স্বাস্থ্য সংক্রান্ত সাম্প্রতিক সকল খবর । Health News | Ridmik News
স্বাস্থ্য
দেশের যেসব অঞ্চলে উচ্চ রক্তচাপের রোগী বেশি
দেশে উচ্চ রক্তচাপের রোগীদের হার সবচেয়ে চট্টগ্রাম ও আশপাশের জেলাগুলোতে বেশি বলে গবেষণায় জানা গেছে। সম্প্রতি দেশের ২২টি হাসপাতালের প্রায় ২ হাজার রোগীর মধ্যে চালানো এক গবেষণায় এ তথ্য উঠে আসে। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ, চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের যৌথ গবেষণায় উচ্চ রক্তচাপের রোগীদের জীবনমান ও শারীরিক জটিলতার বিভিন্ন তথ্য সংবলিত গবেষণাপত্রটি প্রকাশিত হয়েছে ব্রিটিশ জার্নাল ‘বিএমসি পাবলিক হেলথ’–এ।
দেশে ৮ পদের ওষুধের নিবন্ধন বাতিল
মানুষ ও পশুচিকিৎসায় ব্যবহৃত ৮ পদের ওষুধের নিবন্ধন বাতিল করেছে বাংলাদেশ ঔষধ প্রশাসন অধিদফতর। গতকাল সোমবার (১৬ মে) ঔষধ প্রশাসন অধিদফতরের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মো. ইউসুফ স্বাক্ষরিত এক প্রেসবিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, ড্রাগ কন্ট্রোল কমিটির ২৫৩তম সভায় এ ওষুধগুলোর নিবন্ধন বাতিলের সিদ্ধান্ত হয়েছে।
নারী-পুরুষ উভয়ই বন্ধ্যাত্ব হতে পারেন যে রোগে
দেশে অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস, মানসিক চাপের কারণে বন্ধ্যাত্বের সমস্যা দিন দিন বেড়ে চলেছে। এগুলো ছাড়াও জানেন কি, যৌনরোগও বন্ধ্যাত্বের সম্ভাবনা রয়েছে। বন্ধ্যাত্ব এখন আর দুর্ঘটনা নয়, বরং ঘরে ঘরে ঢুকে পড়ছে এই সমস্যা। বিশেষজ্ঞদের দাবি, মহিলা বা পুরুষ, উভয়ের সন্তানহীনতার নেপথ্যেই রয়েছে জীবনযাত্রায় অনিয়ম। খাদ্যাভ্যাসের জটিলতা, মাত্রাতিরিক্ত শারীরিক-মানসিক চাপ এ সবের কারণেই এ সমস্যা দিনে দিনে বৃদ্ধি পাচ্ছে। কিছু কিছু যৌনরোগ বন্ধ্যত্বের আশঙ্কাও বাড়াতে পারে বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। কোন কোন যৌনরোগ এ ক্ষেত্রে মারাত্মক হতে পারে আসুন জেনে নিই-
দেশে প্রতি বছর ১০ হাজার শিশু থ্যালাসেমিয়া নিয়ে জন্মায়
থ্যালাসেমিয়া প্রতিরোধযোগ্য রক্তস্বল্পতাজনিত বংশগত রোগ। বাবা-মা উভয়ে যদি ত্রুটিপূর্ণ জিন বহন করেন তাহলে তাদের সন্তান থ্যালাসেমিয়া নিয়ে জন্মগ্রহণ করতে পারে। সচেতনতার অভাবে আমাদের দেশে এই রোগের বাহকের সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে। ব্যাপক জনগোষ্ঠী এখনো এই রোগ সম্পর্কে সচেতন নয় এবং বাহক নির্ণয় হয়নি। ফলে বাহকের সংখ্যা দিনকে দিন বেড়ে যাচ্ছে।
স্কোপোলামাইন: মুহূর্তেই মানুষকে নিঃস্ব করে দেয় যে ভয়ঙ্কর ড্রাগ!
আপনি একজন জোম্বির ন্যায় আচরণ করতে শুরু করবেন। আপনি হ্যালো বলার ক্ষমতাও হারিয়ে ফেলবেন। অনুভূতি প্রকাশের ক্ষমতাও থাকবে না আপনার। " তার সাথে ঠিক কী ঘটেছিল এমন প্রশ্নে ক্যারোলিনা জানালেন , "আমি বাস ধরার জন্য হাঁটছিলাম। এক লোক আমাকে থামালো এবং এক টুকরো কাগজ আমার দিকে বাড়িয়ে দিয়ে বললো এই ঠিকানাটা কোন দিকে জানাতে। ঠিকানাটা কাছেই ছিল। তাই আমি তাকে সেখানে পৌঁছে দিলাম। আমরা একসাথে জুস খেলাম। আমার মনে হলো, জুসের মধ্যে তিনি স্কোপোলামাইন মিশিয়ে দিয়েছিলেন।
বিশ্বব্যাপী গুরুতর হেপাটাইটিসে আক্রান্ত ৩০০ শিশু
তাদের প্রাথমিক লক্ষণ ছিল বমি এবং ডায়রিয়া। পরবর্তীতে জন্ডিস হয়ে ত্বক বা চোখের সাদা অংশ হলুদ হয়ে যাওয়া। তবে সাধারণ হেপাটাইটিস ভাইরাসগুলো ( এ, বি, সি,ডি এবং ই ) শিশুদের মধ্যে শনাক্ত করা যায়নি। অ্যাডেনোভাইরাসের ৫০টি বিভিন্ন প্রকার রয়েছে। এগুলো সাধারণত সর্দি, কখনও কখনও অসুস্থতা এবং ডায়রিয়ার কারণ হয়। তবে এই ভাইরাস খুব কম শিশুর দেহেই হেপাটাইটিস সৃষ্টি করে।
ফরিদপুরে ২৪ ঘণ্টায় ৭০ জন ডায়রিয়া রোগী ভর্তি
ফরিদপুরে তীব্র গরমে হঠাৎ বেড়েছে ডায়রিয়ার ভয়াবহতা। পুরো হাসপাতাল ভরা রোগীদের আর্তনাদ। গত ৮ দিনে ডায়রিয়ায় আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১০৭২ জনে। ডায়রিয়ায় ওয়ার্ডের ইনচার্জ সিনিয়র স্টাফ নার্স গোলাপী বেগম এবং সিনিয়র স্টাফ নার্স মর্জিনা খানম জানান, রোজা রেখে রোগীর পিছনে খাটতে সেবা দিতে আপত্তি নাই আমাদের কিন্তু নোংরা মলমূত্র, বমি, কাশি, পায়খানা পরিষ্কার করা ক্লিনার ও আয়ার খুবই অভাব। হাসপাতাল সূত্র জানায়, বুধবার (২৭ এপ্রিল) সকাল থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত নতুন আরও ৭০ জন ডায়রিয়ার রোগী ভর্তি হয়। অন্যদিকে, দুপুর ২টা পর্যন্ত নতুন আরও ৯৬ জন ডায়রিয়ায় রোগী চিকিৎসা নিয়ে বাসায় চলে যায়। গত ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ১১৭ জন। এরমধ্যে পুরুষ ৮০ জন নারী ৩৩ জন শিশু ৪ জন। তারা তাৎক্ষণিক চিকিৎসা নিয়ে বাসায় ফিরছেন। তবে ৪০-৫৫ বছর বয়সী পুরুষ এবং ৩০-৪০ বছর বয়সী নারী ডায়েরিয়া আক্রান্তের সংখ্যা বেশি। সরেজমিনে হাসপাতালে গিয়ে দেখা যায়, ফরিদপুরের একমাত্র ডায়েরিয়া চিকিৎসা দেয়া জেনারেল হাসপাতালের ১০ বেডের ডায়রিয়ায় ওয়ার্ডটিতে ভর্তি রোগীর সংখ্যা কমপক্ষে ১৫০ জন। এক বেডে দুইজন করে, বারান্দা-খোলা জায়গায় কোথাও স্বজনদের দাঁড়ানোর কোনো জায়গাই ছিলো না। গত ৪৮ ঘণ্টায় ডায়রিয়ার ভয়াবহতা বৃদ্ধির কারণে পুরো জেনারেল হাসপাতালের পুরো ওয়ার্ডকেই ডায়েরিয়া ওয়ার্ডের আওতায় আনা হয়েছে।
ইউরোপ, আমেরিকার পর এশিয়ায় ছড়িয়ে পড়েছে রহস্যময় হেপাটাইটিস!
প্রকাশিত তথ্যানুযায়ী সারাবিশ্বে ১৯০ জন শিশু রোগী শনাক্ত করা হয়েছে যাদের মধ্যে অধিকাংশই (১৪০ জন) ইউরোপের। ইউরোপে আক্রান্ত মোট শিশুদের মধ্যে আবার ১১০ জন পাওয়া গেছে ব্রিটেনে। যদিও ব্রিটেনে হেপাটাইটিস আক্রান্ত প্রথম শিশু রোগী শনাক্ত করা হয়েছিল চলতি বছরের জানুয়ারিতে।
খেজুর গরম পানি দিয়ে ধুয়ে খেতে সৌদির পরামর্শ
খাওয়ার আগে খেজুর গরম পানি দিয়ে ধুয়ে খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছে বিশ্বের অন্যতম খেজুর উৎপাদনকারী দেশ সৌদি আরব। সৌদি ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অথরিটি (এসএফডিএ) বলছে, খেজুরে যদি কোনো কীটনাশক এবং রাসায়নিক পদার্থের অবশিষ্টাংশ থাকে তা কমাতে এমনটা করা উচিত। সংবাদমাধ্যম সৌদি গেজেটের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা গেছে। এসএফডিএ বলছে, খেজুরগুলো রাসায়নিক পদার্থ যেমন কীটনাশকের অবশিষ্টাংশ এবং ভারী এবং বিষাক্ত ধাতু দ্বারা দূষিত হয়, অথবা ভৌত কোনো পদার্থ ( ফরেন বডি যেমন ধাতব অংশগুলোর উপস্থিতি) দ্বারা বা অণুজীবের বৃদ্ধি (ইস্ট এবং ছাঁচ) দ্বারা দূষিত হয়। সংস্থাটি আরও বলছে, খেজুর সংরক্ষণের বিভিন্ন উপায় রয়েছে, যার মধ্যে সবচেয়ে ভালো উপায় হচ্ছে ‘ফ্রিজিং’। কারণ এটি অণুজীবকে মেরে ফেলতে বা কমাতে কাজ করে, সেই সঙ্গে বায়োপ্রসেস এবং অক্সিডেশন কমাতে কাজ করে। যতটা সম্ভব কম তাপমাত্রায় খেজুর হিমায়িত করার পরামর্শ দিয়েছে এসএফডিএ। কারণ হিমায়িতের সময়টাতে এনজাইমেটিক কার্যকলাপ অব্যাহত থাকে।
বুস্টার ডোজের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া থেকে মুক্তির উপায়
কোভিড-১৯ থেকে বাঁচার একমাত্র উপায় ভ্যাকসিন। কিন্তু ভ্যাকসিনের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার জন্য ভীত অনেকে। টিকা নেয়ার পর মূলত জ্বর ও হাতে প্রচণ্ড ব্যথা হয়। কিছু ক্ষেত্রে সারা শরীর জুড়েও ব্যথা বোধ হয়। যা স্থায়ী হয় ৪৮ ঘণ্টা। এই দুই দিন শুয়ে থাকার ইচ্ছা হলেও যেন উপায় নেই। করোনার টিকা নেয়ার পর (বিশেষ করে বুস্টার ডোজ) যে সামান্য পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে তা হলো, জ্বর, গা ব্যথা সঙ্গে ক্লান্তি। বমি বমি ভাব। এসব ক্ষেত্রে ভয় পাবার কিছু নেই। যা খুবই সাধারণ বিষয়। দুই থেকে তিন দিনের ভেতরেই সেরে যাবে এসব সমস্যা। তারপরও যদি খারাপ অনুভব হয় তাহলে কিছু পরামর্শে মেনে চললে তা থেকে রেহাই পেতে পারেন। তাই টিকা নেয়ার আগেই জেনে নিন, এই পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াগুলোর থেকে রেহাই পাবেন কীভাবে?
৬ অভ্যাস যা আপনাকে সুস্থ রাখবে মন থাকবে ভালো
সুস্থ ও মন ভালো রাখতে অবশ্যই কিছু অভ্যাস ত্যাগ করে নতুন কিছু অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে। অভ্যাস এবং জীবনধারার উপরেই দাঁড়িয়ে রয়েছে আমাদের সুস্বাস্থ্যের পরিকাঠামো। অভ্যাস যদি সঠিক থাকে তাহলে ডায়েটও করতে হবে না। অভ্যাস ও জীবনধারার মাধ্যমেই সুষ্ঠুভাবে স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটানো সম্ভব। সামগ্রিকভাবে শরীরকে সুস্থ রাখতে জীবনে কয়েকটি অভ্যাস তৈরি করতে হবে আর সেগুলি কী কী, তা দেখে নিন একনজরে-
ফরিদপুর সদর হাসপাতালে ২৪ ঘণ্টায় ১০৮ জন ডায়রিয়া রোগী ভর্তি
ফরিদপুরে হঠাৎ ডায়রিয়া রোগীর সংখ্যা বাড়তে শুরু করেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় জেলার সদর হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১০৮ জন রোগী। শয্যা সংকুলান না হওয়ায় রোগীদের বারান্দা ও গাছ তলায় থাকতে হচ্ছে। শুক্রবার (২২ এপ্রিল) দুপুর ১২টায় ফরিদপুর সদর জেনারেল হাসপাতালে সরেজমিনে দেখা যায়, ডায়রিয়া ওয়ার্ড ছাড়াও আশপাশের সকল ওয়ার্ডে এখন এই রোগ নিয়ে ভর্তি হচ্ছেন রোগী। প্রতিষ্ঠানটির কোথাও সিট না পেয়ে অনেকেই বারান্দা ও গাছতলায় চিকিৎসাসেবা নিচ্ছেন। ফরিদপুর জেলা সিভিল সার্জন ডা. ছিদ্দীকুর রহমান জানান, ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ডায়রিয়া রোগী ভর্তি না নেয়ায় চাপ বেড়েছে সদর জেনারেল হাসপাতালে। এই হাসপাতালে ডায়রিয়া ওয়ার্ডে বেড মাত্র ১০টি। বর্তমানে ভর্তি রোগীর সংখ্যা ১৩৫। এই বিপুল সংখ্যক রোগীর সেবা দিতে নার্স ও চিকিৎসকদের হিমসিম খেতে হচ্ছে। সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. আগারাওলা জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার বিকেল থেকে শুক্রবার দুপুর পর্যন্ত এই হাসপাতালে ডায়রিয়া নিয়ে ভর্তি হয়েছেন ১০৮ জন। আর গত এক সপ্তাহে এ রোগে ভর্তি রোগীর চিকিৎসা দেয়া হয়েছে ৪৩২ জনের। তবে ভর্তি রোগী বেশি দিন থাকছেন না, ভালো হয়ে বাড়ি ফিরে যাচ্ছেন।
দেশে প্রথম বুক না কেটে পুরোনো ভাল্বে নতুন ভাল্ব প্রতিস্থাপন
বাংলাদেশে এই প্রথম বুক না কেটে প্রতিস্থাপিত হার্ট ভাল্বে নতুন করে ভাল্ব প্রতিস্থাপন করা হয়েছে। গত রোববার (১৭ এপ্রিল) রাজধানীর হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের সহযোগী অধ্যাপক প্রদীপ কুমার কর্মকারের নেতৃত্বে একদল চিকিৎসক ভাল্ব ইন ভাল্ব (পুরোনো অ্যাওর্টিক ভাল্বের ভেতরে নতুন ভাল্ব) অপারেশন সম্পন্ন করেন। ভালো আছেন রোগীও। এর আগে ২০১১ সালে ৭৫ বছর বয়সী এক ব্যক্তির বুক কেটে অ্যাওর্টিক ভাল্ব প্রতিস্থাপন করা হয়েছিল। দীর্ঘ ১১ বছর পর সম্প্রতি তার শ্বাসকস্ট তীব্র হতে থাকে। বুক কেটে ভাল্ব প্রতিস্থাপন ব্যক্তিদের পুনরায় প্রতিস্থাপিত ভাল্বে নতুন করে ভাল্ব স্থাপনে আর্থিক খরচ কোটি টাকার বেশি হয়। এমন অবস্থায় দিশেহারা হয়ে পড়ে রোগীর পরিবার। এদিকে ওই ব্যক্তির শারীরিক অবস্থা দ্রুত অবনতি হতে থাকে। এমন অবস্থায় তাকে জাতীয় হৃদরোগ হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। হাসপাতালের অধ্যাপক ডা. প্রদীপ কুমার কর্মকারের নেতৃত্বে চিকিৎসা শুরু হয় তার। টিমটি সিদ্ধান্ত নেয়, বুক না কেটে পূর্বের প্রতিস্থাপিত ভাল্বে নতুন করে ভাল্ব প্রতিস্থাপনের। টিএভিআর ভাল্ব প্রতিস্থাপন পদ্ধতিতে ওই ব্যক্তির হার্টে অ্যাওর্টিক ভাল্ব প্রতিস্থাপন করা হয়।
যেসব কারণে বাড়ছে উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা
উচ্চরক্তাপের সমস্যায় এখন সকলেই ভুগছেন। বরং যত দিন গড়াচ্ছে ততই যেন জটিল হচ্ছে এই সমস্যা। আজকাল সকলেরই মানসিক চাপ অত্যন্ত বেশি। বাড়ছে কর্মক্ষেত্রের চাপও। সেই সঙ্গে খাদ্যাভ্যাসেও এসেছে পরিবর্তন। আর এই সবকিছুর মিলিত প্রভাব পড়ছে রক্তচাপের ওঠা-নামায়। কিন্তু এই বর্ধিত রক্তচাপ নিয়ে আমরা ততটাও ভয় পাই না বা সচেতন নই ঠিক যতটা ক্যান্সার কিংবা হার্ট অ্যার্টাকের মত শব্দ শুনলে আতঙ্কে ভুগি। অজান্তেই যদি শরীরে বাড়তে থাকে রক্তচাপ তাহলে কিন্তু হার্টের সমস্যা আসতে বাধ্য। শুধু তাই নয়, রক্তচাপ হল নিঃশব্দ ঘাতক। হঠাৎ করেই শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ার সম্ভাবনা থেকে যায়। যে কারণে আগে থেকেই সাবধানে থাকতে হবে। রক্তচাপ বাড়লেই চাপ পড়ে আমাদের হৃদপিন্ডের ধমনীতে। যার ফলে হার্ট অ্যাটার্ক, হার্ট ফেলিওর, স্ট্রোক এবং আরও অনেক কিছু জটিল হার্টের সমস্যা কিন্তু আসে এই উচ্চরক্তচাপ থেকেই। যে কারণেই আমাদের সতর্ক থাকা দরকার। যাদের উচ্চরক্তচাপের সমস্যা রয়েছে বা যাদের পারিবারিক ইতিহাসে রয়েছে উচ্চরক্তচাপের সমস্যার তাদের কিন্তু প্রথম থেকে কিছু বিষয়ে সতর্ক থাকতেই হবে।
ফোনে ৩০ সেকেন্ডের বেশি কথা বলা ঠিক নয়: ডা. প্রাণ গোপাল
মোবাইল ফোনে যত কম কথা বলা যায় ততই ভালো। কোনো অনুষ্ঠানে ২০ মিনিটের বেশি বক্তৃতা করা ভালো নয়; মোবাইলে ৩০ সেকেন্ডের বেশি কথা বলা ঠিক নয় বলে পরামর্শ দিয়েছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) সাবেক উপাচার্য এবং নাক, কান ও গলা বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. প্রাণ গোপাল দত্ত। গত শনিবার (১৬ এপ্রিল) বিশ্ব কণ্ঠ দিবস উপলক্ষে বিএসএমএমইউয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। প্রাণ গোপাল দত্ত বলেন, রাতে ঘুমানোর আড়াই ঘণ্টা আগে খেতে হবে। সকালে ও রাতে গরম পানি খেলে গলা ভালো থাকে। ৪০ বছর বয়সের কোনো ব্যক্তির যদি ১৫ দিনের বেশি গলা ভেঙে থাকে, তাকে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। তিনি আরও বলেন, সাগর রুনির হত্যাকাণ্ডের সময় যদি অপরাধীর কণ্ঠ রেকর্ড করা থাকতো তবে তদন্তকারীর কাজ ৮০ শতাংশ সহজ হয়ে যেত। একটি বাচ্চার ভয়েস কখনো অ্যাডাল্টের মতো না। একজন তরুণ ও একজন তরুণীর ভয়েস এক রকম না। অর্থাৎ কারো ভয়েস কারো মতো না।