পনাকারী রতন হোসেন (২১) এবং আব্দুল মান্নান (২২)। এ নিয়ে এখন পর্যন্ত মোট ১১ জন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। আদালত সূত্র জানায়, রতন হোসেন, আব্দুল মান্নান, খন্দকার মো. হাসমত আলী ওরফে দীপু এবং মো. জীবন ডিবি হেফাজতে ৩ দিনের রিমাণ্ডে ছিলেন। রিমাণ্ড শেষ হওয়ায় বৃহস্পতিবার (১১ আগস্ট) তাদেরকে আদালতে তোলা হয়। এর মধ্যে রতন ও মান্নান আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। রিমাণ্ড শেষ হওয়া অপর দুইজনকে কারাগারে পাঠানো হয়। টাঙ্গাইলের কোর্ট ইন্সপেক্টর তানভীর আহমেদ বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
সৃষ্টির আবাসিকে শিক্ষার্থী হত্যা মামলায় ৪ শিক্ষক কারাগারে
টাঙ্গাইলে সৃষ্টি একাডেমিক স্কুলের আবাসিকে শিক্ষার্থীকে হত্যার ঘটনায় ৪ শিক্ষক আদালতে আত্মসমর্পণ করেছেন। বুধবার (১১ আগস্ট) বিকেলে ভারপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ মাসুদ পারভেজের আদালতে তারা আত্মসমর্পণ করে আইনজীবীর মাধ্যমে জামিন আবেদন করেন। পরে বিচারক উভয় পক্ষের আইনজীবীর যুক্তি তর্ক শোনার পর তাদের জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। আত্মসমর্পণকারী হলেন- মামলার বিপ্লব (৩০), আশরাফ (৩০), মাসুম (৪০) ও বিজন (৪০)।এ ব্যাপারে টাঙ্গাইল জজ কোর্টের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) এস আকবর খান বলেন, আসামী পক্ষ উচ্চ আদালতে অন্তবর্তী জামিনের আবেদন করেন। তবে উচ্চ আদালত তাদের জামিন মঞ্জুর না করে ছয় সপ্তাহের মধ্যে নিম্ন আদালতে জামিন আবেদন করার জন্য নির্দেশনা দেন। বুধবার সেই নির্দেশনার শেষ দিন আসামী পক্ষ আইনজীবীর মাধ্যমে জেলা ও দায়রা জজ আদালতে হাজির হয়ে জামিন আবেদন করেন। উভয় পক্ষের আইনজীবীর যুক্তি তর্ক শোনার পর বিজ্ঞ বিচারক তাদের জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। বাদি পক্ষে মামলা পরিচালনা করেন রাসেল রানা। অপরদিকে আসামি পক্ষে মামলা পরিচালনা করেন এডভোকেট শরিফুল ইসলাম রিপন।
টাঙ্গাইলে ছেলে হত্যার বিচার চেয়ে বাবা-মায়ের আকুতি
টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে যুবককে হত্যার প্রতিবাদে ও বিচারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১১ আগস্ট) দুপুরে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের বঙ্গবন্ধু অডিটরিয়ামে নিহতের বাবা-মা এ সংবাদ সম্মেলন করেন। এ সময় তিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুদৃষ্টি কামনা করছি। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পেশ করেন নিহতের মা নুরজ্জাহান। তিনি বলেন, ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে ২০২১ সালের ১৭ আগস্ট রাতে বাড়ি ফেরার পথে বেলার হোসেনের নেতৃত্বে কয়েকজন আমার স্বামী ও ছেলে নাজমুল হোসেনের উপর রড ও লাঠি দিয়ে অতর্কিতভাবে হামলা চালায়। পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে ঘাটাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। পরে সেখান থেকে নাজমুলকে উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে  ভর্তি করা হয়। কিন্ত নাজমুলের অবস্থা অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেলে ভর্তি করা হয়। পরবর্তীতে ১৯ আগস্ট সন্ধ্যায় আমার ছেলের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় ঘাটাইল থানায় ৯ জনকে আসামী ও অজ্ঞাতনামা আরো কয়েজ জনের বিরুদ্ধে থানায় মামলা দায়ের করা হয়। বর্তমানে মামলাটি সিআইডি তদন্ত করছে।
জাহাজমারা দিবস: যে কারণে মুক্তিযুদ্ধের 'টার্নিং পয়েন্ট' আজ
আজ (১১ আগস্ট) ঐতিহাসিক জাহাজমারা দিবস। মহান স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে এক গৌরবোজ্জ্বল দিন। পাক বাহিনীর জাহাজে আক্রমণ ও দখলের ঘটনাকে মুক্তিযুদ্ধের টার্নিং পয়েন্ট হিসেবে গণ্য করা হয়ে থাকে। ১৯৭১ সালের এই দিনে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর মরণাস্ত্র, গোলাবারুদ, জ্বালানি ও রসদ বোঝাই সাতটি যুদ্ধজাহাজ নারায়ণগঞ্জ থেকে উত্তরবঙ্গে যাচ্ছিলো। মুক্তিযুদ্ধের সময় টাঙ্গাইলের যমুনা ধলেশ্বরী নদী পথে মাটিকাটা নামক স্থানে নদীপথের দায়িত্বে ছিলেন কাদেরিয়া বাহিনীর সাহসী কোম্পানি কমান্ডার হাবিবুর রহমান। তিনি তার দূরদর্শিতা ও অল্প কয়েকজন সাহসী মুক্তিযোদ্ধা নিয়ে জীবন বাজি রেখে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর দুইটি অস্ত্রবোঝাই জাহাজ এস ইউ ইঞ্জিনিয়ার্স এল সি-৩ এবং এসটি রাজন ধ্বংস করেন। এর মাধ্যমে হানাদারদের পরিকল্পনা নস্যাৎ হয়ে যায়। জাহাজগুলো আক্রমণ ও দখল করে ১ লাখ ২০ হাজার বাক্সে তৎকালীন ২১ কোটি টাকা মূল্যের অস্ত্রশস্ত্র ও গোলাবারুদ মুক্তিযোদ্ধাদের হস্তগত হয়েছিল।
বাসে ডাকাতি ও ধর্ষণ মামলায় আরও ২ আসামির জবানবন্দি
টাঙ্গাইলের আলোচিত ঈগল এক্সপ্রেসের চলন্ত বাসে ডাকাতি ও গণধর্ষণের ঘটনায় গ্রেফতার হওয়া ২ জন আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। বুধবার (১০ আগস্ট) বিকেলে সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট নওরিন করিম তাদের জবানবন্দি লিপিবদ্ধ করেন। এরা হলেন, বাবু হোসেন ওরফে জুলহাস (২১) এবং সোহাগ মন্ডল (২০)। জুলহাস ও সোহাগ ডিবি পুলিশের রিমান্ডে ছিলেন। আদালত সূত্র জানায়, বুধবার বিকেলে ডিবি পুলিশ জবানবন্দির জন্য জুলহাস ও সোহাগ মন্ডলকে আদালতে তোলেন। পরে জবানবন্দির শেষে বিচারক তাদের কারাগারে প্রেরণের আদেশ দেন। টাঙ্গাইলের কোর্ট ইন্সপেক্টর তানভীর আহমেদ জবানবন্দির বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত মোট ৯ জন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। মঙ্গলবার বিকেলে গ্রেফতারকৃত ১০ জনের মধ্যে ৪ জন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। অপরদিকে ৬ জনের ৩ দিন করে রিমান্ড আবেদন মঞ্জুর করেন আদালত।
টাঙ্গাইলে সেনাবাহিনীর সিভিল সদস্যসহ ২ জনের মরদেহ উদ্ধার
টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে সেনাবাহিনীর সিভিল সদস্যসহ দুই জনের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গতকাল মঙ্গলবার (৯ আগস্ট) উপজেলার সারপলশিয়া ও ভারই গ্রাম থেকে তাদের লাশ উদ্ধার করা হয়। নিহতরা হলেন, রেনু বেগম (৪৯) উপজেলার অলোয়া ইউনিয়নের ভারই গ্রামের রহিজ উদ্দিনের স্ত্রী এবং কুমিল্লার মুরাদ নগর উপজেলার পীর কাশিমপুর মৃত বশির আহমেদের ছেলে ছাইদুল ইসলাম (৩৭)।  ছাইদুল উপজেলার বঙ্গবন্ধু সেতু ক্যান্টনমেন্টের ১১ আরই ব্যাটালিয়নের জাহাজ স্টাফ ও সিভিল ইলেকট্রিশিয়ান হিসেবে কর্মরত ছিলেন। মঙ্গলবার (৯ আগস্ট) বিকাল  উপজেলার নিকরাইল ইউনিয়নের সারপলশিয়া গ্রাম থেকে তার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। অপরদিকে ভূঞাপুরে রান্না ঘরে চুলায় ভাতের পাতিল রেখেই গলায় ফাঁসি দিয়ে রেনু বেগম (৪৯) নামে এক নারী আত্মহত্যা করেছেন। উপজেলার অলোয়া ইউনিয়নের ভারই গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।  ভূঞাপুর থানার ওসি  ফরিদুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
চলন্ত বাসে ডাকাতি ও ধর্ষণ: ৪ জনের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি
টাঙ্গাইলের আলোচিত ঈগল এক্সপ্রেসের চলন্ত বাসে ডাকাতি ও গণধর্ষণের ঘটনায় গ্রেফতার হওয়া ৪ জন আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। এ ছাড়া অপর ৬ জনকে ৩ দিন করে রিমাণ্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। মঙ্গলবার (৯ আগস্ট) সন্ধ্যায় সংশ্লিষ্ট্য আদালতের বিচারক তাদের জবানবন্দি ও রিমাণ্ড মঞ্জুর করেন। জবানবন্দিকারীরা হলেন, মো. আলাউদ্দিন (২৪), আসলাম তালুকদার ওরফে রায়হান (১৮, রাসেল তালুকদার (৩২) এবং নাঈম সরকার (১৯)। রিমাণ্ডকৃতরা হলেন, মূল পরিকল্পনাকারী রতন হোসেন (২১), সোহাগ মন্ডল (২০), খন্দকার মো. হাসমত আলী ওরফে দীপু (২৩), বাবু হোসেন ওরফে জুলহাস (২১), মো. জীবন (২১), আব্দুল মান্নান (২২)। আদালত সূত্র জানায়, মঙ্গলবার বিকেলে ১০ জনকে আদালতে তোলেন ডিবি পুলিশ। এর মধ্যে ৪ জন আদালতে জবানবন্দি দেন। অপরদিকে ডিবি পুলিশ  ৬ জনকে ৭ দিন করে রিমাণ্ডে আবেদন করেন। পরে শুনানি শেষে সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতের বিচারক ফারাজানা হাসনাত ৩ দিন করে রিমাণ্ড আবেদন মঞ্জুর করেন।
চলন্ত বাসে ডাকাতি ও ধর্ষণ: ৬ জনের রিমান্ড
কুষ্টিয়া থেকে নারায়ণগঞ্জগামী একটি চলন্ত বাসে ডাকাতি ও গণধর্ষণের ঘটনায় ছয়জনের তিন দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। এছাড়া চারজন ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী দিয়েছে। মঙ্গলবার (৯ আগস্ট) বিকেলে মূল পরিকল্পনাকারীসহ ডাকাত চক্রের ১০ সদস্যকে সাতদিনের রিমান্ড চেয়ে টাঙ্গাইল সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হয়। পরে আদালত ছয়জনের তিন দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন। আসামিরা হলেন-প্রধান পরিকল্পনাকারী মো. রতন হোসেন, মো. আলাউদ্দিন (২৪), মো. সোহাগ মন্ডল (২০), খন্দকার মো. হাসমত আলী ওরফে দীপু (২৩), মো. বাবু হোসেন ওরফে জুলহাস (২১), মো. জীবন (২১), মো. আব্দুল মান্নান (২২), মো. নাঈম সরকার (১৯), রাসেল তালুকদার (৩২) ও আসলাম তালুকদার ওরফে রায়হান (১৮)। টাঙ্গাইল গোয়েন্দা পুলিশের পরিদর্শক ও ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ডিবি উত্তর) মো. হেলাল উদ্দিন বলেন, আসামিদের সাতদিনের রিমান্ড চেয়ে আদালতে পাঠানো হয়। কিন্তু আদালত ছয়জনের ৩ দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেছে। আর চারজনের ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী গ্রহণ করে।
চলন্ত বাসে ধর্ষণ ও ডাকাতি: মূলহোতাসহ ১০ জনকে আদালতে তোলা হবে আজ
টাঙ্গাইলের মধুপুরে আলোচিত ঈগল এক্সপ্রেসের চলন্ত বাসে অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে ডাকাতি ও গণধর্ষণের ঘটনায় গ্রেফতারকৃত মূলহোতাসহ ১০ জনকে আজ মঙ্গলবার (৯ আগস্ট) আদালতে তোলা হবে। দুপুরের দিকে এ মামলার তদন্ত কর্মকর্তা জেলা গোয়েন্দা পুলিশ ওসি হেলাল উদ্দিন তাদের আদালতে তুলবেন। সোমবার রাতে র‌্যাব গ্রেফতারকৃত ১০ জনকে এ মামলার তদন্ত কর্মকর্তার কাছে হস্তান্তর করেন। এর আগে রোববার রাতে ঢাকা, গাজীপুর ও সিরাজগঞ্জ এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার  করে র‌্যাব। পরে সোমবার দুপুরে কারওয়ান বাজার র‌্যাব মিডিয়া সেন্টারে সংবাদ সম্মেলনে বিস্তারিত জানান। গ্রেফতাতারকৃতরা হলেন, মূল পরিকল্পনাকারী রতন হোসেন (২১), মো. আলাউদ্দিন (২৪), সোহাগ মন্ডল (২০), খন্দকার মো. হাসমত আলী ওরফে দীপু (২৩), বাবু হোসেন ওরফে জুলহাস (২১), মো. জীবন (২১), আব্দুল মান্নান (২২), নাঈম সরকার (১৯), রাসেল তালুকদার (৩২) ও আসলাম তালুকদার ওরফে রায়হান (১৮)। এর আগে টাঙ্গাইলের জেলা গোয়েন্দা ডিবি পুলিশ এ ঘটনায় ৩ জনকে গ্রেফতার করে। গত শনিবার রাতে ৩ জন ডাকাত সদস্য আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।
চলন্ত বাসে ডাকাতি ও ধর্ষণ: গ্রেফতারকৃত ১০ আসামিকে পুলিশে হস্তান্তর
টাঙ্গাইলের মধুপুরে আলোচিত ঈগল এক্সপ্রেসের চলন্ত বাসে অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে ডাকাতি ও গণধর্ষণের ঘটনায় গ্রেফতারকৃত মূলহোতাসহ ১০ জনকে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেছে র‌্যাব। সোমবার (৮ আগস্ট) রাতে র‌্যাব এ মামলার তদন্ত কর্মকর্তা জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (উত্তর) ওসি হেলাল উদ্দিনের কাছে হস্তান্তর করেন। এর আগে রোববার রাতে ঢাকা, গাজীপুর ও সিরাজগঞ্জ এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার  করে র‌্যাব। পরে সোমবার দুপুরে কারওয়ান বাজার র‌্যাব মিডিয়া সেন্টারে সংবাদ সম্মেলনে বিস্তারিত জানানো হয়। পুলিশ সূত্র জানায়, গ্রেফতারকৃত ১০ জনকে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। তাদের মঙ্গলবার আদালতে তোলা হবে। এর আগে ডিবি পুলিশ এ ঘটনায় ৩ জনকে গ্রেফতার করে। গত শনিবার  রাতে ৩ জন ডাকাত সদস্য আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।
চলন্ত বাসে ডাকাতি ও গণধর্ষণ: মূল হোতাসহ গ্রেফতার ১০
টাঙ্গাইলে ঈগল এক্সপ্রেস পরিবহনের বাসে ডাকাতি ও গণধর্ষণের ঘটনার মূল হোতাসহ ১০ ডাকাতকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব। ঢাকা, গাজীপুর ও চট্টগ্রামে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়েছে। র‌্যাব জানায়, ডাকাতি ও ধর্ষণের ঘটনার মূল পরিকল্পনাকারী রতন হোসেন। আগামীকাল সোমবার (৮ জুন) সংবাদ সম্মেলনে ডাকাত চক্রের ব্যাপারে বিস্তারিত তথ্য জানাবে র‌্যাব। এর আগে, পুলিশ এই ঘটনায় আরও তিনজনকে গ্রেফতার করে। তারা হলেন- রাজা মিয়া, আবদুল আওয়াল ও নুরনবী। তারা তিনজন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। গত মঙ্গলবার রাতে ঈগল এক্সপ্রেসের একটি বাস কুষ্টিয়ার ৩০-৩৫ জন যাত্রী নিয়ে ঢাকার দিকে যাচ্ছিল। যাত্রা শুরুর পর তিন দফায় যাত্রীবেশে ১০-১২ জন ডাকাত বাসে ওঠে। এরপর তারা তিন ঘণ্টা বাসের ভেতর নারকীয় তাণ্ডব চালায়। যাত্রীদের হাত-পা ও চোখ বেঁধে মারধর এবং লুটপাটের পর এক নারীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করে তারা। পরে ডাকাত দল বাসটি ঘুরিয়ে টাঙ্গাইল-ময়মনসিংহ সড়কের মধুপুর উপজেলার রক্তিপাড়া জামে মসজিদের সামনে ফেলে রেখে নেমে যায়।
বাসে ডাকাতি ও ধর্ষণ: সেই নারীর সোয়াপ পরীক্ষায় নেগেটিভ
টাঙ্গাইলের মধুপুরে আলোচিত ঈগল এক্সপ্রেসের চলন্ত বাসে অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে ডাকাতি ও গণধর্ষণের ঘটনায় ভুক্তভোগী ওই নারীর ডাক্তারি পরীক্ষার ফলাফল পাওয়া গেছে। পরীক্ষায় হাইভেজাইনাল সোয়াপ টেস্ট নেগেটিভ এসেছে। রোববার (৭ আগস্ট) দুপুরে ডাক্তারী পরীক্ষা সম্পন্নকারী ও টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের গাইনী বিশেষজ্ঞ ডা. রেহেনা পারভীন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। অধিকতর পরীক্ষার জন্য বিভিন্ন আলামত ডিএনএ পরীক্ষার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। তবে ওই নারীর শরীরের বিভিন্ন জায়গায় আঘাতের চিহ্ন থাকায় এটা ধর্ষণ বলে মনে করছেন চিকিৎসকরা। হাসপাতাল সূত্র জানায়, গত বৃহস্পতিবার ওই নারীর ডাক্তারী পরীক্ষা সম্পন্ন হয়। টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের গাইনী বিশেষজ্ঞ ডা. রেহেনা পারভীন নেতৃত্বে  পরীক্ষা সম্পন্ন করা হয়। পরে শনিবার বিকেলে হাইভেজাইনাল সোয়াপ টেস্টের ফলাফল পাওয়া যায়।
বাসের চাপায় পুলিশ সদস্য নিহত
ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে বাসের চাপায় টাঙ্গাইলের গোড়াই হাইওয়ে পুলিশের টহল গাড়িতে থাকা এক কনস্টেবল নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় থানার ওসিসহ ২ জন আহত হয়েছেন। রোববার (৭ আগস্ট) ভোররাতে গাজীপুরে কালিয়াকৈর উপজেলার বোর্ডঘর এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত কনস্টেবল মনির হোসেন (২৫) ঢাকার ধামরাই উপজেলার কান্দাপাড়া গ্রামের শাহজাহান মিয়ার ছেলে। দুপুরে গোড়াই হাইওয়ে পুলিশের ওসি মোল্লা টুটুল বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।পুলিশ জানায়, ভোররাত আড়াইটার দিকে মহাসড়কে নিয়মিত টহলের অংশ হিসেবে গোড়াই হাইওয়ে থানার ওসি মোল্লা টুটুল কনস্টেবল মনিরকে নিয়ে কালিয়াকৈরের দিকে যাচ্ছিলেন। এ সময় তাদের বহনকারী পিকআপটি বোর্ডঘর এলাকায় পৌঁছালে পেছন থেকে একটি বাস ধাক্কা দিয়ে পালিয়ে যায়। এ সময় পেছনে থাকা কনস্টেবল মনির ছিটকে রাস্তায় পড়ে যান এবং ওসি টুটুল ও চালক আলতাফ হোসেন ভেতরে আটকা পড়েন। পরে তাদেরকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠান। গুরুতর আহত অবস্থায় কনস্টেবল মনিরকে মির্জাপুরের কুমুদিনী হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। আহত গোড়াই হাইওয়ে পুলিশের ওসি মোল্লা টুটুল বলেন, ওই বাসটিকে শনাক্ত করা যায়নি। তবে শনাক্তের চেষ্টা চলছে।