আফগানিস্তান | Ridmik News
আফগানিস্তান
ভূমিকম্পে বিধ্বস্ত আফগানিস্তানের পাশে বাংলাদেশ
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনা মোতাবেক ভূমিকম্পে বিধ্বস্ত আফগানিস্তানে জরুরি ত্রাণসামগ্রী পাঠিয়েছে বাংলাদেশ। বিমান বাহিনীর একটি সি-১৩০ কার্গো উড়োজাহাজে দেশটির মানুষের জন্য এই সহায়তা পাঠানো হয়। মঙ্গলবার (৫ জুলাই) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ তথ্য জানিয়েছে। ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য পাঠানো ত্রাণসামগ্রীর মধ্যে রয়েছে ওষুধ, কম্বল, শুকনো খাবার এবং তাবু টানানোর সামগ্রী। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, আফগানিস্তানে এই মানবিক সহায়তা দক্ষিণ এশিয়া ও এই অঞ্চলের মানুষের সমৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতিশ্রুতির বহিঃপ্রকাশ। গত ২২ জুন ভোরে ঘুমিয়ে থাকা আফগান নাগরিকদের ওপর আঘাত হানে শক্তিশালী ভূমিকম্প। আফগানিস্তান-পাকিস্তান সীমান্তে আঘাত হানা ৬.১ মাত্রার প্রবল ভূমিকম্পে এক হাজারের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে।
আফগানিস্তানকে ১ কোটি ডলার সহায়তা দিচ্ছে জাতিসংঘ
আফগানিস্তানের ভূমিকম্প ও বন্যায় দুর্দশাগ্রস্ত মানুষের জন্য ১ কোটি ডলারের জরুরি সহায়তার ঘোষণা দিয়েছে জাতিসংঘ। জাতিসংঘের মানবতা কার্যক্রমের আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেল ও জরুরি ত্রাণ সমন্বয়কারী মার্টিন গ্রিফিথস এই ঘোষণা দেন। আফগানিস্তানের পাকতিকা ও খোস্ত প্রদেশে গত ২ দশকের মধ্যে ভয়াবহ ভূমিকম্প থেকে বেঁচে যাওয়া মানুষগুলোর কাছে কোনো খাবার নেই। সেখানে কলেরা ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা আছে। এই ভূমিকম্পে ইতোমধ্যে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১১শ ছাড়িয়েছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম টুইটারে এক বার্তায় গ্রিফিথস বলেন, 'শত শত মানুষ মারা গেছে। আরও অনেকে আহত হয়েছেন। বাড়িঘর ধ্বংস হয়ে গেছে। শিশুরা ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে আছে। এই ভূমিকম্প আফগানিস্তানের দুর্ভাগ্যজনক ঘটনার তালিকার সর্বশেষ সংযোজন। আমি জাতিসংঘের কেন্দ্রীয় জরুরি সহায়তা তহবিল থেকে ১ কোটি ডলারের অনুমোদন দিয়েছি।'
আফগানিস্তানে কম মাত্রার ভূমিকম্পও কেন এতো বিধ্বংসী হয়?
আফগানিস্তানের পূর্বাঞ্চলে সম্প্রতি এক শক্তিশালী ভূমিকম্পে অন্তত এক হাজার মানুষ মারা গেছেন। পাশাপাশি আরও তিন হাজার জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। দেশটির পার্বত্য প্রদেশ পাকতিকায় সংঘটিত এই ভূমিকম্পে শতাধিক বাড়িঘরও ধ্বংস হয়ে গেছে। গৃহহীন হয়েছেন হাজার হাজার মানুষ। আফগানিস্তানে গত দুই দশকের মধ্যে সংঘটিত এটিই সবচেয়ে ভয়াবহ ভূমিকম্প।
আফগানিস্তানে গম সহায়তা পাঠিয়েছে ভারত
মানবিক সহায়তার অংশ হিসেবে আফগানিস্তানে ৩ হাজার মেট্রিক টন গমের একটি চালান পাঠিয়েছে ভারত। শনিবার (২৬ জুন) ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ‍মুখপাত্র অরিন্দম বাগচি এক বিবৃতিতে এই তথ্য জানিয়েছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টুইটারে অরিন্দম বাগচি বলেছেন, 'আফগানিস্তানে আজ ৩ হাজার মেট্রিক টন গমের পরবর্তী চালান পাঠিয়েছে ভারত। আফগান জনগণকে মানবিক সহায়তা প্রদানে আমাদের দৃঢ় অঙ্গীকার রয়েছে।' জাতিসংঘের খাদ্য বিষয়ক সংস্থা বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির (ডব্লিউএফপি) সাথে অংশীদারিত্বের মাধ্যমে আফগানিস্তানে ভারত ৩৩ হাজার ৫০০ মেট্রিক টন গমের চালান পাঠিয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি। গত মে মাসে ভারত সরকারের মানবিক সহায়তা হিসেবে ২ হাজার মেট্রিক টন গমের আরেকটি চালান আত্তারি-ওয়াগা সীমান্ত দিয়ে আফগানিস্তানে পাঠানো হয়েছিল। আফগানিস্তানে ৫০ হাজার মেট্রিক টন গম পাঠানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছে ভারত সরকার। এই প্রতিশ্রুতির অংশ হিসেবে দেশটিতে ইতোমধ্যে ১০ হাজার মেট্রিক টন গম পাঠিয়েছে নয়াদিল্লি।
রশিদের আহ্বানে বিধ্বস্ত আফগানদের পাশে আফ্রিদি
নানা সংকটে জর্জরিত আফগানিস্তান গত ২২ জুন শক্তিশালী ভূমিকম্পে কেঁপে উঠে। প্রত্যন্ত পাহাড়ি অঞ্চলে এই ৬.১ মাত্রার ভূমিকম্পে প্রায় ১১৫০ জন প্রাণ হারিয়েছেন, আহত হয়েছেন আড়াই হাজারেরও বেশি মানুষ। যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশটির এই দুর্যোগের সময় পাশে দাঁড়াতে বিত্তশালীদের প্রতি আহ্বান জানান দেশটির পোস্টার বয় রশিদ খান। রশিদ খানের ডাকে সাড়া দিলেন পাকিস্তানের কিংবদন্তি অলরাউন্ডার শহীদ আফ্রিদি। ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তা করতে রশিদ খান ব্যাকইভেনস্ট্রংগার.কমের মাধ্যমে অনুদান সংগ্রহ করছেন। আফ্রিদি ওই ওয়েবসাইটে অনুদান প্রদান করেছেন। রশিদ খানের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে টুইটারে আফ্রিদি লিখেছেন, 'আফগানিস্তানে ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্তদের ত্রাণ সহায়তা দেয়ার জন্য রশিদ খানের উদ্যোগকে সমর্থন করছি। আমি ব্যাকইভেনস্ট্রংগার.কমে অনুদান প্রদান করেছি, আমার ভক্তদেরও দান করতে উৎসাহিত করছি।' এছাড়া আফ্রিদি পাকিস্তানের আরও তিন কিংবদন্তি ক্রিকেটারকেও টুইটারে মেনশন করে আফগানদের পাশে দাঁড়াতে উৎসাহিত করেছেন। তিনি লেখেন, 'আমি ওয়াসিম আকরাম, ওয়াকার ইউনুস এবং শোয়েব আখতারকে দান করতে এবং ভিডিওর মাধ্যমে এই বার্তা ছড়িয়ে দিতে মনোনীত করছি।'
আফগানিস্তানে শক্তিশালী ভূমিকম্পে নিহত বেড়ে ১১০০
আফগানিস্তানে ভয়াবহ ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১১০০ জনে দাঁড়িয়েছে বলে জানিয়েছেন দেশটির দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়। এতে আহতের সংস্যা আরও এক হাজার ৬০০ জনে দাঁড়িয়েছে। গত বুধবার (২২ জুন) আফগানিস্তানের পাকতিকা ও খোস্ত প্রদেশে এ ভূমিকম্পের ঘটনা ঘটে। শুক্রবার (২৪ জুন) রাজ্যের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয় জানায়, এক হাজারেরও বেশি সংখ্যক আহতের অবস্থা আশঙ্কাজনক। ধ্বংসস্তূপের মধ্যে এখনও বেশকিছু মানুষ আটকা পড়ে থাকায় নিহত ও আহতের সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। স্থানীয় কর্মকর্তা ও পাকতিকার বাসিন্দারা জানান, ভূমিকম্পে এক হাজারের বেশি ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার বাসিন্দারা বলেন, তারা এ ঘটনায় তাদের সব সহায়-সম্পদ হারিয়েছে। মানবিক সংস্থা ও সরকারকে অবিলম্বে সহায়তা দেয়ার জন্য অনুরোধ জানিয়েছে পাকতিকা প্রদেশের নিঃস্ব পরিবারগুলো।
বন্যা-ভূমিকম্পে বিধ্বস্ত আফগানিস্তান, সাহায্যের আকুতি
ভয়াবহ ভূমিকম্পের আঘাতে বিধ্বস্ত আফগানিস্তানের একটি অংশ। রিখটার স্কেলে ৬ দশমিক ১ মাত্রার শক্তিশালী এই ভূমিকম্পে দেশটিতে প্রাণ হারিয়েছেন এক হাজারেরও বেশি মানুষ। আহত হয়েছেন আরও দেড় হাজারের বেশি। এই পরিস্থিতিতে বিপর্যয় মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সহায়তার জন্য আবেদন জানিয়েছে আফগানিস্তানের ক্ষমতাসীন তালেবান গোষ্ঠী। বৃহস্পতিবার (২৩ জুন) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি। বিবিসি বলছে, ভয়াবহ এই ভূমিকম্পে আফগানিস্তানে এক হাজারেরও বেশি মানুষ নিহত এবং অন্তত দেড় হাজার আহত হয়েছেন। এছাড়া অজ্ঞাত সংখ্যক মানুষ মাটির তৈরি বাড়ির ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়েছেন। ভূমিকম্পে দেশটির দক্ষিণ-পূর্ব পাকতিকা প্রদেশ সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং জাতিসংঘ জরুরি আশ্রয় ও খাদ্য সহায়তা প্রদানের জন্য আহ্বান জানিয়েছে। তবে ভারী বর্ষণ ও প্রয়োজনীয় সম্পদের অভাবে উদ্ধার তৎপরতা ব্যাহত হচ্ছে।
আফগানিস্তানের ভূমিকম্পে মৃত্যু হাজার ছাড়ালো
আফগানিস্তানে ভয়াবহ ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা ১ হাজার ছাড়িয়ে গেছে। এখন পর্যন্ত আহতের সংখ্যা ১৫০০। পাকতিকা প্রদেশের তথ্য বিভাগের প্রধান মোহাম্মদ আমিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা গেছে। ভূমিকম্পকবলিত পাকতিকার প্রদেশের এক সাংবাদিকের বরাত দিয়ে বিবিসি বলছে, ‘যে রাস্তায়ই আপনি যাবেন, শুনতে পাবেন কান্নার শব্দ, স্বজনরা তার প্রিয়জনের জন্য আহাজারি করছেন।’ ওই সাংবাদিক আরও বলেন, ‘অনেক মানুষ তার স্বজনদের খোঁজখবরও নিতে পারছে না। কারণ ফোনের নেটওয়ার্ক কাজ করছে না। আমার ভাই ও তার পরিবারের সদস্যরা মারা গেছেন, কয়েক ঘণ্টা পর আমি জানতে পারলাম। অনেক গ্রাম ধ্বংস হয়ে গেছে।’ পাকতিকা এলাকার এক চিকিৎসক বলেন, ‘ভূমিকম্পের আগেও আমাদের তেমন জনবল ছিল না, ভূমিকম্পের পর যা ছিল, সেটিও গেছে। আমি এখনও জানি না, আমার কয়জন কলিগ বেঁচে আছে।’
আফগানিস্তানে এবার বন্যায় ৪০০ জনের প্রাণহানি
আফগানিস্তানের পূর্বাঞ্চলে হওয়া ৬ দশমিক এক মাত্রার ভূমিকম্পে ইতোমধ্যে নিহতের সংখ্যা হাজার ছাড়িয়েছে। সেই ধাক্কার মধ্যেই আফগানিস্তানে দেখা দিয়েছে বন্যা। আফগানিস্তানের প্রাকৃতিক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে দেশটির সংবাদমাধ্যম তোলোনিউজ জানিয়েছে, বুধবার (২২ জুন) আফগানিস্তানের ৩৪টি প্রদেশের ১৮টিতেই দেখা দিয়েছে আকস্মিক বন্যা। এই বন্যায় দেশজুড়ে এ পর্যন্ত ৪০০ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়। আফগানিস্তানের বন্যায় প্লাবিত প্রদেশগুলো হলো- কুনার, নানগারহার, নুরিস্তান, লাঘমান, পানশির, পারওয়ান, কাবুল, কাপিসা, ময়দান ওয়ার্দাক, বামিয়ান, গজনি, লোগার, সামানগান, সার-ই-পুল, তাখার, পাকতিয়া ও দাইকুন্দি। আফগানিস্তানের প্রাকৃতিক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী বলেন, 'অতি বর্ষণ ও আকস্মিক বন্যায় আহতদের অধিকাংশকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বন্যার কারণে যাদের ঘরবাড়ি ভেঙ্গে পড়েছে, তাদেরকে সরকারের পক্ষ থেকে তাবু দেয়া হয়েছে।'
আফগানিস্তানে শক্তিশালী ভূমিকম্পে নিহত ৯২০
আফগানিস্তানে ভয়াবহ ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৯২০ জনে দাঁড়িয়েছে বলে জানিয়েছেন দেশটির দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা উপ মন্ত্রী শারাফউদ্দিন মুসলিম। এতে আহত হয়েছেন আরও ৬ শতাধিক মানুষ। বুধবার (২২ জুন) ভোরে দেশটির আফগানিস্তানের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশ খোস্তের রাজধানী শহর খোস্ত থেকে আনুমানিক ৪৪ কিলোমিটার দূরে ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল। আফগান সংবাদমাধ্যমে প্রচারিত ছবিতে দেখা যাচ্ছে ধ্বংসস্তুপে পরিণত হয়েছে বাড়িঘর। কম্বলে মোড়ানো মরদেহের সারি মাটিতে রাখা হয়েছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা সালাউদ্দিন আইয়ুবি জানিয়েছেন, আহতদের উদ্ধারে এবং খাবার ও জরুরি চিকিৎসা পণ্য পরিবহনে হেলিকপ্টার মোতায়েন করা হয়েছে। তিনি বলেন, ‘কিছু গ্রাম পাহাড়ের দুর্গম অঞ্চলে থাকায় মৃতের সংখ্যা বাড়তে পারে এবং বিস্তারিত সংগ্রহ করতে কিছুটা সময় লাগবে’।
আফগানিস্তানে শক্তিশালী ভূমিকম্পে নিহত বেড়ে ২৮০
আফগানিস্তানে ভয়াবহ ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্য বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৮০ জনে। এতে আহত হয়েছেন আরও অনেকে। বুধবার (২২ জুন) ভোরে দেশটির আফগানিস্তানের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশ খোস্তের রাজধানী শহর খোস্ত থেকে আনুমানিক ৪৪ কিলোমিটার দূরে ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল বলে জানিয়েছে মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস)। দেশটির সামাজিকমাধ্যমে প্রকাশিত ছবিগুলোতে দেখা যায়, পাকতিকা প্রদেশে স্ট্রেচারে করে আহত লোকজনকে ধ্বংসস্তূপ ও বাড়িঘর থেকে বের করছে উদ্ধারকারী দল। একজন স্থানীয় সরকারী কর্মকর্তা বিবিসিকে বলেন, নিহতের সংখ্যা ২৮০ জনে পৌঁছেছে। স্থানীয় বাখতার নিউজ সংস্থা জানিয়েছে, মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে । ভূমিকম্পে ৬০০ জনেরও বেশি লোক আহত হয়েছেন বলেও জানানো হয়েছে ওই সংবাদে।। ওই রিখটার স্কেলে ওই ভূমিকম্পের কম্পনের তীব্রতা ছিল ৬.১।
এক দশক পর সিরিয়ায় আরব আমিরাতের বিমান
সিরিয়া ও সংযুক্ত আরব আমিরাত সম্পর্কে নতুন মাত্রা পেল। দীর্ঘ এক দশকেরও বেশি সময় বন্ধ থাকার পর আমিরাতের সঙ্গে সিরিয়ার বিমান চলাচল আবার শুরু হয়েছে। আবুধাবির সঙ্গে সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদ সরকারের সম্পর্ক স্বাভাবিক করার অংশ হিসেবে দু'দেশের মধ্যে এই বিমান যোগাযোগ আবার চালু হল। মঙ্গলবার (২১ জুন) আরব আমিরাতের শারজাহ থেকে সিরিয়ার চ্যাম উইংস এয়ারলাইন্সের একটি বিমান ১৫১ জন যাত্রী নিয়ে উড্ডয়ন এবং সিরিয়ার লাটাকিয়া বিমানবন্দরে অবতরণ করে। পূর্ব নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী বিমানটির সিরিয়ার রাজধানী দামেস্ক আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করার কথা ছিল। কিন্তু সম্প্রতি ওই বিমানবন্দরের রানওয়েতে ইসরায়েলের হামলার কারণে এটি ব্যবহার অনুপযোগী থাকায় বিমানটিকে লাটাকিয়া নিয়ে যাওয়া হয়। ২০১১ সালে সিরিয়ায় বিদেশি মদদে সহিংসতা চাপিয়ে দেয়ার পর ওই বছরই আরব লীগ সিরিয়ার সদস্যপদ বাতিল করে। সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ আরব লীগের দেশগুলো দামেস্কে তাদের দূতাবাস বন্ধ করে তাদের রাষ্ট্রদূতদের প্রত্যাহার করে নেয়।
আফগানিস্তানে শক্তিশালী ভূমিকম্পে নিহত ২৫০
আফগানিস্তানে একটি শক্তিশালী ভূমিকম্পে অন্তত ২৫০ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও বহু মানুষ। দেশটির সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত ছবিগুলোতে দেখা যায়, পাকতিকা প্রদেশে স্ট্রেচারে করে আহত লোকজনকে ধ্বংসস্তূপ ও বাড়িঘর থেকে বের করছে উদ্ধারকারী দল। একজন স্থানীয় সরকারী কর্মকর্তা বিবিসিকে বলেন, মৃতের সংখ্যা ২৫০ জনের বেশি বাড়তে পারে এবং আরও ১৫০ জনের বেশি আহত হয়েছে। ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল দেশটির দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের খোস্ত শহর থেকে থেকে প্রায় ৪৪ কিলোমিটার দূরে। রিখটার স্কেলে ওই ভূমিকম্পের কম্পনের তীব্রতা ছিল ৬.১।
আফগানিস্তানে শিখ মন্দিরে বন্দুক হামলা, বহু হতাহতের আশঙ্কা
আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলের একটি শিখ মন্দিরে বন্দুকধারীরা হামলা চালিয়েছে। এতে বহু হতাহতের আশঙ্কা করা হচ্ছে। শহরের কার্তে পারওয়ান এলাকায় ওই শিখ মন্দিরটি অবস্থিত। স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, শিখ মন্দিরে একদল জঙ্গি হামলা চালায়। তারা ভেতরে ঢুকে এলোপাথাড়ি গুলি চালাতে শুরু করে। তারপর পরপর কয়েকটি বিস্ফোরণ ঘটায়। স্থানীয় এক কর্মকর্তা গোরনাম সিং বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে জানিয়েছেন, হামলার সময় মন্দিরের ভেতরে ৩০ জন ছিল। তবে তাদের মধ্যে কতজন বেঁচে আছেন আর কত জন মারা গেছেন আমরা তা জানি না। হামলাকারীকে জীবিত ধরার চেষ্টা করছে তালেবান সরকার। মন্দিরের দায়িত্বে থাকা গুরনাম সিং জঙ্গি হামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, বন্দুকধারীরা গুরুদ্বারে গুলি চালিয়েছে। তালেবান ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে এবং তাদের সঙ্গে জঙ্গিদের লড়াই চলছে। এদিকে ওই হামলার প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে ভারত। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, আমরা কাবুল শহরের একটি পবিত্র শিখ মন্দিরে হামলার বিষয়ে গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। আমরা পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছি।
তালিবান শাসনে সাংবাদিক এখন ফুটপাতের খাবার বিক্রেতা
মুসা মুহাম্মদির জীবন ছিলেন আফগানিস্তানের বেশ আলোড়ন সৃষ্টি করা সাংবাদিক। তবে বর্তমানে রাস্তার পাশে ফুটপাতে খাবার বিক্রি করেন তিনি । সম্প্রতি দেশটির সাবেক প্রেসিডেন্ট হামিদ কারজাইয়ের সরকারের সঙ্গে কাজ করা কবির হাকমল নামে এক ব্যক্তির টুইটে তথ্যটি প্রকাশ্যে আসে। তিনি টুইটের মাধ্যমে জানান, দেশের কত প্রতিভাবান পেশাদারকে দারিদ্র্যের মধ্যে ঠেলে দেয়া হয়েছে। মুসা মোহাম্মাদির ছবি শেয়ার করেন। ক্যাপশনে লেখেন, মুসা কয়েক বছর ধরে মিডিয়া লাইনে কাজ করতেন। কিন্তু আফগানিস্তানে চরম অর্থনৈতিক দুর্দশার কারণে বেঁচে থাকার জন্য মুসা এখন রাস্তায় খাবার বিক্রি করছেন। তিনি আরও বলেন, 'মুসা বিভিন্ন টিভি চ্যানেলে কয়েক বছর ধরে একজন অ্যাংকর ও রিপোর্টার হিসেবে কাজ করেছেন। এই মুহূর্তে তার পরিবারকে খাওয়ানোর জন্য কোনো আয় নেই। তাই কিছু টাকা উপার্জনের জন্য স্ট্রিট ফুড বিক্রি করছেন। সরকারের পতনের পর আফগানরা নজিরবিহীন দারিদ্রে ভুগছেন।' তবে মুসা মোহাম্মাদির এই ঘটনা সামাজিকমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। এই ঘটনা জাতীয় বেতার ও টেলিভিশনের মহাপরিচালক আহমাদুল্লাহ ওয়াসিকের দৃষ্টি গোচর হয়েছে। তিনি তার টুইটে জানান, তিনি মুসাকে তার বিভাগে নিয়োগ দেবেন।