আবহাওয়া | Ridmik News
আবহাওয়া
ঈদের দিন থাকবে গরমের দাপট
ঈদুল আজহার দিন ও তারপরের দিন গরমের দাপট থাকবে বেশি। ঢাকাসহ চার বিভাগে বৃষ্টিপাত একেবারেই কম হবে। তবে অন্য চার বিভাগের মধ্যে সিলেটে বিক্ষিপ্তভাবে ভারী বর্ষণ হতে পারে। বৃহস্পতিবার (৭ জুলাই) এ তথ্য জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদ মো. বজলুর রশিদ। তিনি বলেন, বর্তমানে আবহাওয়ার যে গতিপ্রকৃতি দেখা যাচ্ছে এতে আগামী ১০ ও ১১ জুলাই ঢাকা, রাজশাহী, রংপুর, ময়মনসিংহে রোদ ও গরম থাকবে। বৃষ্টিপাত হবে খুব কম। দুপুরের দিকে হালকা বৃষ্টিপাত হতে পারে। অন্যদিকে খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগে হালকা থেকে ভারী বর্ষণ বিক্ষিপ্তভাবে হতে পারে। তবে ভারী বর্ষণ কেবল সিলেটে হবে। সেটা টানা হবে না। এই আবহাওয়াবিদ আরও বলেন, যেহেতু রোদ থাকবে, এর মাঝে বৃষ্টি হয়ে ফের রোদ ওঠলে গরম অনুভূতি আরো বেড়ে যাবে। বাতাস থাকবে, তবে ঝড় হওয়ার কোনো শঙ্কা আপাতত নেই। বৃষ্টিপাতের প্রবণতা ঈদের পরে বাড়তে পারে। অন্য এক পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, বর্তমানে মৌসুমী বায়ুর অক্ষ রাজস্থান, মধ্যপ্রদেশ, উত্তর প্রদেশ, উড়িষ্যা, বিহার, গাঙ্গেয় পশ্চিম বঙ্গ এবং বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চল হয়ে আসাম পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। মৌসুমী বায়ু বাংলাদেশের ওপর কম সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরের অন্যত্র মাঝারি অবস্থায় রয়েছে।
ঈদের দিন বৃষ্টি হতে পারে
আগামী ১০ জুলাই সারাদেশে উদযাপিত হতে যাচ্ছে পবিত্র ঈদুল আজহা। ঈদ আনন্দ ভাগাভাগি করতে অনেকেই যাচ্ছেন বাড়ি। বৃহস্পতিবার (৭ জুলাই) সপ্তাহের শেষ কর্মদিবসে অফিস শেষ করে ছুটবেন আরও অনেকে। কিন্তু ঈদের দিনটি কাটবে কেমন? ভ্যাপসা গরম সহ্য করতে হবে, নাকি বৃষ্টির কারণে ঘরবন্দি থাকতে হবে? কারণ, কয়েক দিন ধরে প্রকৃতিতে চলছে রোদ-বৃষ্টির লুকোচুরি। কখনও প্রচণ্ড গরম, খানিক পর আবার ঝমঝমিয়ে বৃষ্টি।বৃষ্টি শেষ হতে না হতেই আবার গরমে অস্থির চারপাশ। বুধবারও দুপুরের পর থেকে থেমে থেমে ঝরেছে গুঁড়িগুঁড়ি বৃষ্টি। আবাহাওয়া অধিদফতর বলছে, ঈদের দিনও থাকবে এমন বৃষ্টিমুখর। তবে ভারী বৃষ্টি হবে না কোথাও। অধিদফতরের আবহাওয়াবিদ মো. ওমর ফারুক বলেন, ঈদের দিন দেশের বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টির সম্ভাবনা আছে। তবে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা কম। রাজধানী ঢাকায়ও বৃষ্টি হতে পারে, তবে তা সামান্য। ঈদের দিন দেশের দক্ষিণাঞ্চলে অপেক্ষাকৃত বেশি বৃষ্টি হতে পারে।
দিনভর ঝড়-বৃষ্টির পূর্বাভাস
সারা দেশে বজ্রসহ বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অফিস। সেই সঙ্গে কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ভারি বর্ষণ হতে পারে। বৃষ্টিপাতের প্রবণতা পাঁচদিন অব্যাহত থাকতে পারে বলেও জানানো হয়েছে। মঙ্গলবার (৫ জুলাই) রাতে আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এ তথ্য জানা গেছে। এতে বলা হয়েছে বুধবার (৬ জুলাই) ঢাকা, ময়মনসিংহ, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রাজশাহী, রংপুর ও খুলনা বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ভারি বর্ষণ হতে পারে। উল্লেখ্য, সকাল থেকেই রাজধানীসহ দেশের বেশ কিছু এলাকায় বৃষ্টি শুরু হয়েছে বলে জানা গেছে।
বৃষ্টি কমে বেড়েছে গরমের তীব্রতা
বাংলাদেশের ওপর দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু (বর্ষা) কম সক্রিয় থাকায় গত কয়েকদিনের তুলনায় অনেকটাই কমেছে বৃষ্টি। এতে বাড়ছে তাপমাত্রা। তাই ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বিরাজ করছে ভ্যাপসা গরমের অস্বস্তি। মঙ্গলবার (৫ জুলাই) সকাল থেকে ঢাকার আকাশে মেঘের আনাগোনা, মেঘের ফাঁকে উঁকি মারছে রোদ। নগর জীবনে দেখা দিয়েছে গরমের দুর্ভোগ। উত্তর ও দক্ষিণাঞ্চল প্রায় বৃষ্টিহীন। কিছুটা বৃষ্টি রয়েছে দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের চট্টগ্রামে। তবে, সোমবার (৪ জুলাই) সকাল ৬টা থেকে মঙ্গলবার সকাল ৬টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় সবচেয়ে বেশি বৃষ্টি হয়েছে সন্দীপে, ৬৭ মিলিমিটার। আবহাওয়াবিদ মো. মনোয়ার হোসেন বলেন, মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের ওপর কম সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরের অন্যত্র দুর্বল থেকে মাঝারি অবস্থায় রয়েছে। মঙ্গলবার (৫ জুন) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায়, ঢাকা ও খুলনা বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং রংপুর, রাজশাহী ও ময়মনসিংহ বিভাগের দু'এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেইসঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্তভাবে মাঝারি ধরনের ভারি থেকে ভারি বর্ষণ হতে পারে। সারাদেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে বলেও জানান এ আবহাওয়াবিদ।
সিলেটে ৬২ বছরের ‘রেকর্ড’ ভাঙলো বৃষ্টি!
সব রেকর্ড চুরমার করে সিলেটে নতুন রেকর্ড গড়েছে বৃষ্টি। সদ্য গত হওয়া জুন মাসে সিলেটে যে পরিমাণ বৃষ্টি হয়েছে, তা বিগত ৬২ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ। ১৯৫৬ সালের পর এত বেশি বৃষ্টির রেকর্ড নেই সিলেটে। সিলেট আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, জুন মাসে সিলেটে স্বাভাবিক গড় বৃষ্টিপাতের পরিমাণ ৮১৮.৪ মিলিমিটার। কিন্তু এ বছরের জুন মাসে এখানে ১৪৫৬.০২ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে, যা স্বাভাবিকের চেয়ে ৬৩৭.৬২ মিলিমিটার বেশি। শতকরা হিসেবে প্রায় ৭৭.৭৮ ভাগ বেশি বৃষ্টিপাত হয়েছে এবারের জুন মাসে। সিলেট আবহাওয়া অফিসের জ্যেষ্ঠ আবহাওয়াবিদ সাঈদ আহমদ চৌধুরী বলেন, এ বছরের জুনে অস্বাভাবিক বৃষ্টি হয়েছে। জুন মাসে গড়ে ২২ বৃষ্টি হয়; কিন্তু এবার হয়েছে ২৮ দিন। এ মাসে বৃষ্টির পরিমাণ অনেক বেড়েছে। এর আগে ২০০৪ সালে জুন মাসে সর্বোচ্চ ১৩৯৪ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছিল। তিনি জানান, এ বছরের জুন মাসের ১৮ তারিখে ৩০৩.৬ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়। এ ছাড়া একশ’ মিলিমিটারের বেশি বৃষ্টি হয়েছে ১৭ (১০৯ মি.মি.) ও ২৭ জুন (১১০ মি.মি.)। এই আবহাওয়াবিদ জানান, ১৯৫৬ সাল থেকে বৃষ্টিপাতের মোটামুটি পূর্ণাঙ্গ রেকর্ড আছে সিলেটে। তবে ১৯৭১, ১৯৭৩, ১৯৮১ সালসহ পাঁচ বছরের জুন মাসের তথ্য নথিতে নেই। অর্থাৎ, ৬২ বছরের জুন মাসের যে তথ্যাদি সংরক্ষিত আছে, সেগুলোর হিসেবে এ বছরের জুন মাসে সবচেয়ে বেশি বৃষ্টি হয়েছে সিলেটে। সাঈদ আহমদ চৌধুরী বলেন, চলতি জুলাই মাসে সিলেটে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা নেই। পাশাপাশি দুই মাসে অস্বাভাবিক বৃষ্টির রেকর্ড খুবই কম।
আগামী ৫ দিন আবহাওয়া যেমন থাকবে
আগামী পাঁচ দিন দেশে বৃষ্টির প্রবণতা বাড়বে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদফতর। রোববার (৩ জুলাই) সন্ধ্যায় আবহাওয়াবিদ মো. বজলুর রশিদ স্বাক্ষর করা এক পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়েছে। আবহাওয়া অফিস জানায়, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি, বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্তভাবে মাঝারি ধরনের ভারি থেকে ভারি বর্ষণ হতে পারে। তাপমাত্রার তথ্যে আবহাওয়াবিদ বজলুর রশিদ জানান, রোববার দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ফরিদপুরে ৩৫.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
দেশের ১৩ অঞ্চলে ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের পূর্বাভাস
দেশের ১৩টি অঞ্চলের ওপর দিয়ে সর্বোচ্চ ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। তাই সেসব অঞ্চলের নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্কতা সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। রোববার (০৩ জুলাই) এমন পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অফিস। আবহাওয়াবিদ খো. হাফিজুর রহমান জানিয়েছেন, পাবনা, ঢাকা, ফরিদপুর, যশোর, কুষ্টিয়া, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এবং সিলেট অঞ্চল সমূহের ওপর দিয়ে দক্ষিণ/দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫-৬০ কি.মি. বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা/ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দর সমূহকে ১ নম্বর সতর্কতা সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। বর্তমানে মৌসুমি বায়ুর অক্ষ রাজস্থান, হরিয়ানা, উত্তর প্রদেশ, বিহার, গাঙ্গেয় পশ্চিম বঙ্গ এবং বাংলাদেশের মধ্যাঞ্চল হয়ে আসাম পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। এর একটি বর্ধিতাংশ বিস্তৃত রয়েছে উত্তর-পূর্ব বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত। মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের উপর মোটামুটি সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরের অন্যত্র মাঝারি অবস্থায় রয়েছে।
৬০ কিমি বেগে ঝড়ের সম্ভাবনা, নদীবন্দরে সতর্কতা জারি
আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, দেশের দক্ষিণাঞ্চলে ও সমুদ্র তীরবর্তী এলাকায় ৬০ কিমি বেগে ঝড়-বজ্রবৃষ্টির হতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দরসমূহকে ১ নম্বর সতর্কতা সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। শুক্রবার (০১ জুলাই) রাতের পূর্বাভাসে আরও বলা হয়েছে, শনিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা ও ময়মনসিংহ বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারি থেকে ভারি বর্ষণ হতে পারে। সারাদেশে দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধি পাবে। ঢাকায় দক্ষিণ/দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় বাতাসের গতিবেগ থাকবে ১০-১৫ কিমি, যা অস্থায়ীভাবে দমকা আকারে ঘণ্টায় ২৫-৩০ কিমি বেগে বৃদ্ধি পেতে পারে। আগামীকাল রোববার ও পরদিন সোমবার বৃষ্টিপাতের বর্তমান ধারা অব্যাহত থাকতে পারে।
দেশের অধিকাংশ জায়গায় বজ্রসহ বৃষ্টির পূর্বাভাস
ঢাকাসহ দেশের অধিকাংশ জায়গায় বজ্রসহ বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদফতর। শুক্রবার (১ জুলাই) সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাস বলা হয়েছে, মৌসুমি বায়ুর অক্ষ উত্তর প্রদেশ, বিহার, পশ্চিমবঙ্গ এবং বাংলাদেশের মধ্যাঞ্চল হয়ে আসাম পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। এর একটি বর্ধিতাংশ উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের ওপর মোটামুটি সক্রিয় এবং উত্তরপূর্ব বঙ্গোপসাগরে মাঝারি অবস্থায় রয়েছে। এই অবস্থায় খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা ও ময়মনসিংহ বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে।
বাড়বে দিন-রাতের তাপমাত্রা
বৃষ্টিপাতের প্রবণতা সামান্য কমায় বাড়বে দিন ও রাতের তাপমাত্রা। ফলে বাড়তে পারে গরম অনুভূতি। শুক্রবার (১ জুলাই) এমন পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অফিস। আবহাওয়াবিদ মো. ওমর ফারুক জানিয়েছেন-মৌসুমি বায়ুর অক্ষ উত্তর প্রদেশ, বিহার, পশ্চিমবঙ্গ এবং বাংলাদেশের মধ্যাঞ্চল হয়ে আসাম পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। এর একটি বর্ধিতাংশ বিস্তৃত রয়েছে উত্তরপশ্চিম বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত। মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের ওপর মোটামুটি সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে মাঝারি অবস্থায় রয়েছে। এ অবস্থায় শনিবার (২ জুলাই) সকাল পর্যন্ত খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম, সিলেট ও রংপুর বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রাজশাহী, ঢাকা ও ময়মনসিংহ বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে। সারাদেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধি পেতে পারে। ঢাকায় দক্ষিণ/দক্ষিণপূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় বাতাসের গতিবেগ থাকবে ১০-১৫ কি.মি., যা অস্থায়ীভাবে দমকা আকারে ঘণ্টায় ২৫-৩০ কি.মি. বেগে বৃদ্ধি পেতে পারে।
বৃষ্টি নিয়ে নতুন পূর্বাভাস দিল আবহাওয়া অফিস
আজ বৃহস্পতিবার (৩০ জুন) রংপুর, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট- এই চার বিভাগের অধিকাংশ স্থানে বৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদফতর। অন্য চার বিভাগে বৃষ্টির প্রবণতা একটু কম থাকতে পারে বলেও জানিয়েছে সংস্থাটি। বুধবার (২৯ জুন) ভোর ৬টা থেকে বৃহস্পতিবার (৩০ জুন) ভোর ৬টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশেই কমবেশি বৃষ্টি হয়েছে। তবে বৃষ্টির প্রবণতা বেশি ছিল চট্টগ্রাম, রংপুর ও সিলেট বিভাগে। এসময় সবচেয়ে বেশি ৭২ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে ফেনীতে। ঢাকায় ১৬ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল থেকে ঢাকার আকাশ মেঘে ঢাকা, এরই মধ্যে এক পশলা বৃষ্টিও হয়েছে। আবহাওয়াবিদ মোহাম্মদ মনোয়ার হোসেন জানান, মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের ওপর মোটামুটি সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে মাঝারি অবস্থায় রয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় রংপুর, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় এবং রাজশাহী, ঢাকা, বরিশাল ও খুলনা বিভাগের অনেক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারি থেকে ভারি বৃষ্টি হতে পারে।
ঝড় নিয়ে নতুন করে যে বার্তা দিলো আবহাওয়া অফিস
দেশের ১১টি অঞ্চলের ওপর দিয়ে সর্বোচ্চ ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস। এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে এক নম্বর সতর্কতা সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। মঙ্গলবার (২৮ জুন) রাতে আবহাওয়ার পূর্বাভাসের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানা গেছে। আবহাওয়াবিদ খো. হাফিজুর রহমান জানিয়েছেন—রংপুর, দিনাজপুর, ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল, ঢাকা, ফরিদপুর, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এবং সিলেট অঞ্চল সমূহের ওপর দিয়ে দক্ষিণ/দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫-৬০ কি.মি. বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা/ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দর সমূহকে ১ নম্বর সতর্কতা সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। বর্তমানে মৌসুমি বায়ুর অক্ষ বিহার, পশ্চিমবঙ্গ এবং বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চল হয়ে আসাম পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। এর একটি বর্ধিতাংশ উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের ওপর মোটামুটি সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে মাঝারি অবস্থায় রয়েছে।
দেশের চার বিভাগে ভারি বর্ষণের আভাস
দেশের চার বিভাগের বেশকিছু অঞ্চলে বৃষ্টির সম্ভাবনার কথা জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদফতর। মঙ্গলবার (২৮ জুন) সকালে আবহাওয়াবিদ মো. হাফিজুর রহমান জানান, সকাল ৯টা থেকে ২৪ ঘণ্টায় রংপুর, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায়, ঢাকা ও বরিশাল বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং রাজশাহী ও খুলনা বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এছাড়া রংপুর, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারি থেকে ভারি বর্ষণ হতে পারে। তিনি বলেন, এ সময়ে সারাদেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। আগামী তিন দিনে বৃষ্টিপাতের প্রবণতা বাড়তে পারে। সকালে দেয়া আবহাওয়া অধিদফতরের সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের ওপর মোটামুটি সক্রিয়। এটি উত্তর বঙ্গোপসাগরে মাঝারি অবস্থায় রয়েছে। আবহাওয়াবিদ হাফিজুর রহমান আরও বলেন, বৃষ্টি মাঝে থেমে গিয়েছিল। তবে তা আবার শুরু হবে। দেশের সব এলাকাতেই কমবেশি বৃষ্টি হবে।
দেশের ৩ বিভাগে বেশি বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস
দেশের তিনটি বিভাগে অন্যান্য বিভাগের চেয়ে বেশি বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদফতর। এছাড়া চারটি বিভাগে হতে পারে বিক্ষিপ্তভাবে ভারী বর্ষণ। সোমবার (২৭ জুন) এমন পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অফিস। সহকারি আবহাওয়াবিদ মো. বজলুর রশিদ জানিয়েছেন বায়ুর অক্ষ বিহার, পশ্চিম বঙ্গ এবং বাংলাদেশের মধ্যাঞ্চল হয়ে আসাম পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের ওপর মোটামুটি সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে মাঝারি অবস্থায় রয়েছে। এই অবস্থায় মঙ্গলবার (২৮ জুন) সকাল পর্যন্ত রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায়; ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং রাজশাহী, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের দু'এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে রংপুর, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্তভাবে মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে। বুধবার নাগাদ বৃষ্টিপাতের প্রবণতা বৃদ্ধি পেতে পারে।
ভারি বর্ষণ নিয়ে নতুন যে বার্তা দিলো আবহাওয়া অফিস
দেশের কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্তভাবে ভারী বর্ষণ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন আবহাওয়া অফিস। এছাড়া কিছু কিছু অঞ্চলে অস্থায়ীভাবে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। শনিবার (২৫ জুন) সন্ধ্যায় আবহাওয়া পূর্বাভাসের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায়। আবহাওয়াবিদ ড. আবুল কালাম মল্লিক জানান, মৌসুমী বায়ুর অক্ষ বিহার, পশ্চিম বঙ্গ এবং বাংলাদেশের মধ্যাঞ্চল হয়ে উত্তরপূর্ব দিকে আসাম পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। মৌসুমী বায়ু বাংলাদেশের ওপর মোটামুটি সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে মাঝারি অবস্থায় রয়েছে। এ অবস্থায় রোববার (২৬ জুন) সন্ধ্যা পর্যন্ত খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা ও ময়মনসিংহ বিভাগের দুই/এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেসঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্তভাবে মাঝারি ধরনের ভারী বর্ষণ হতে পারে। সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকবে।